ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ৫ পৌষ ১৪২৫

2018-12-19

, ১০ রবিউস সানি ১৪৪০

ব্যক্তিগত প্রচারণায় বাড়ছে পর্যটন

অনুসন্ধিৎসু পর্যটকরাই খুঁজে বের করছে নতুন দর্শনীয় স্থান

প্রকাশিত: ০৯:৪৪ , ১০ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৭:০২ , ০৪ মার্চ ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাত্র কয়েক দশক আগেও যেকানে সিলেট অঞ্চলের অল্প কয়েকটি এলাকা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল সেখানে এখন একশ এগারোটি স্থান  পর্যটন কর্পোরেশনের তালিকা ভুক্ত। তবে দেশের ভ্রমন পিপাসুদের মতে এ সংখ্যা আরও বেশি। কিন্তু সব স্থানকেই পর্যটন কেন্দ্র বলতে নারাজ সরকারের পর্যটন কর্পেরেশন।

মাজার, ছোট ছোট পাহাড় বা টিলা, বিস্তির্ণ চা বাগান, জাফলং, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ড ঝরনা, হাওর-বাওর নিয়ে হাতে গোনা কয়েকটি স্থান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল এক দশক আগেও। আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ঘুরে চমকপ্রদ স্থান দেখার মানসিকতা গড়ে উঠেছে নিকট অতীতে। যা সিলেট অঞ্চলের অনেক অজানা দর্শনীয় স্থানকে পরিচিত করেছে অন্যদের কাছে।  

দেশীয় পর্যটকরা খুঁজে বেড়ান নতুন স্থান। তাদের নিজস্ব পর্যটন কেন্দ্রের তালিকা বড় হয়। তবে সরকারী হিসেবে সিলেট অঞ্চলে পর্যটন কেন্দ্র এখন ১শ এগারোটি।

বিছানাকান্দি সাম্প্রতিক সময়ের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। ভারতের সীমান্তবর্তী এই এলাকার প্রকৃতিক সৌন্দর্যের খবর ছড়ায় দেশীয় তরুণদের প্রচারণায়। ভারতের সীমানায় উচুঁ পর্বতমালা, তা থেকে নেমে আসা ঝর্ণা ও জলরাশি এক মায়ময় দৃশ্য, যা টানছে পর্যটকদের।

সিলেট অঞ্চলে পাহাড়ী ছড়ার দেখা মেলে বেশ। মৌলভীবাজারের ১৬২ ফুট উঁচু পাহাড়ের ওপর থেকে মাধবকুন্ড জলপ্রপাতও বিশেষ আকর্ষণীয়।

মাধবকুন্ডর কাছেই আছে পরিকুন্ড ঝরনা। এছাড়াও গত তিন-চার বছরে মৌলভীবাজারে পর্যটকদের অন্যতম আকষর্ণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে হামহাম ঝরনা।

সুনামগঞ্চ এবং মৌলভীবাজারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাকালুকি ও টাঙ্গুয়ার হাওর, বাইক্কা বিল, নলুয়া, ধানকুনিয়া, দিরাই ও শল্লার প্রাকৃতিক সৌন্দযের্র টানে নৌকা নিয়ে বছর জুড়ে ঘুরতে আসেন পর্যটকরা ।

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is