ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮, ৯ আষাঢ় ১৪২৫

2018-06-21

, ৭ শাউয়াল ১৪৩৯

রাষ্ট্রীয় নীতি উপেক্ষা

অবাধে চলছে কোচিং সেন্টার ও গাইড বই বাণিজ্য

প্রকাশিত: ১০:৪৮ , ১৩ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ১১:৫৬ , ১৩ অক্টোবর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের শিক্ষা খাতে কোচিং সেন্টার ও গাইড বই নিয়ে আলোচনা-বিতর্ক বিগত কয়েক যুগের। এর পক্ষে-বিপক্ষে আছে বহু মানুষ, বহু যুক্তি। তবে, সাধারণভাবে রাষ্ট্রীয় নীতি ও আইনকানুন কোচিং সেন্টার ও গাইড বইকে নিরুৎসাহিত করার পক্ষে। তারপরও এসব বাণিজ্য অবাধেই চলে আসছে। এক্ষেত্রে সরকার ও প্রশাসনের অসহায়ত্ব বেশ স্পষ্ট।

পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী তাথৈ। ঢাকার স্বনামখ্যাত স্কুল ভিকারুননিসা থেকে এ বছর প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দেবে। ছোট্ট শিশুদের এই পরীক্ষার জন্য মাসের পর মাস নিতে হচ্ছে কোচিংয়ের মতো বাড়তি চাপ, যা স্কুলেই হয়।

নানা স্কুলে এমন কোচিং চলে। আবার স্কুলের শিক্ষকরা নিজের বাসায় ছাত্রদের কোচিং করায়। এই দুই আয়োজনের বাইরে বাণিজ্যিকভাবে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশেই শহরগুলোতে  কোচিং সেন্টার নামে অগণিত বাণিজ্যিক কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এসব কোচিং সেন্টারের প্রচলন কবে থেকে শুরু হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে তার দিনক্ষণ কোথাও পাওয়া না গেলেও শিক্ষাবিদদের পর্যবেক্ষণেএর বয়স চার-দশকের বেশি।

কোনো পরিবারে ছাত্র বা ছাত্রী থাকলে তাকে স্কুলের বাইরে বাড়তি পড়ানোর জন্য আবাসিক শিক্ষক রাখা হতো। জায়গীর নামে এই প্রথা কালক্রমে পাল্টে ‘প্রাইভেট টিউশনি” বা অনাবাসিক শিক্ষকের প্রচলন ঘটে। তারপর শুরু হয় শিক্ষকদের ব্যাচে ছাত্র পড়ানোর চর্চা। এর ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার পর বিশেষ করে আশির দশকে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠে কোচিং সেন্টারের মতো লাভজনক উদ্যোগ।

একইসাথে পাঠ্যপুস্তকের বাইরে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য গাইড বইয়ের বিপুল প্রচলন ঘটে। যার উপর বিশাল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীর নির্ভরতা তৈরি হয়।

খোদ রাজধানীর বহু এলাকা আছে যেখানে কোচিং সেন্টারের ব্যানার সাইনবোর্ড ও বিজ্ঞাপনের ভিড়ে অন্যসব কিছু ঢেকে যায়। বহু বইয়ের দোকান আছে পাঠ্যপুস্তকের চেয়ে গাইড বইয়ে ঠাসা। 

এই বিভাগের আরো খবর

নিরাপত্তা সংস্থার জন্য নেই নীতিমালা, অপরাধে জড়ানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত তিন দশক ধরে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কাজ করলেও তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য কোনো নীতিমালা তৈরি হয়নি আজও।...

বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে মাত্র তিন দশকে ৭’শর বেশী বাণিজ্যিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সরকারি, বেসরকারি স্থাপনায় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ...

সফটওয়্যার খাতে রয়েছে দক্ষ জনশক্তি আর অবকাঠামো সুবিধার অভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে বিদেশে প্রতি বছরই সফটওয়্যারের বাজার সম্প্রসারণ হচ্ছে ত্রিশ থেকে চল্লি¬শ শতাংশ। ফলে প্রচুর সম্ভাবনা এ খাতে থাকলেও...

সফটওয়্যার রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটশ’ মিলিয়ন ডলারে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষ জনশক্তি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ২০০০ সালে সফটওয়্যার রপ্তানি আয় ছিল যেখানে দুই দশমিক আট মিলিয়ন ডলার, এ বছর তা...

সফটওয়্যার খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে পাঁচ লাখ মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের সফটওয়্যারের অভ্যন্তরীণ বাজার প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের আর বৈশ্বিক বাজার পাঁচ শত বিলিয়ন ডলারের। প্রযুক্তি খাতে গত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is