ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ৫ পৌষ ১৪২৫

2018-12-19

, ১০ রবিউস সানি ১৪৪০

পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে সিলেট অঞ্চলে

এক দশকে পর্যটন কেন্দ্রের সংখ্যা একশ ছাড়িয়েছে

প্রকাশিত: ০৯:৩৯ , ১০ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ১০:০২ , ১০ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : পর্যটনের জন্য বৃহত্তর সিলেটের বিশেষ সমাদর বহু কালের হলেও বিগত এক দশকে এর বি¯তৃতি নজরকাড়া। চা-বাগান ও হযরত শাহজালালের মাজার বহু পুরোনো  পর্যটন কেন্দ্র। আশির দশকে সহজলভ্য হয় জাফলং। এই অঞ্চলের গানের টানও জোড় পায় যেন গত দেড় দশকে। দেশজুড়ে অনুসন্ধিৎসু  ভ্রমণ পিপাসুদের নতুন নতুন সন্ধানের গল্পে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সমৃদ্ধ সিলেটের পর্যটন দ্রুত অগ্রসরমান।

সিলেট শহরে ঢুকতে সুরমা নদীর ওপর এই লোহার সেতুর দেখা মেলে, যার বয়স ৮১ বছর। স্মরণ করায় বৃটিশ শাসন আমলের কথা। ঘড়ির এমন শব্দ নতুন প্রজন্মের কাছে অপরিচিত। লোহার সেতুর পাশেই দৃশ্যমান এই ঘড়িটাও ঐতিহাসিক নিদর্শন। কোলাহল বাড়লেও এর শব্দ আজও ছাপিয়ে যায় সবকে।

সিলেটে ঘুড়তে আসা পর্যটকদের বহু পুরোনো দর্শনীয় স্থান হযরত শাহজালাল এবং শাহ পরানের মাজার। এই দুই স্থানকে ঘিরে বহু পর্যটক আজও তৈরি করেন তাদের ভ্রমন পরিকল্পনা।

এছাড়াও ৩শ ৬০ আউলিয়ার মাজার, সমতল ও পাহাড়ের সবুজ প্রকৃতি, ঝর্ণাধারা, বনাঞ্চল, বিরলবণ্য প্রাণী, হাওর-বাওড়, চা বাগান, অনেক ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বসতিতে সমৃদ্ধ সিলেট অঞ্চল। মাত্র দেড়-দুই দশক আগেও এখানে মাত্র কয়েকটি আকর্ষনীয় স্থান পরিচিত ছিল দেশীয় পর্যটকের, এখন অনেক। বাড়ছে পর্যটকের ভীড় বছর জুড়ে।

পর্যটন খাতের বিশেজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ, ২০১০ সালের পর থেকে দেশে নতুন প্রজন্মের মধ্যে পর্যটনের সংস্কৃতি গড়ে উঠছে। দেশে এখন বছরে প্রায় আশি লাখ মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে সিলেটসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকা।

মৌলভীবাজারের চা বাগানের জন্য সিলেট দুটি পাতা একটি কুড়ি’র অঞ্চল। কেউ বলেন প্রকৃতিকন্যা। তার সাথে যুক্ত হয়েছে বাউল সম্রাট খ্যাত শাহ আব্দুল করিম, হাসন রাজার মতো দাশির্নিক সঙ্গীত সাধকদের সুর। আর অনেক ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর বৈচিত্র্য পূর্ণ সংস্কৃতির টান।

প্রকৃতির রুপ বৈচিত্রে সমৃদ্ধ সিলেটে নিয়মিতই নতুন নতুন পর্যটন কেন্দ্র খুঁজে বেরকরার নেশায় মত্ত তারুণ্যের প্রাচুর্যে ভরপুর দেশীয় পর্যটকরা। যা সহায়তা করছে দেশের পর্যটন খাতকে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is