ঢাকা, বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-21

, ১৬ রমজান ১৪৪০

যেকোনো সময় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে

প্রকাশিত: ০৩:০৭ , ১৯ মার্চ ২০১৭ আপডেট: ০৩:০৭ , ১৯ মার্চ ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: হরকাতুল জিহাদ-হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ তিন জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সর্বোচ্চ আদালতের দেয়া রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন-রিভিউ খারিজ করে দিয়ে আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহালের এই রায় দেন। এর ফলে যেকোনো সময় তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে।

সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও তিনজন নিহতের ঘটনায় করা মামলায় মুফতি হান্নানসহ তিন জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আসামিরা চাইলে নিজেদের দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ হলে মৃত্যুদন্ড কার্যকরে কোনো বাধা থাকবে না।

আইনজীবী নিখিল কুমার সাহা আদালতে মুফতি হান্নানসহ আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন। আর, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নান, জঙ্গি শরিফ শাহেদুল ও দেলোয়ার ফেব্রুয়ারি মাসে রিভিউ করেন।

কারাসূত্র বলেছে, ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে যান ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী। ফেরার পথে ফটকের কাছে গ্রেনেড হামলায় তিনি সহ বেশ কয়েকজন আহত হন। নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন। এ ঘটনায় করা মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নান, জঙ্গি শরিফ শাহেদুল ও দেলোয়ারকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন। গত ৭ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে মুফতি হান্নানসহ তিন জঙ্গির আপিল শুনানির পর আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেয়। গত ১৭ জানুয়ারি আপিল বিভাগের ৬৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। দণ্ডিত দুই আসামিও কারাগারে আছে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে গ্রেনেড হামলা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টাসহ ১৩টি নাশকতামূলক ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যার পেছনের মূল হোতা হিসেবে মুফতি হান্নানের নাম উঠে আসে। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালী পাড়ায়। ২০০০ সালের ২০ জুলাই কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনার সভামঞ্চের কাছে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখার ঘটনায় করা মামলারও আসামি মুফতি হান্নান।

 

এই বিভাগের আরো খবর

বিচারাধীন মামলার সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে ব্যাখ্যা আসছে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিচারাধীন মামলার বিষয়ে সংবাদ প্রচার করা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট ব্যাখ্যা দেবে বলে আশা করছেন...

বিচারাধীন মামলা নিয়ে সংবাদ পরিবেশনে বাধা নেই: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলার বিষয়ে রিপের্টিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকতে পারে না।...

মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স নিয়ে পরিপত্র হাইকোর্টে অবৈধ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স ১২ বছর ৬ মাস নির্ধারণ করে জারি করা সংশোধিত পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা...

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি ১৯ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের পরবর্তী শুনানি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is