ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮, ৩ মাঘ ১৪২৪, ২৮ রবিউস সানি ১৪৩৯
শিরোনামঃ
৩০ দফা ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্টে একমত হয়েছে বাংলাদেশ -মিয়ানমার চট্টগ্রামে প্রণব মুখার্জি বাল্যবিয়ে আজও দেশের বড় সামাজিক সমস্যা বিএনপির মনোনয়ন পেলেন তাবিথ আউয়াল শাহজালালে যাত্রীর অন্তর্বাস থেকে ৪৩টি স্বর্ণের বার আটক শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু বিগ বস ১১’ জয়ী শিল্পা শিন্ডে জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা নিয়ে আজো চলছে গবেষণা আলিয়া-রণবীরকে দেখা যাবে জোয়ারের ছবিতে নিরাপত্তার জন্য সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ কম সাধারণ মানুষের ৫ দিনের সফরে ঢাকায় প্রণব মুখার্জী, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত আজ বাংলাদেশ-মিয়ানমার জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু ৪ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান উড্ডয়ন-অবতরণ শুরু প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের

বিশ্ব পানি দিবস আজ

প্রকাশিত: ০৮:৫৫ , ২৮ মার্চ ২০১৭ আপডেট: ০৮:৫৫ , ২৮ মার্চ ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বজুড়ে বিশুদ্ধ পানির জন্য সংকটের বাস্তবতাকে সঙ্গী করেই পালিত হচ্ছে বিশ্ব পানি দিবস। সারাবিশ্বে ৬০ কোটিরও বেশী এবং বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ সুপেয় পানির সংকটে ভুগছেন। 

ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী সুপেয় পানির সুযোগবঞ্চিত জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে সপ্তম। ঢাকায় পানির চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে রাজধানীবাসীর অনেককেই নিয়মিত পান করতে হচ্ছে দূষিত পানি।

 বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুয়ারেজ সিস্টেম শোধন এবং রাজধানীর নালা-খাল উদ্ধার ও তা বর্জ্যমুক্ত করা না গেলে ঝুঁকিমুক্ত পানি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। 

বিশ্বে দিনদিন বিশুদ্ধ পানির অভাব প্রকট রূপ নিচ্ছে। জাতিসংঘের দু’টি সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ি বিশ্বের প্রায় ৬৬ কোটিরও বেশি মানুষ সুপেয় পানির সংকটে ভুগছেন। আর বাংলাদেশে এই সংখ্যা দুই কোটিরও বেশি।

বিশুদ্ধ পানির জন্য এদেশে সবচেয়ে বেশী ঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। প্রতিদিন ঢাকা শহরে পানির চাহিদা ২২০ থেকে ২৩০ কোটি লিটার। যার প্রায় পুরোটাই সরবরাহ করছে ওয়াসা। কিন্তু সেই পানির মান ও বিশুদ্ধতা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন।
 কোথাও কোথাও ফুটিয়েও খাওয়ার উপযোগী হচ্ছে না ওয়াসার পানি। বছরের পর বছর এমন দুষিত পানি দিয়েই চাহিদা পূরণ করছেন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

পানির চাহিদা মেটাতে গিয়ে ভূগর্ভস্থ উৎস ছাড়া নদীর উপরও নির্ভর করতে হচ্ছে ওয়াসাকে। রাজধানীর আশপাশের নদী থেকে পানি সংগ্রহ করে শোধন করার পর পৌঁছে দেয়া হয় নগরবাসীর কাছে। কিন্তু এসব নদীর পানি এতোটাই দূষিত যে শোধন করেও বিশুদ্ধ করা যাচ্ছে না।

ওয়াটার ট্রিটমেন্ট করার পরও ঝুঁকিমুক্ত নয় এসব পানি। তাই মূল সুয়ারেজ সিস্টেম শোধন করা না গেলে ঝুঁকিমুক্ত কিংবা বিশুদ্ধ পানি পাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তারা। 
বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবেলায় শহরের নালা-খাল উদ্ধার ও তা বর্জ্যমুক্ত রাখা জরুরী বলেই জানালেন বিশেষজ্ঞরা। তাগিদ দিলেন নগরবাসীর সচেতনতা ও সরকারের সদিচ্ছার। 

এই বিভাগের আরো খবর

নিরাপত্তার জন্য সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ কম সাধারণ মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক : দূর থেকে দেখে অভিভূত হওয়া ছাড়া জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরে গিয়ে দেখবার সুযোগ সাধারণের জন্য নেই বললেই চলে। অধিবেশন চলার সময়...

সংসদ ভবন নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে স্থপতি মাযহারুল ইসলামের নামও

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা শুরু হয় দেশ স্বাধীনের আগে। পঞ্চাশের দশকের শেষে আইয়ূব খানের সামরিক সরকার এই...

ইতিহাস জানা নেই অনেকের

জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশার বিচ্যুতি সংশোধনের চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশ পরিচালনায় জাতীয় সংসদের গুরুত্ব সম্পর্কে নাগরিকদের কম বেশি ধারণা আছে। তবে সংসদের পেছনের ইতিহাস, বর্তমান ভবনের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is