ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-18

, ৫ জিলকদ্দ ১৪৩৯

স্কুলশিক্ষা থেকে ঝড়ে পড়ছে মেয়েশিশুরা

প্রকাশিত: ০৮:১৫ , ১১ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৮:১৫ , ১১ অক্টোবর ২০১৭

আন্তজাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের এক পরিসংখ্যান বলছে- বিশ্বের দরিদ্রতম কয়েকটি দেশে স্কুলের অভাব মোকাবেলায় গত এক দশকে মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রায় শূন্য অগ্রগতি হয়েছে। আরও একটি রিপোর্টে জাতিসংঘ বলেছে ৬০০ মিলিয়নেরও বেশি শিশুদের শিক্ষার মান পরীক্ষা করা হয়েছে। এমন শিক্ষার মান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তারা বলেছে সে সব শিশুরা মূলত কিছুই শিখছে না।
সমৃদ্ধ পশ্চিমা দেশে যদিও মেয়েরা একা একা একাডেমিক কৃতিত্ব অর্জন করে। তবে, বিশ্বের দরিদ্র অংশে বিশেষ করে সাহারার আফ্রিকায় স্কুল গুলোতে মেয়েশিশুদের অনুপস্থিতি অনেক বেশি লক্ষ্য করা যায়। অনেক অল্পবয়সি মেয়েরা স্কুলে যাওয়ার পরিবর্তে কাজ করার আশা করে এবং অনেক অল্প বয়স্ক ছেলে-মেয়েরা শিক্ষার সুযোগ যুদ্ধ, সহিংসতা ও অর্থনৈতিক কারণে হারাতে বাধ্য হয়।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় যে, সহিংসতাপূর্ণ অঞ্চলে মেয়েদের শিক্ষা হারানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। মেয়েদের শিক্ষার জন্য সবচেয়ে কঠিনতম শীর্ষ ১০টি দেশের একটি তালিকা তৈরি করেছে জাতিসংঘ।
১. দক্ষিণ সুদান: বিশ্বের সবচেয়ে নতুন এ দেশটি পাড়ি দিচ্ছে অনেক সহিংসতা ও যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। এ দেশের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মেয়েশিশু প্রাথমিক স্কুলও শেষ করতে পারে না।
২. মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র: প্রতি ৮০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মাত্র একজন শিক্ষক।
৩. নাইজার: ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীর মধ্যে মাত্র ১৭% শিক্ষিত। বাকিদের স্কুলের সাথে কোনো সর্ম্পক নেই।
৪. আফগানিস্তান: ছেলে-মেয়েদের মধ্যে অনেক বড় একটি দূরত্ব তৈরি হয়েছে। স্কুলগুলোতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা খুবই কম।
৫. চাঁদ: মেয়েশিশু ও মেয়েদের শিক্ষার জন্য অনেক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাধা রয়েছে এই দেশটিতে।
৬. মালি: এই দেশটিতে শুধুমাত্র ৩৮% মেয়েরা প্রাথমিক স্কুলে যেতে দেখা মিলে ।
৭. গিনি: ২৫ বছরের বেশি বয়সের মহিলাদের মধ্যে শিক্ষার গড় সময় এক বছরেরও কম।
৮. বুরকিনা ফাসো: শুধুমাত্র ১% মেয়েরা সম্পূর্ণ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পড়া-শোনা করছে।
৯. লাইবেরিয়া: প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ তরুণ-তরুণী প্রাথমিকস্কুলের আওতাভুক্ত নয়।
১০. ইথিওপিয়া: পাঁচটি মেয়ের মধ্যে দুটি মেয়ের বিয়ে হয় ১৮বছর বয়সের আগে।
দরিদ্র দেশগুলিতে শিক্ষকদের ঘাটতি একটি সাধারণ সমস্যা। তবে, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সহিংসতা আর যুদ্ধের কারনে ব্যাহত হচ্ছে মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা।
গত বছর জাতিসংঘ জানায়, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী নিয়োগের জন্য আরো ৬৯ মিলিয়ন শিক্ষককে নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন।
প্রায় ১৩০ মিলিয়ন মেয়েশিশু এখনও স্কুলের বাইরে। যে ১৩০ মিলিয়ন শিক্ষার্থী হতে পারে সম্ভাব্য প্রকৌশলী, উদ্যোক্তা, শিক্ষক এবং রাজনীতিবিদ যাদের নেতৃত্ব বিশ্বের উপর এখনো অনুপস্থিত আছে।

এই বিভাগের আরো খবর

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির দায়ে শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ  জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুহুল আমিন...

কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজে স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজে কলেজ চলাকালীন স্মার্টফোন ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে এ নিষেধাজ্ঞা...

এইচএসসির ফল প্রকাশ কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে বৃহস্পতিবার। সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষা বোর্ডের...

শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীদের শাস্তি দাবি ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. তানজিমউদ্দিন খান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের...

আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণ জয়

অনলাইন ডেস্ক: প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে (আইএমও) স্বর্ণপদক জয় করেছে বাংলাদেশ। রোমানিয়ায় অনুষ্ঠিত অলিম্পিয়াডের ৫৯তম...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is