ঢাকা, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের পরিবেশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে নিউইয়র্কে গ্রেফতার আকায়েদের স্ত্রী ও শ্বশুর-শাশুড়ি ঢাকায় আটক গেইল নৈপুণ্যে বিপিএল'র শিরোপা রংপুরের জরুরি সেবা ‘৯৯৯’, উদ্বোধন করলেন জয় অস্তিত্ব রক্ষায় নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের ২০১৪ সালের নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি জনগণ মানবে না: ফখরুল ডেমরায় রানা হত্যার দায়ে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড কুমিল্লা চিড়িয়াখানায় সিংহ ‘যুবরাজ’ মারা গেছে নিম্ন আদালতের বিচারকদের যে কোনো সিদ্ধান্ত সুপ্রিমকোর্টের পরামর্শে “স্টার্ট আপ অ্যাওয়ার্ড ২০১৭” পেলেন ৫৭ জন ব্যবসায়ী নওগাঁয় ২ জেএমবি সদস্য ও সাভারে ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক লালমনিরহাটে দ্রব্য মূল্য কমানোর দাবিতে সিপিবি’র কর্মসূচি হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ মাগুরায় বিরল রোগে বুড়িয়ে যাওয়া শিশুটি মারা গেছে সিনেমার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো সৌদি আরব জেএসসি-জেডিসি’র ফল প্রকাশ ৩০ ডিসেম্বর বরিশালে আ. লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ তৃণমূলে তৎপর সম্ভাব্য প্রার্থীরা, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আশাবাদ নির্বাচনে অসাংবিধানিক পদক্ষেপ নিলে প্রতিহত করবে ১৪ দল

কোচিং সেন্টার ও গাইড বই নিষিদ্ধ আইনের বাস্তবায়ন নেই

প্রকাশিত: ১০:৫৯ , ১৩ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ১১:৫৭ , ১৩ অক্টোবর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোচিং সেন্টার আইন করে নিষিদ্ধ করা আছে কয়েক-দশক ধরে। কিন্তু এই আইনের কোন বাস্তবায়ন নেই। নির্বিঘ্নে যার যেমন ইচ্ছা পরিচালনা করছে  কোচিং সেন্টার এবং প্রকাশ করছে গাইড বই।

এমন সারি সারি সাইনবোর্ড, বিজ্ঞাপন রাজধানীর প্রায় সর্বত্রই খুঁজলে পাওয়া যায়, যেখানে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং দেয়া হয়। অথচ প্রাথমিক ও নিু মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং আইনত নিষিদ্ধ। এসব কোচিং সেন্টারে ক্যামেরা ঢুকতে চাইলে অনুমতি মেলে না, উদ্যোক্তাদের কেউ কথাও বলতে চান না। শুধু বাইরের এই ছবিগুলো বলে দেয়, এমন অবৈধ ব্যবসা বিনা বাধায় যুগের পর যুগ চলছে।

একই দুর্দশার চিত্র গাইড বইয়ের ক্ষেত্রেও। প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যে কোন ধরনের গাইড বইয়ের ছাপা, প্রকাশনা, বাজারজাতকরণ, বিক্রি এমনকি প্রদর্শন পর্যন্ত আইন করে নিষেধ করা আছে। কিন্তু রাজধানীর বহু পাঠ্যবইয়ের দোকানে অবাধেই বিক্রি হচ্ছে এ ধরনের গাইড বই দশকের পর দশক ধরে।

অবৈধ বাণিজ্যিক কোচিংয়ের বাইরে স্কুলগুলোতে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য যে কোচিং হয় সেখানে কোনো কোনো স্কুলে অভিভাবকদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জবরদস্তিমূলক আচরণেরও অভিযোগ পাওয়া যায়, যা প্রচলিত বিধান বহির্ভূত বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

স্কুলের শিক্ষকদের কেউ কেউ অস্বীকার করলেও বিক্রেতা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের কেউ কেউ তাদের পর্যবেক্ষণ থেকে জানালেন, অনেক শিক্ষকও এ ধরনের গাইড বইয়ের আশ্রয় নেন।

শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি নানা পর্যায়ে কথা বলে যে ধারণা পাওয়া যায় তা হলো প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্তরের এ ধরনের গাইড বই ও কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ করার কোনো উদ্যোগ যেমন নেই, তেমনি এটি একটি অসম্ভব কাজের পর্যায়ে চলে গেছে।

এই বিভাগের আরো খবর

দেশে বিস্কুটের বাজার পাঁচ হাজার কোটি টাকার, বাড়ছে ১৫ শতাংশ হারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাঁচ বা দশ পয়সা দিলেই ছোট ছোট গোটা পাঁচেক গোল বিস্কুট মিলতো দেশে মাত্র তিন দশক আগেও। রাস্তার ধারে চায়ের ছোট দোকানেও ২...

দেশে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ টন বিস্কুট উৎপাদন হচ্ছে, আগ্রহী হচ্ছেন উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন ও চাহিদা বৃদ্ধি গত এক-দেড় দশকে দেশে বিস্কুট ও বেকারি পণ্যের উৎপাদন শুধু বাড়ায়নি বৈচিত্রও...

বিদেশি বণিকদের আনা বিস্কুট এখন দেশের অন্যতম ক্ষুদ্রশিল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিস্কুট নামের খাদ্য পণ্যটির মধ্যে যেন যাদু আছে। একজন অবুঝ শিশু হয়তো চিৎকার করে কাঁদছে, কোন ভাবেই শান্ত করা যাচ্ছেনা তাকে;...

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

ক্যান্ডি ও চকলেট তৈরি করছে দেশে আটটি বড় কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের চকলেট শিল্পে মূলত ক্যান্ডি ও লজেন্স বেশি তৈরি হয়। চিনি, গ্লুকোজ ও গুড়া দুধ দিয়ে সেগুলো প্রস্তুত করা হয়। চকলেট তৈরি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is