ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-16

, ১০ জমাদিউল সানি ১৪৪০

খেলারামের কোঠায় একদিন

প্রকাশিত: ০৮:০১ , ১০ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৮:০১ , ১০ অক্টোবর ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: ঢাকার কাছেই নবাবগঞ্জ প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শনে সমৃদ্ধ। তার মধ্যে একটি স্থাপনা হচ্ছে খেলারামদার কোঠা। নবাবগঞ্জের বান্দুরার কলাকোপায় অবস্থিত খেলারামের এই কোঠাটি কালের সাক্ষী। প্রায় ২০০ বছরের পুরনো শৈল্পিক কারুকার্যে নির্মিত এ ভবনটি একনজর দেখার জন্য প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে যান অনেক দর্শনার্থী। এই কোঠাটি নিয়ে অনেক কাহিনী কথিত আছে।

প্রচলন আছে, ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে বর্তমান ময়মনসিংহ জেলার তৎকালীন জমিদার খেলারাম তাঁর বংশীয় লোকজনের সাথে দেখা করতে নবাবগঞ্জের কলাকোপায় আসতেন। আসা-যাওয়ার মাঝে এ স্থানটি তাঁর পছন্দ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে অস্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য একটি দ্বিতল পাকা ভবন নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে এটি খেলারামের কোঠা নামে পরিচিতি লাভ করে। তিনি এ অঞ্চলের মানুষকে অনেক সাহায্য-সহযোগিতা করতেন, যার জন্য তাঁর নামের সাথে দাতা শব্দটি যুক্ত হয়ে খেলারাম দাতা হিসেবে পরিচিতি পায়। বর্তমানে খেলারাম দাতার কোঠা বললে সবাই একনামে চেনে-জানে।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা রাখা হয় খেলারামের কোঠাটি। তবে ভবনের ভেতরে প্রবেশের জন্য কোনো ফি ধার্য করা হয়নি।

যা দেখবেন

খেলারামের দোতল এ বাড়িটির দৈর্ঘ্য-প্রস্থ প্রায় সমান। ভবনের নিচতলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ২০টির মতো সুরম্য কক্ষ রয়েছে। দোতলায় মোট ৯টি গম্বুজ রয়েছে। মাঝখানের গম্বুজটি আকারে অনেক বড়। প্রতিটি গম্বুজের ভেতরের অংশে চীনামাটির কারুকার্যে তৈরি করা হয়েছে বলে সহজেই সবার দৃষ্টি কাড়ে। ভবনটির মাটির নিচে একটি গোপন কক্ষ রয়েছে। কথিত রয়েছে গোপন কক্ষটিতে জমিদার খেলারাম ও তার ভক্তবৃন্দরা আরাম-আয়েশ ও আরাধনা করতেন।

কীভাবে যাবেন

ঢাকার গুলিস্তান ও নয়াবাজার থেকে যমুনা, শিশির ও নবাবগঞ্জ পরিবহনের বাস চলাচল করে এই রুটে। ভাড়া জনপ্রতি ৫০ টাকা। নবাগঞ্জ নেমে রিকশা নিয়ে যেতে পারবেন খেলারামের কোঠায়।

এই বিভাগের আরো খবর

প্রকৃতির নিস্বর্গ শিলং

ডেস্ক প্রতিবেদন: শিলং উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৯০৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত শিলং-এ প্রচুর বৃষ্টিপাত...

অবসরে ঘুরে আসুন জিন্দা পার্ক

ডেস্ক প্রতিবেদন: নগর জীবনের যান্ত্রিক কোলাহল ছেড়ে একটুখানি শান্তির পরস পেতে কার  না মনে চায়। আর তাই একটুখানি শান্তির ছোঁয়া পেতে অবসরে...

মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স 

ডেস্ক প্রতিবেদন: মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের পাশে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায়...

বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণ বগালেক

ভ্রমণ ডেস্ক: বগাকাইন লেক বা বগালেক বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে কেওক্রাডং পাহাড়ের কোল ঘেসে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায়...

ঘুরে আসুন মাধবপুর লেক

ডেস্ক প্রতিবেদন: মাধবপুর লেক বা হ্রদটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। কমলগঞ্জ উপজেলা সদরে থেকে মাধবপুর লেকের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is