ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৯ সফর ১৪৩৯
শিরোনামঃ
ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না, বিশ্ব স্বীকৃতিই তার প্রমাণ : প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ৩১ লাখ শিক্ষার্থী সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সংকট, উৎপাদন ব্যাহত মাগুরায় শিশুদের মধ্যে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন ইইউসহ তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় বাংলাদেশ ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে কক্সবাজারে মার্কিন প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গা শিশুদের ১৭ হাজার মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে  গাইবান্ধায় কচুর চাষে স্বাবলম্বী দুই হাজার কৃষক বান্দরবানের সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগি মাগুরায় শিশুদের মধ্যে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ  সহায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে হবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সবাইকে যোগ দেয়ার আহ্বান পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন, যাত্রীদের দুর্ভোগ রোহিঙ্গা: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাস  লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, চিকিৎসকসহ আটক ৪  চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হত্যা মামলায় ২জনের ফাঁসি কার্যকর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের তাগিদ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা লেখকদের নীতিমালা চূড়ান্ত হচ্ছে আগামী মাসেই প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপের তাগিদ বাজার বিশ্লেষকদের

কোচিং সেন্টার ও গাইড বই নিষিদ্ধ আইনের বাস্তবায়ন নেই

প্রকাশিত: ১০:৫৯ , ১৩ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ১১:৫৭ , ১৩ অক্টোবর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোচিং সেন্টার আইন করে নিষিদ্ধ করা আছে কয়েক-দশক ধরে। কিন্তু এই আইনের কোন বাস্তবায়ন নেই। নির্বিঘ্নে যার যেমন ইচ্ছা পরিচালনা করছে  কোচিং সেন্টার এবং প্রকাশ করছে গাইড বই।

এমন সারি সারি সাইনবোর্ড, বিজ্ঞাপন রাজধানীর প্রায় সর্বত্রই খুঁজলে পাওয়া যায়, যেখানে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং দেয়া হয়। অথচ প্রাথমিক ও নিু মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং আইনত নিষিদ্ধ। এসব কোচিং সেন্টারে ক্যামেরা ঢুকতে চাইলে অনুমতি মেলে না, উদ্যোক্তাদের কেউ কথাও বলতে চান না। শুধু বাইরের এই ছবিগুলো বলে দেয়, এমন অবৈধ ব্যবসা বিনা বাধায় যুগের পর যুগ চলছে।

একই দুর্দশার চিত্র গাইড বইয়ের ক্ষেত্রেও। প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যে কোন ধরনের গাইড বইয়ের ছাপা, প্রকাশনা, বাজারজাতকরণ, বিক্রি এমনকি প্রদর্শন পর্যন্ত আইন করে নিষেধ করা আছে। কিন্তু রাজধানীর বহু পাঠ্যবইয়ের দোকানে অবাধেই বিক্রি হচ্ছে এ ধরনের গাইড বই দশকের পর দশক ধরে।

অবৈধ বাণিজ্যিক কোচিংয়ের বাইরে স্কুলগুলোতে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য যে কোচিং হয় সেখানে কোনো কোনো স্কুলে অভিভাবকদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জবরদস্তিমূলক আচরণেরও অভিযোগ পাওয়া যায়, যা প্রচলিত বিধান বহির্ভূত বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

স্কুলের শিক্ষকদের কেউ কেউ অস্বীকার করলেও বিক্রেতা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের কেউ কেউ তাদের পর্যবেক্ষণ থেকে জানালেন, অনেক শিক্ষকও এ ধরনের গাইড বইয়ের আশ্রয় নেন।

শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি নানা পর্যায়ে কথা বলে যে ধারণা পাওয়া যায় তা হলো প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্তরের এ ধরনের গাইড বই ও কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ করার কোনো উদ্যোগ যেমন নেই, তেমনি এটি একটি অসম্ভব কাজের পর্যায়ে চলে গেছে।

এই সম্পর্কিত আরো খবর

নানা প্রতিবন্ধকতায় সব ইপিজেড কাঙ্খিত ভূমিকা রাখতে পারছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিসংখ্যান ইপিজেডের সাফল্যের গল্প বললেও এ ধরনের সব অঞ্চল সেই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ৮টি ইপিজেডের মধ্যে শিল্পের...

শ্রমিক অসন্তোষ মুক্ত ইপিজেড, শিল্প বিকাশে সম্ভাবনাময় এলাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রমিক অসন্তোষ দেশের শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে বড় চ্যলেঞ্জ। তবে ইপিজেডগুলো এই সংকট থেকে মুক্ত বললেই চলে। দিন দিন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is