ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-22

, ৯ জিলকদ্দ ১৪৩৯

লক্ষ্মীপুরে নির্মাণাধীন মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধে ধ্বস

প্রকাশিত: ০৯:৩২ , ১১ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৯:৩২ , ১১ নভেম্বর ২০১৭

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: তিন মাসে চার বার ধসলো লক্ষ্মীপুরের নির্মাণাধীন মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ। এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে অন্তত ৮টি স্থানে। নিুমানের কাজের কারণেই স্থানে স্থানে ধসে যাচ্ছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। বালু ও জিও ব্যাগ ব্যবহারের অনিয়মের অভিযোগও করেন তারা। তবে, এ বিষয়ে নিরব পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাঁধের কাজ আবারো সংশোধন করতে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। 

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনার ভাঙ্গণ ঠেকাতে ২০১৬ সালে এক কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার কথা। তবে, কাজ শুরুর পর অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পের কাজ হস্তান্তর করে তারা।

গত তিন মাসে ৪বার বাঁধে ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অন্তত ৮টি স্থান। তাৎক্ষণিকভাবে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে ধস ঠেকানোর চেষ্টা করে সংশ্লিষ্টরা। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিুমানের কাজের কারণেই বাঁধের স্থানে স্থানে ধসে যাচ্ছে। এছাড়া বালু ও জিও ব্যাগ ব্যবহারের অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তারা।

তবে, এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড। উল্টো বাঁধের কাজ আবারো সংশোধন করতে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব পাঠিয়েছে সংস্থাটি। জানালেন,  লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয় বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ইয়ার আলী। 

২০১৮ সালের এপ্রিলে এই বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। তবে, স্থানীয়দের প্রশ্ন, কাজ শেষ হওয়ার আগেই বার বার ধসে যাওয়া এই বাঁধ কতদিন টিকবে? 
 

এই বিভাগের আরো খবর

বন্যার পর তীব্র নদী ভাঙন

ডেস্ক প্রতিবেদন : সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হয়েছে। তবে বিভিন্ন জেলায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। ওই সকল এলাকায় ত্রাণ না পৌঁছানোয়...

পাবনায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে ৫০ হাজার মানুষের চলাচল

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা সদরের কামারডাংগা-চরপাড়া সংলগ্ন ছোট নদীর উপরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে হাজারো মানুষ। আশপাশের ১০ গ্রামের...

সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

ডেস্ক প্রতিবেদন : সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। লালমনিরহাট, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও সিরাজগঞ্জে বন্যার পানি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is