ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

2019-07-22

, ১৯ জিলকদ ১৪৪০

‘স্পট ফিক্সিং অপরাধ, ব্যবস্থা নেয়া উচিত’

প্রকাশিত: ০৯:৩১ , ১৯ মার্চ ২০১৭ আপডেট: ০৯:৩১ , ১৯ মার্চ ২০১৭

বৈশাখী অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ স্পট ফিক্সিংকে নিছক কোনো ভুল বা ক্ষণিকের বিচ্যুতি মনে করেন না। তিনি চান, এ ধরনের অপরাধীরা যেন কখনোই মূলধারার সঙ্গে মিশতে না পারে এবং আত্মমর্যাদা নিয়ে আগের অবস্থানে ফিরে যেতে না পারে। দ্য নেশন এ কথা জানিয়েছে।
লাহোরে ক্রীড়া সাংবাদিকদের একটি সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ ব্যাপারে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন হাফিজ । তিনি বলেন, ‘এটা আমার আদর্শগত অবস্থান। কোনো ব্যক্তিবিশেষে এই অবস্থান পরিবর্তিত হওয়ার সুযোগই নেই। আমার অবস্থানটা হচ্ছে, যেকোনো ধরনের অপরাধ, যা পাকিস্তানের সম্মান নষ্ট করে, সেই অপরাধ যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে অপরাধীর সম্মান ফিরে পাওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়।’
বিভিন্ন সময় ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে কলঙ্কিত হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট। নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে ম্যাচ পাতানোর বিতর্ক, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়। ২০০০ সালে কিছু ঘটনা সত্যিও প্রমাণিত হয়। আজীবন নিষিদ্ধ হন সাবেক অধিনায়ক সেলিম মালিক। এরপর নিষিদ্ধ হয়েছেন দানিশ কানেরিয়া। ২০১০ সালে স্পট ফিক্সিং-কাণ্ড নতুন করে নাড়া দেয় পাকিস্তান ক্রিকেটকে। সে সময়কার অধিনায়ক সালমান বাট, পেসার মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমির অভিযুক্ত হন স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে। এই তিন ক্রিকেটার নিষিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগও করেন। সম্প্রতি পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএলে) স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে নতুন করে। এই অভিযোগে আপাতত নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছেন পাঁচ পাকিস্তানি ক্রিকেটার—খালিদ লতিফ, শারজিল খান, শাহজাইব আহমেদ, মোহাম্মদ ইরফান ও নাসির জামশেদ।
হাফিজ পুরো বিষয়টিকেই দুঃখজনক বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার এটি, পাকিস্তান ক্রিকেটে আবারও স্পট ফিক্সিং বিতর্ক চলে এসেছে। এই মুহূর্তে আমরা একটি বেদনাদায়ক বাস্তবতার মধ্যে আছি। আমি এ ব্যাপারে বেশি কিছু বলতে চাই না, কারণ এটি এখনো প্রমাণিত নয়। তবে এ ধরনের অভিযোগ বারবার ওঠাটা খুবই বেদনাদায়ক।’
হাফিজ মনে করেন, এ ধরনের অপরাধকে কঠোর হাতেই দমন করতে হবে, ‘স্পট ফিক্সিং বা এ ধরনের অপরাধে অপরাধী খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে এমন কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে এদের দেখে কেউই ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করার সামান্যতম সাহসটুকুও না পায়।’

ক্রিকেট-দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন পাকিস্তানের অন্য সাবেক ক্রিকেটাররাও। সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিয়াঁদাদ স্পট ফিক্সিং-কাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ডের মতো সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই কথা বলেছেন কিংবদন্তি লেগ স্পিনার আবদুল কাদিরও।

 

এই বিভাগের আরো খবর

অনুশীলনে চোট পাওয়ায় শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ছিটকে পড়লেন মাশরাফি

নিজস্ব প্রতিবেদক: অনুশীলনে চোট পাওয়ায় শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ছিটকে পড়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। বিকেলে অনুশীলেন বেশ...

জিম্বাবুয়ের সদস্যপদ স্থগিত

ক্রীড়া ডেস্ক : ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে সাময়িকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এর সদস্যপদ...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is