ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১ পৌষ ১৪২৪, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
মহিউদ্দিন চৌধুরীকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা, জানাজা সম্পন্ন মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে চট্টগ্রামে শোকের ছায়া মানুষের অন্তরে মহিউদ্দিন চৌধুরী জননেতা হিসেবেই বেঁচে থাকবেন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা মহিউদ্দিন চৌধুরী মহান বিজয় দিবস উদযাপনে দেশজুড়ে নানা আয়োজন  সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বারবার হোচট খেয়েছে বাংলাদেশ নাটোরে চালু হয়নি কৃষকদের ৫টি শস্য মার্কেট কুমিল্লায় বাস চাপায় নিহত দুই রংপুর সিটি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ মুহূর্তে জমজমাট রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ টি-টেন ক্রিকেট লিগে কেরেলা কিংসের জয় হাসপাতালে জনবল-শয্যার অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত ঝিনাদহের নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুরা পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে সৌদি বাদশাহর স্বীকৃতি নির্বাচনের আগে সংস্কারের জন্য ৩১ প্রস্তাবনা চূড়ান্ত  নেপালে নির্বাচনে বামপন্থী জোটের জয় চট্টগ্রামে রেডকিন সমাধিতে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর শ্রদ্ধা ত্রিদেশীয় ও বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা রংপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে টাঙ্গাইলে ৩০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট  থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেখে আসুন স্বর্গীয় সৌন্দর্যে ভরা সুনামগঞ্জের ‘নীলাদ্রি লেক’

প্রকাশিত: ১১:৪২ , ০৮ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ১১:৪২ , ০৮ নভেম্বর ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: নীল রঙে রূপায়িত ''নীলাদ্রি''। এ যেন নীলের রাজ্যে হারিয়ে যাওয়া । হ্যা নীলাদ্রির কথা বলছি, ভাবছেন এটা আবার কি? এই স্বর্গীয় সৌন্দর্যে ভরা জায়গাটা কাশ্মীর নয় আমাদের দেশেই ! কি অবাক হচ্ছেন ?

ছবি দেখে কাশ্মীর ভেবে ভুল করবেন না,একে নীলাদ্রি নামেই চেনে সবাই। এর অবস্থান টেকেরঘাট, সুনামগঞ্জে। এর অপরূপ সৌন্দর্যে ডুব দিতে নিশ্চিন্ত মনে ঘুরে আসুন সুনামগঞ্জ থেকে।

অনেকেই সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর দেখতে যান। কিন্তুু এর আশেপাশেই অনেক সুন্দর সুন্দর নয়নাভিরাম জায়গা আছে যা যে কোনো পর্যটকের মনকে মুহূর্তেই দোলা দিয়ে যেতে পারে !

এমনই একটি জায়গা টেকেরঘাট চুনাপাথরের পরিত্যক্ত খনির লাইমস্টোন লেক। স্থানীয় লোকজন একে নীলাদ্রি লেক বলেই জানে ।এর নামটা যেমন সুন্দর এর রূপটাও তেমনি মোহনীয় । নিজ চোখে না দেখলে হয় বিশ্বাসই করতে পারবেন না পানির রঙ এতটা নীল আর প্রকৃতির এক মায়াবী রুপ। মাঝের টিলা গুলা আর ওপাড়ের পাহাড়ের নিচের অংশটুকু বাংলাদেশ এর শেষ সীমানা। বড় উচু পাহাড়টিতেই সীমানা কাটা তারের বেড়া দেওয়া আছে। এই লেকটি এক সময় চুনা পাথরের কারখানার কাচামাল চুনা পাথরের সাপ্লাই ভান্ডার ছিল যা এখন বিলীন।

কিভাবে নীলাদ্রি দর্শনে যাবেন ?
রুট-১: ঢাকা থেকে শ্যামলী/মামুন/এনা এবং আরও কিছু বাস যায় সুনামগঞ্জে, যে কোনো একটাতে উঠে পড়ুন,  ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ৫৫০ টাকা । সুনামগঞ্জ থেকে নতুন ব্রীজ পার হয়ে মোটর সাইকেল নিয়ে যেতে হবে। চাইলে টেকেরঘাট পর্যন্ত সরাসরি মোটর সাইকেল রিজার্ভ নিতে পারেন। এক্ষেত্রে ভাড়া ৩০০-৫০০ টাকা নিতে পারে আর মাঝপথে যাদুকাটা নদী পার হতে জনপ্রতি ভাড়া ৫ টাকা আর মোটর সাইকেল এর ভাড়া ২০ টাকা করে পড়বে ।

এছাড়া আপনি সুনামগঞ্জ থেকে লাউড়ের গড় পযন্ত মোটর সাইকেলে করে যেতে পারেন ভাড়া ২০০ টাকা । তারপর যাদুকাটা নদী পাড় হয়ে বারিক্কা টিলা থেকে ১২০ টাকা ভাড়ায় টেকেরঘাট যেতে পারবেন। এখানে উল্লেখিত মোটর সাইকেল এর ভাড়া যেটা উল্লেখ আছে, তা দিয়ে বাইকের দুইজন যাত্রীই যেতে পারবেন। তবে মোটর সাইকেলের ভাড়া নিয়ে আগেই দামাদামি করে নিলে ঠকবেন না। এরা দাম কিছুটা বাড়িয়ে বলে অপরিচিত মুখ দেখলে।

রুট-২ : ঢাকা থেকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ ইন্টারসিটি ট্রেন নাম হাওর এক্সপ্রেস। ঢাকা থেকে ছাড়ার সময় রাত ১১:০০, ভাড়া ২০০ টাকার মধ্যে, সকালে মোহনগঞ্জ পৌছায়। সেখান থেকে ১ ঘন্টার রাস্তা মধ্যনগর, পিচ ঢালা রাস্তা। সেখান থেকে বর্ষাকালে নৌকা, ট্রলার বা স্পিডবোট দিয়ে খুব সহজে যাওয়া যায় গন্তব্যে। আর নেত্রকোনা থেকেও সরাসরি নৌকা/ট্রলার যোগে যাওয়া যায়। শীতকালে মোটরসাইকেল যোগে খুব সহজে নেত্রকোনা থেকে যাওয়া যায়।

সবথেকে কম খরচে, আরামে, কম সময়ে খুব সহজে পৌঁছানো যায়। কেউ যদি নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যেতে চায় মধ্যনগর (পিপরা কান্দা ঘাট) পর্যন্ত নিজের গাড়ি নিয়ে যেতে পারেন। মাইক্রোবাস বা কার বা জীপ যে কোনো গাড়ি দিয়ে। রাস্তা খুব সুন্দর।
সর্টকাট রাস্তা ঢাকা থেকে নেত্রকোনা হয়ে বারহাট্টা বা মোহনগঞ্জ দিয়ে টেকেরঘাট।

ভাবছেন থাকবেন কোথায় ?
বেশকিছু রেস্ট হাউজ এবং গেস্ট হাউজ আছে  বড়ছড়া বাজারে । সেখানে আপনি ২০০-৪০০ টাকায় এক রাত থাকতে পারবেন। বারিক্কা টিলা পাড় হয়েই বড়ছড়া বাজারটা চোখে পড়বে । চাইলে টেকেরঘাট থেকে হেঁটেও আসতে পারবেন বড়ছড়া বাজারে, মেঠো পথ ধরে হাঁটতে ভালোই লাগবে । এছাড়াও লেকের পাশে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি চুনা পাথরের কারখানা আছে। কারখানাটির গেস্ট হাউজে থাকতে পারবেন যদি খালি থাকে।

খাবার-দাবার :
বারিক্কা টিলাতে খাবারের হোটেল আছে, এছাড়াও বড়ছড়া বাজারে খেতে পারেন অথবা লেকের পাশেই টেকেরঘাট একটা ছোট বাজার আছে, একটা মাত্র হোটেল আছে খাবারের। অবশ্যই আগে দাম জেনে খাবেন।

কিছু পরামর্শ :
এখান থেকে খুব বেশি পরিমাণে চুনা পাথর উঠানো হতো, যার ফলে লেকটি বেশ গভীর। লেকের পানিতে সাঁতার না জানলে না নামাই ভালো। নামলেও বেশি দূরে যাবেন না। যেহেতু সীমান্ত এলাকা তাই সাবধানে থাকুন। সীমানার খুব কাছাকাছি না যাওয়াই ভালো ।

এই বিভাগের আরো খবর

রোহিঙ্গা সংকটে নেপিদোর পাশে থাকবে বেইজিং

মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের সাথে চীনের প্রেসিডেন্টের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গঠনমূলক অবদান রাখার আশ্বাস দিয়েছে চীন। শুক্রবার সফররত...

বিদেশী পর্যটক খুব কম

পর্যটন শিল্পের বিকাশে প্রয়োজন সুপরিকল্পিত উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পর্যটন কেন্দ্র ও পর্যটকের সংখ্যা সিলেট অঞ্চলে বাড়লেও বিদেশী পর্যটক খুব কম। তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, সকল সীমাবদ্ধতা দূর...

সিলেটের পর্যটন নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে

প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তেমনটা বাড়েনি

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সিলেট অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো।  এই অঞ্চলের অধীবাসীদের অনেকে প্রবাসী, ফলে আর্থিক...

ব্যক্তিগত প্রচারণায় বাড়ছে পর্যটন

অনুসন্ধিৎসু পর্যটকরাই খুঁজে বের করছে নতুন দর্শনীয় স্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাত্র কয়েক দশক আগেও যেকানে সিলেট অঞ্চলের অল্প কয়েকটি এলাকা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল সেখানে এখন একশ এগারোটি...

পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে সিলেট অঞ্চলে

এক দশকে পর্যটন কেন্দ্রের সংখ্যা একশ ছাড়িয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : পর্যটনের জন্য বৃহত্তর সিলেটের বিশেষ সমাদর বহু কালের হলেও বিগত এক দশকে এর বি¯তৃতি নজরকাড়া। চা-বাগান ও হযরত শাহজালালের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is