ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭, ৬ কার্তিক ১৪২৪, ৩০ মহাররম ১৪৩৯
শিরোনামঃ
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখুন: জয় বেড়িবাঁধ ভেঙে বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ব্যাহত ফেরি চলাচল টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন বন্দরের কার্যক্রমে স্থবিরতা ডি-এইট সম্মেলনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে রোহিঙ্গা ইস্যু আওয়ামী লীগে জঙ্গি-সন্ত্রাসি ও চাঁদাবাজের ঠাঁই নেই: ওবায়দুল সু চি’র নীরবতায় রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা নিপীড়ন চলছে: ইউনূস ভারী বর্ষণে কলাপাড়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ১১ গ্রাম প্লাবিত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: আমীর খসরু মালয়েশিয়ায় ৩৯ বাংলাদেশিসহ ১১৩ অভিবাসী আটক একটি গোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহার করতে চায়: কামরুল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান ইনজুরির কারণে শেষ ওয়ানডেতেও খেলতে পারছেন না তামিম দিনাজপুর ও নেত্রকোনার চাষিরা দিশাহারা স্পেনের অংশ কাতালোনিয়া আছে, থাকবে: রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ আলফাডাঙ্গায় মধুমতির ভাঙন এলাকায় ড্রেজিং প্রকল্প উদ্বোধন আফগানিস্তানে দু’টি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ৭২ হাঁস পালন করে ঝিনাইদহের শতাধিক খামারির মুখে হাসি ড্রাগন চাষে লাভবান হচ্ছেন পটুয়াখালীর চাষিরা ভারী বর্ষণে কলাপাড়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ১১ গ্রাম প্লাবিত

বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭ শুরু ১৮ অক্টোবর

প্রকাশিত: ০৮:৩৪ , ১১ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৮:৩৪ , ১১ অক্টোবর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘মেক ইন বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে তিনদিন ব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭’। পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ প্রদর্শনী উদ্বোধন করবেন। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস)  যৌথ  উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের বর্ণাঢ্য এ প্রদর্শনী।
বুধবার সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আইসিটি এক্সপো’র বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর, কন্ট্রোলার অব সার্টিফায়িং অথরিটিজ (সিসিএ) এ প্রদর্শনীর আয়োজনে সহযোগী। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিস (বেসিস), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বিএসিসিও), সিটিও ফোরাম, ই-ক্যাব, বিআইজেএফ এ প্রদর্শনীর অংশীদার।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশকে প্রযুক্তি খাতের আদর্শ গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার লক্ষ্যে বিশাল কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাব ইত্যাদি উৎপাদন, সংযোজনে ব্যবহৃত হয় এমন কাঁচামাল,যন্ত্রাংশে বিদ্যমান শুল্ক কমিয়েছি।  ৯৪ ধরণের কাঁচামাল, যন্ত্রাংশে আগের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক এখন মাত্র ১ শতাংশ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আইটি-আইটিএস ও হার্ডওয়্যার খাতে রপ্তানিরর ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। ফলে এ খাতে আমরা বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচনা করতে পেরেছি। এর মাধ্যমে দেশীয় হার্ডওয়্যার শিল্পের বিকাশ ও এ শিল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছে।”
প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরও বলেন, ‘‘দেশে এখন বিশ্বখ্যাত স্যামস্যাং যেমন কনজ্যুামার ইলেকট্রনিক্স কারখানা স্থাপন করেছে, তেমনিভাবে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনও তাদের মোবাইল সংযোজন কারখানার যাত্রা শুরু করেছে। এছাড়াও, দেশে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ উৎপাদন, সংযোজন কারখানা স্থাপনের জন্য কার্যক্রম শুরু করেছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সিম্পোনি ও আমরা টেকনোলজিস এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান এলজি ও হুয়াওয়ে। ফলে দেশীয় প্রযুক্তি পণ্যের বিশাল চাহিদা মেটাতে আর আমাদেরকে আমদানি করতে হবে না। আমরা এখন সংযোজন ও উৎপাদন শুরু করেছি। আশা রাখি, বাংলাদেশ আগামী ২/৩ বছরের মধ্যে শুধু উৎপাদনই করবে না, রপ্তানি করতেও সক্ষম হবে।’’  
হার্ডওয়্যার খাতে বাংলাদেশের সাফল্য ও অগ্রগতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে টানা তৃতীয় বারের মতো এ প্রদর্শনী আয়োজিত হতে যাচ্ছে। প্রদর্শনীতে লোকাল ম্যানুফ্যাকচারাস, আইওটি ও ক্লাউড, প্রোডাক্ট শোকেস, ইনোভেশন, মিট উইথ ইন্টারন্যাশনাল ম্যানুফ্যাকচারারস, ডিজিটাল লাইফস্টাইল, মেগা সেলস, সেমিনার, বিটুবি ম্যাচমেকিং ও হাই-টেক পার্ক-- এ রকম ১০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। ১৩২টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসূচি এবং উদ্যোগগুলো উপস্থাপন করা হবে।
তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, রাশিয়া, জাপানসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রায় অর্ধশত খ্যাতিমান বক্তা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, তথ্যপ্রযুক্তি-ব্যক্তিত্ব এবং উৎপাদক ও উদ্যোক্তাগণও এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করবেন। মেলায় প্রতিদিন সকাল ১০.০০টা থেকে রাত ৮.০০টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রবেশ করা যাবে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হবে ৩ স্তরের (ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল) নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দর্শনার্থীদের জন্য ডিজিটাল সেবা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গেমিং, সেলফি, কুইজ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাও থাকছে এবারের প্রদর্শনীতে। ফলে  অন্তত ৫ লাখ ক্রেতা-দর্শনার্থী এ প্রদর্শনী  উপভোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রদর্শনীকে দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে উন্মুক্ত করা হয়েছে িি.িরপঃবীঢ়ড়.পড়স.নফ-ওয়েব পোর্টালটি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও (িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/ইধহমষধফবংযওঈঞবীঢ়ড়) প্রদর্শনী নিয়ে থাকছে নানা আয়োজন। ব্যবহার করা হবে টুইটার ও ইউটিউবসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমও। ফলে, অনলাইনেও প্রদর্শনীর স্বাদ নেবেন অন্তত ১০ লাখ দর্শনার্থী।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম এনডিসি, বিসিএস এর সভাপতি জনাব আলী আশফাক, মহাসচিব ইঞ্জি. সুব্রত সরকার। এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিসিএর সদস্যবৃন্দ এবং স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সম্পর্কিত আরো খবর

এবার এক মাউসে তিন ডিভাইস

ডেস্ক প্রতিবেদন: এবার এক মাউস দিয়ে কাজ করবে তিনটি ডিভাইস। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা প্রযুক্তি যেনো ক্রমেই মানুষের খুব কাছে চলে যাচ্ছে। আমরা...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is