ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১ পৌষ ১৪২৪, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
মহিউদ্দিন চৌধুরীকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা, জানাজা সম্পন্ন মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে চট্টগ্রামে শোকের ছায়া মানুষের অন্তরে মহিউদ্দিন চৌধুরী জননেতা হিসেবেই বেঁচে থাকবেন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা মহিউদ্দিন চৌধুরী মহান বিজয় দিবস উদযাপনে দেশজুড়ে নানা আয়োজন  সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বারবার হোচট খেয়েছে বাংলাদেশ নাটোরে চালু হয়নি কৃষকদের ৫টি শস্য মার্কেট কুমিল্লায় বাস চাপায় নিহত দুই রংপুর সিটি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ মুহূর্তে জমজমাট রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ টি-টেন ক্রিকেট লিগে কেরেলা কিংসের জয় হাসপাতালে জনবল-শয্যার অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত ঝিনাদহের নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুরা পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে সৌদি বাদশাহর স্বীকৃতি নির্বাচনের আগে সংস্কারের জন্য ৩১ প্রস্তাবনা চূড়ান্ত  নেপালে নির্বাচনে বামপন্থী জোটের জয় চট্টগ্রামে রেডকিন সমাধিতে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর শ্রদ্ধা ত্রিদেশীয় ও বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা রংপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে টাঙ্গাইলে ৩০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট  থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লাইবেরিয়া: কাছে থেকে দেখা

প্রকাশিত: ০১:০৯ , ১০ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০১:৩৪ , ১০ নভেম্বর ২০১৭

।। ডা. হারুন রশীদ ।।

ভূমিকা

এটি কোনো সাহিত্য রচনা নয়। কোনো নৃতাত্বিক গবেষণা গ্রন্থও নয়। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিতব্য এই লেখাটিতে পশ্চিম আফ্রিকার লাইবেরিয়া ও লাইবেরিয়ার জনগোষ্ঠীর জীবনাচার সম্পর্কে লেখকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। আফ্রিকা ও আফ্রিকার মানুষ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী পাঠকের কৌতূহুল মেটাতে বইটি সহায্য করবে।

এ ছাড়া যারা পশ্চিম আফ্রিকায় ব্যবসা পরিকল্পনা করতে চান, চাকরি করতে যাবেন বা জাতিসংঘ শাক্তিরক্ষী মিশনে যোগ দিতে যাবেন, প্রাথমিক ধারণা পেতে বইটি তাদেরকেও সাহায্য করবে।

লাইবেরিয়া প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর ও অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি দেশ। দেশের মানুষ সাধারণভাবে বন্ধুবৎসল, আমুদে, বুদ্ধিমান, সুবক্তা, শান্তিপ্রিয় ও ধর্মভীরু। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের ইতিবাচক ভূমিকা, স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সহজ ও আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি এবং ব্র্যাকের ব্যাপক কার্যক্রমের কল্যাণে লাইবেরিয়ানদের কাছে ‘বাংলাদেশ’ একটি সুপরিচিত নাম।

দেশটির জলবায়ু, সমুদ্র, নদী, পাহাড়, জলা, তৃণভূমি সর্বত্র সবুজের সমারোহ যেন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য জেলাগুলোর প্রতিচ্ছবি। প্রাকৃতিক মিল থাকলেও জনজীবনের হালচাল, মূল্যবোধ, আচার-আচরনে আমাদের থেকে অমিলই বেশী।

জনজীবনের বিচিত্রতা এবং চমকপ্রদ দিকগুলো পাঠকদের সংগে ভাগ করার আগ্রহ লেখককে এটি রচনায় অনুপ্রানিত করেছে। পাঠকদের ভালো লাগলে বা কোনভাবে কাজে লাগলে প্রচেষ্টাটি সার্থক হবে মনে করি।

লাইবেরিয়া ও লাইবেরিয়ার জনজীবন

২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাইবেরিয়া যাই ব্র্যাকের স্বাস্থ্য প্রোগ্রামে যোগ দিতে। লাইবেরিয়া সম্পর্কে আগে থেকে তেমন কিছু জানতাম না। জানতাম যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশ সেখানে জাতিসংঘ মিশনে দায়িত্ব পালন করে। আফ্রিকা মহাদেশকে জানা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করার আগ্রহ আমাকে লাইবেরিয়া নিয়ে যায়।

লাইবেরিয়া দেশটি বাংলাদেশের চেয়েও ছোট। ২/৩ টা মাঝারি আকারের জেলা বাংলাদেশ থেকে বাদ দিলে লাইবেরিয়ার সমান হবে। লোসংখ্যা ৩৫ লক্ষ সরকারি হিসেবে। বাস্তবে ৪৫ লক্ষ হতে পারে। পশ্চিম আফ্রিকার দক্ষিণ তলায় আটলান্টিক মহাসাগরের তীর ঘেঁষে শুয়ে আছে লাইবেরিয়া। ১৫টি কাউন্টি নিয়ে লাইবেরিয়া গঠিত। কাউন্টি হলো বাংলাদেশের জেলার অনুরূপ। মনরোভিয়া রাজধানী। মনরোভিয়ার জনসংখ্যা ১০-১২ লক্ষ মনে করা হয়। উত্তর পশ্চিমে সিয়েরা লিওন, পূর্বে গিনি এবং পূর্ব-দক্ষিণে আইভরি কোস্ট লাইবেরিয়াকে ঘিরে আছে। পশ্চিম এবং দক্ষিণ পশ্চিমে শুধুই মহাসাগর আটলান্টিক।

এসেই যেটা শুনেছি, লাইবেরিয়া হলো একটা ক্ষুদ্র ইউএসএ। এখানকার রষ্ট্রীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে আমেরিকার জনজীবনের প্রতিচ্ছায়া দেখা যায়। দিন যত গেছে, কথাটায় সত্যি আছে বলেই মনে হয়েছে।

আফ্রিকার আদিবাসী জনগোষ্ঠির জীবনাচরণ এবং আমেরিকা-ফেরৎ মুক্ত দাসদের আমদানিকৃত ধ্যানধারণা ও জীবনাচরণ মিলে-মিশে লাইবেরিয়ার নিজস্ব একটা কালচার দাঁড়িয়ে গেছে।

আমেরিকান সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ এবং দীর্ঘ সর্বগ্রাসী যুদ্ধ লাইবেরিয়ার সামাজিক শৃংখলা ভঙে দিয়েছে। অবিবাহিত মা ঘরে ঘরে। বয়স ১৫/১৬ না হতেই ১/২ বাচ্চার মা। স্কুলগামী বয়সেই প্রায় প্রতিটি ছেলে-মেয়ের মেয়ে বা ছেলে বন্ধু জুটে যাবে। ছেলেবন্ধু বা মেয়বন্ধুর ঘোষণা দেবে সগর্বেই। এই ঘোষণা দেয়াটা অনেকটা বিবাহিত জীবন শুরু করার মতোই। ঘোষণা দিয়েই একত্রে থাকতে শুরু করবে অথবা অবাধ যৌ্নজীবন শুরু করবে। যতদিন ভাল লাগবে, এসঙ্গে থাকবে। দুজনের আয় ভাগাভাগি করে খরচ চালাবে। একসময় ছাড়াছাড়ি হবে। ছেলেবন্ধু হয়তো নতুন মেয়েবন্ধু পেয়ে বা যোগাড় করে ভেগে যাবে, অথবা মেয়েটি ছেলেবন্ধু পেয়ে চলে যাবে।

এর করুণ দিকটি হলো-- বাচ্চার দায়িত্ব পুরোপুরি কেউ নেবে না। পিতা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একেবারেই দায়িত্ব নেয় না। মা প্রাকৃতিক কারণেই হয়তো সন্তান ছুঁড়ে ফেলে দেয় না, কিন্তু অবহেলা, অনাদর, নিরাপত্তাহীন পরিবেশে সেই সন্তান বড় হতে থাকে অসুস্থ শারীরি-মানসিক অবস্থা নিয়ে।

এমন বহু মেয়ে আছে, যার সন্তানরা ভিন্ন ভিন্ন পিতার। ফলে মাকে কেন্দ্র করে বড় হতে থাকা ছেলে-মেয়েরা বুঝজ্ঞান হলেই একে অপরের প্রতি হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। একই পিতার সন্তান হলে বলে আমার জৈবিক ভাই বা বোন ( Biological Brother/Sister ), না হলে বলবে ভাই বা বোন, কিন্তু ৈবিক নয় (not biological )। ছাড়া ছাড়া সম্পর্কের। গরিব, মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত সমাজের সকল অংশেই এ চিত্রটি পরিষ্কার এবং প্রকট এরকম একটি পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কারণে পরিবার অনেকটাই মাতৃকেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে।

একমাত্র শিক্ষিত, ধারাবাহিক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে এখনো বিবাহ পরবর্তী যৌনজীবন, পরিবারভিত্তিক সমাজজীবন ব্যতিক্রমী ধারায় টিকে আছে। প্রতিটি বয়স্ক নাগরিক এই অবক্ষয়কে কঠিনভবে অনুভব করে এবং হতাশা প্রকাশ করে। শৃংখলা ফিরে আসার আর কোনো  আশা নেই বলেই-মনে করে তারা।

এ অবস্থার নেতিবাচক প্রভাব লাইবেরিয়ার জনজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পড়ছে।

বিয়ের আগে বাচ্চা

পশ্চিম দুনিয়ায় বিয়ের আগে দম্পতির বাচ্চা থাকতে পারে বলে জানতাম পত্রপত্রিকার সুবাদে। এখানে এসে দেখি হাজার হাজার। বিয়েটা কালেভদ্রে। বিয়ে কর না কেন? উত্তর হলো-- এত খরচ কোথায় পাবো। আসলেই বিয়েতে এদের প্রচুর খরচ। হল ভাড়া করে, চার্চের নিয়কানুন মেনে, বহু মানুষ দাওয়াত দিয়ে ধুমধাম করে কয়েক পর্বে বিয়ে করে এরা। এভাবে না পারলে নিজেকে ব্যর্থ ও অক্ষম মনে করে। ফলে ২/৪ বাচ্চার বাবা-মা হয়ে পয়সা যোগাতে পারলে পরে বিয়ে করে। বড় ছেলে বা মেয়ে হয়তো তখন বাবা-মায়ের মাথা সমান লম্বা হয়ে গেছে। কিন্তু তাতে কী! দেখা যায়, বাবা-মার বিয়েতে তারাও সপ্রতিভ ব্যস্ততায় ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে। একটি লাইবেরিয়ান মেয়ে এরকম আনুষ্ঠানিক বিয়ে করতে পারলে কী যে খুশি হয়! মনে হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ বিজয় হাতে পেয়েছে। সাদামাটাভাবে বিয়ে সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য বলে তরুণ-তরুণীরা ‘বিবাহ-বহি্ভূত সম্পর্কের ফাঁদে’ আটকে আছে। প্রসঙ্গক্রমে সামাজিক খরচের আর একটি বোঝা সম্পর্কে বলে রাখি। মৃতের সৎকার একটি বিশাল ব্যয়সাধ্য বিষয়। আত্মীয়-স্বজন সবাই মিলে এই ব্যয় বহন করে। টাকা যোগাড় না হওয়া পর্যন্ত মরচুয়ারীর ‘ঠান্ডা ঘরে’ রেখে দেবে, ততদিন ভাড়া গুনতে হবে।

শিশু শাসন

রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে কয়েকদিনই চোখে পড়েছে নিষ্ঠুর হাতে ৮/৯ বছর বয়সী সন্তানের হাতে মায়ের বেত পড়ছে। সন্তান হাত পেতে বেত খাবে, মা প্রচণ্ড শক্তিতে বেত মারবে। বাতাস কেটে বেতের সপাং আওয়াজ আর হাতের তালুতে চট্টাস শব্দ -শুনলে আর দেখলে অসহ্য মনে হবে। বেত খেয়ে লাফ দিয়ে এক হাত উঁচুতে উঠে যাবে, কাতরাবে, প্রচণ্ড আহাজারি করেও ফের ফেরত আসবে মায়ের কাছে হাত পেতে পরেরটা নিতে। কতক্ষণ চলবে সেটা মার ইচ্ছার উপর। একদিন দেখলাম, এক বাচ্চা চলেই যাচ্ছে অজানার দিকে দৌঁড়ে দৌঁড়ে। বাচ্চাকে শাস্তি দিতে এই হলো প্রচলন। ৭ বছর বয়স থেকেই শিশুদের স্বাবলম্বী হবার ট্রেনিং শুরু হয়। নিজেদের কাপড় নিজে পরিষ্কার করা, পানি টেনে আনা, ঘরদোর ধোয়া-মোছাসহ ছোটখাট কাজ শিশুদের করতে হয়।

বউ পেটানো

রাস্তার উপর বউ পেটানোর নারকীয় দৃশ্য দেখে একদিন থমকে দাঁড়ালাম। পুরুষটি প্রচণ্ড বিক্রমে মেয়েটিকে রাস্তার উপর ফেলে কাপড় কাচা স্টাইলে উপর-নিচ করছে। আরেকটু হলে পাকা রাস্তায় মাথা ঠুকে মেরেই ফেলছিলো প্রায়। অনেক নারী-পুরুষ জমা হয়ে গেছে-- সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দৃশ্য দেখছে, কেউ এগুচ্ছে না ঠেকাতে। আমি কাতর হয়ে শক্তিশালী একটা ছেলেকে বললাম, ‘ফেরাও না, মরে যাবে তো!' উত্তর দিলো, 'ওর বৌকে ও পেটাচ্ছে, আমাদের কিছু করার নেই।' খুব ঠান্ডা গলায় নিশ্চিন্ত উত্তর।

মহিলারা একটু বয়সী হলেই পুরোপুরি অসহায় হয়ে যায়। শারিরিক আবেদন হারাতেই জীবন ফসকে যায় হাত থেকে। স্বামী নেই, সন্তান নেই, ভাই নেই, বোন নেই....! কেউ নাই তার পাশে।

হয়তো সামান্য কিছু মালামাল নিয়ে রাস্তার পাশে বসে বা ফেরি করে বা কারো কিছু করে দেয়। সঞ্চিত যা কিছু শেষ হলে, অসুস্থ হলে, মরে যায়। লাইবেরিয়ার বর্তমান গড় আয়ু সরকারি স্বাস্থ্য তথ্য অনুযায়ী ৫৫ বছর (২০১১), প্রকৃতপক্ষে আরো কম হবে মনে হয়েছে । প্রায় সবাই জা্‌ সে দীর্ঘজীবি হবে না। তাই হয়তো যতদিন বাঁচে, হল্লাচিল্লা করে, নেচে-গেয়ে, হাসি-আনন্দ করে জীবন উপভোগ করে।

আর শিশুরা যত্নহীন, কর্কশ কঠোর শাসন, অপ্রতুল পুুষ্টিহীন খাদ্য, অপরিচ্ছন্ন বাসস্থান ইত্যাদির মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। প্রচুর স্কুল, কলেজ, চার্চ থাকা সত্বেও শিক্ষার হার কম (৪৪%) এবং স্কুল থেকে ঝরে পড়ার হার অত্যন্ত বেশি।

পুরুষদের গায়ের জোর কমে যাওয়ার সাথে সাথে উদ্দাম জীবনের ব্যারোমিটার নামতে থাকে। এর পর উপার্জনহীন, পারিবারিক /সামাজিক সহায়তাহীন জীবন দ্রুত ক্ষয়ে যেতে থাকে। পঞ্চাশ ছুঁতে না ছুঁতেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন। লাইবেরিয়ায় চারপাশে অপরিণত মৃত্যুর মিছিল যে-কাউকে ব্যথিত করবে। (চলবে)

এই বিভাগের আরো খবর

লাইবেরিয়া: কাছে থেকে দেখা

।। ডা. হারুন অর রশীদ।। (পূর্ব প্রকাশিতের পর) জুতা প্রীতি লাইবেরিয়ানদের জামা-কাপড় বিশেষ করে জুতা প্রীতি লক্ষণীয় বিষয়। মহিলা বা পুরুষ...

গিরিশচন্দ্র শুধু অনুবাদই নয়, সমাজ পরিবর্তনেও ভূমিকা রাখেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভাই গিরিশচন্দ্র সেন শুধু পবিত্র  কোরআন এবং হাদিসের অনুবাদই করেননি, তিনি সমাজ পরিবর্তনেও  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন...

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিল্পীদের নৃত্যকলায় মুগ্ধ সিঙ্গাপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হলো নৃগোষ্ঠীর...

ঢাকা লিট ফেস্ট

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের তাগিদ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা লেখকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের তাগিদ দিলেন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের বুদ্ধিজীবীরাও। সকালে, ঢাকা লিট ফেস্টের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is