ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-18

, ৫ জিলকদ্দ ১৪৩৯

ঘুরে আসুন টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদার বাড়ি

প্রকাশিত: ০৩:২৪ , ১২ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৩:২৪ , ১২ অক্টোবর ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: টাঙ্গাইলের বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যমত মহেরা জমিদার বাড়ি। তিনটি স্থাপনা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে বাড়িটি। ভেতরের দিকে বিশাল খাঁচায় বিভিন্ন রকম পাখি পালন করা হয়। তিনটি স্থাপনার প্রতিটাতেই রয়েছে অসাধারণ সব কারুকার্য।
এছাড়া, অন্যান্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে মহারাজ লজ, আনন্দ লজ, চৌধুরী লজ, কালীচরণ লজ, প্রার্থনা মন্দির, নায়েব ভবন এবং কাছারি ভবন।
১ হাজার ১৭৪ শতাংশ জমির ওপর মহেরা জমিদার বাড়ি অবস্থিত। জমিদার বাড়ির সামনেই রয়েছে ‘বিশাখা সাগর’ নামে বিশাল এক দীঘি। বাড়িতে প্রবেশের জন্য রয়েছে ২টি সুরম্য ফটক। পিছনের দিকে রয়েছে পাসরা এবং রানী পুকুর। শোভাবর্ধনের জন্য রয়েছে ফুলের বাগান।
ইতিহাস
১৮৯০ দশকের আগে স্পেনের করডোভা নগরীর আদলে এই জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়।স্বোধীনতা যুদ্ধে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদার বাড়িতে হামলা করে এবং জমিদার বাড়ির কূলবধূ সহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে গুলি করে হত্যা করে। পরবর্তীতে জমিদাররা লৌহজং নদী পথে দেশ ত্যাগ করেন। আর, মহেরা জমিদার বাড়িতে স্থাপন করা হয় মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প। ১৯৭২ সালে জমিদার বাড়িটি পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে উন্নীত করা হয়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে মহেরা যেতে সময় লাগে ৩-৪ ঘণ্টা লাগবে। মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে “ঝটিকা সার্ভিস” নামে বাস সার্ভিস রয়েছে। এছাড়া অন্য সার্ভিসও রয়েছে। নামতে হবে “নাটিয়া পাড়া” বাস স্ট্যান্ডে। এরপর অটোরিক্সা অথবা রিক্সায় সরাসরি মহেরা জমিদার বাড়ি। গেটে টিকিট কেটে জমিদার বাড়িতে প্রবেশ করতে হবে। প্রতি টিকিটের মূল্য ২০টাকা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

একদিনের ট্যুর!

ডেস্ক প্রতিবেদন: কম খরচে কম সময়ে ঘুরতে যাওয়ার জন্যে চট্টগ্রেমের সীতাকুন্ড এবং মিরসরাইয়ের রেঞ্জ গুলো অনেক বেশী সুবিধাজনক। কেউ চাইলে দিনে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is