ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২ ফাল্গুন ১৪২৪

2018-02-23

, ৭ জমাদিউল সানি ১৪৩৯

নিউইয়র্কে সেমিনারে অর্থমন্ত্রী

২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ দারিদ্রদূরীকরণে সফল হবে

প্রকাশিত: ০৫:৪২ , ১১ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৫:৪২ , ১১ অক্টোবর ২০১৭

কূটনৈতিক প্রতিবেদক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ২০২৪ সালের মধ্যেই দারিদ্র্যদূরীকরণে বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করবে। নিউইয়র্কের মিলেনিয়াম হিলটন হোটেলে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ‘টেকসই উন্নয়নের পথে: এমডিজি থেকে পাওয়া শিক্ষা ও এসডিজি অর্জনের উপায়’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিয়ে একথা বলেছেন তিনি। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।
    
আন্তর্জাতিক থিংঙ্ক ট্যাংক ‘দি ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড গভর্ননেন্স (আইপ্যাগ) এই আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করে। এতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

উদ্বোধনী সেশনে বক্তৃতা দেন ইউএনডিপি’র ব্যুরো অফ পলিসি এন্ড প্রোগ্রাম সার্পোট এর সহকারী প্রশাসক ও পরিচালক এবং জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মাগদি মার্টিনেজ সোলিমান। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সামগ্রিক অর্থনীতির ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি নিরবচ্ছিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করতে পেরেছে। যার ফলে দেশটির অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ৬ ভাগের উপরে রয়েছে। ১৯৯১ সালে যেখানে দারিদ্র্যের হার ৫৬ শতাংশ ছিল, তা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়ে ২০১০ সালে ৩১ শতাংশে এসে দাড়িয়েছে”।

এর আগে স্বাগত ভাষণ দেন আইপ্যাগ এর চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ মুনির খসরু। তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে সফলতার সাথে এসডিজি’র লক্ষ্যসমূহ পূরণে এর বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

প্রধান অতিথির ভাষণে অর্থমন্ত্রী এমডিজি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ কীভাবে এসডিজি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে তা সেমিনারে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এসডিজি খুবই আলাদা। আমাদের ভাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। যার ফলে লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা এখন খুব সহজ। আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিশ্র“তি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি”।


সেমিনারটিকে চারটি সেশনে ভাগ করা হয়। সেশনগুলোতে মূল বক্তব্য পাঠ করে শোনান নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অন ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এর পরিচালক সারাহ্ ক্লীফ, ইউএনডিপি’র পরিচালক নিক শিকরান, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রফেসর রুথ ডেফরাইস্ এবং দ্যা ব্রকলিন ইনস্টিটিউশনের বৈশ্বিক অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ক সিনিয়র ফেলো অ্যান্থনি এফ পিপা, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষক, গবেষক, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশ ও বিশ্বের ১৬ জন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব সেশনগুলোতে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেয়।

সেশনগুলোতে মডারেটর ছিলেন, ক্যাটো ইনস্টিটিউটের সেন্টার ফর গ্লোবাল লিবার্টি অ্যান্ড প্রোসপারিটি বিভাগের সিনিয়র ফেলো সোয়ামিনাথান এস আঙ্কেলেশ্বরিয়া আইয়ার, গ্লোবাল পার্টনারশীপ ফাউন্ডেশনের পরিচালক লরেন ব্রাডফোর্ড, ইউএনডিপির তুরস্কের প্রতিনিধি ক্যারোলিনা মিজেক ক্যালিয়াস এবং বিশ্বব্যাংক গ্র“পের ইউএন প্রতিনিধি বিজর্ন গিলস্যাটার।

 শেষে সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন জাতিসংঘের এসডিজি বিষয়ক গ্লোবাল অ্যাডভোকেট ও হেলথ্ এমপ্লয়মেন্ট ও ইকোনমিক গ্রোথের হাই লেভেল কমিশনার ডা: আলয়া মুরাবিট।

বাংলাদেশ ডেলিগেশনের মধ্যে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সিনিয়র সচিব সামসুল আলম, অর্থ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব কাজী শফিকুল আজম।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

আকাশপথে সরাসরি কার্গো পরিবহনে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুই বছর বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে কার্গো পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাজ্য। রোববার...

হুমকির মুখে এসডিজি লক্ষমাত্রা অর্জন: মন্তব্য অর্থনীতিবিদদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংক খাতে অস্থিরতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে এসডিজি লক্ষমাত্রা অর্জন হুমকির মুখে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is