ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ  প্রথম প্রহরে রায়েরবাজার বধ্যভূমি মোমবাতি প্রজ্জলন দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু খাতে ৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের সৌদি আরবে জিয়া পরিবারের বিপুল অর্থ, তদন্ত করবে দুদক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দাবিতে সোচ্চার হোন থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষা অধিদপ্তর-বোর্ড ও বিজি প্রেস থেকে প্রশ্ন ফাঁস হয়: দুদক বিএনপি নির্বাচনে না আসলে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হবে না পল্লী বিদ্যুতে অতিরিক্ত ইলেকট্রিশিয়ান নিয়োগ দেওয়ায় মানববন্ধন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে হাইকোর্টে লক্ষ্মীপুরের ইউএনওর ক্ষমা প্রার্থনা খাগড়াছড়িতে ৬ সশস্ত্র যুবক আটক চট্টগ্রামের সেবা সমূহ ডিজিটালাইজড হওয়ার তাগিদ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারা দেশে বিএনপির বিক্ষোভ আকায়েদের বিরুদ্ধে মার্কিন পুলিশের তিন অভিযোগ আশুগঞ্জে আমন চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু ভূমিমন্ত্রীর ছেলে তমালকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ গাইবান্ধায় যুবলীগ নেতার ও বরগুনায় জেলের মরদেহ উদ্ধার ঢামেক হাসপাতাল দিচ্ছে ডিজিটাল ডেথ সার্টিফিকেট

১৯৬৫ সালে মিমি চকলেট তৈরি শুরু

দেশীয় চকলেট শিল্পের প্রথম সরকারি কারখানার বেহাল দশা

প্রকাশিত: ১০:২৩ , ১১ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০২:২২ , ১১ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবির্ভাবের শুরুতে চকলেট ছিল তরল। পানীয় হিসেবে তৈরি হয়। তবে তা এখনকার মতো সুস্বাদু ছিল না, ছিল তেতো। ১৭০০-১৮০০ শতকে ইউরোপে আসে পানযোগ্য চকলেট হিসেবে৷ এরপর ১৯ ও ২০ শতকে কোকো দিয়ে শক্ত পদার্থ হিসেবে চকলেট বানানো শুরু হয়। এরপরেই সারা পৃথিবীতে পরিচিত লাভ করে এবং মানুষের কাছে লোভনীয় খাবারে পরিণত হয়।  

বাংলাদেশে স্বাধীনতার আগে  ১৯৬৫ সালে জার্মানী থেকে আনা মেশিন দিয়ে প্রথম মিমি চকলেট তৈরি শুরু হয়। যদিও লজেন্স, ক্যান্ডি-- এগুলোকেও দেশে সাধারণ ভাবে চকলেট বলে সবাই। স্বাধীনতাঁর পর ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মিমি চকলেট তৈরি শুরু হয়।

কালক্রমে নানা কারণে মিমি চকলেট হারায় তার উৎপাদনের স্বর্ণযুগ। সেই সময়কার কাজের ঝঞ্জানানি ও মেশিনের শব্দ এখন আর নেই বললেই চলে। ধুকে ধুকে চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

প্রথম দিকে এই কারখানা থেকে চকলেট-লজেন্স উভয়ই তৈরি হতো- কাজ চলতো ২৪ ঘন্টায়। সত্তুরের দশকে মাসে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার উৎপাদিত চকলেট-লজেন্স বিক্রি হতো, এখন সেখানে কমে গিয়ে মাত্র ২০ লাখে নেমে এসেছ ।  

আশির দশকে এবং নব্বই দশকের শেষের দিকে আরও কয়েকটি কোম্পানি স্থানীয় ও বিদেশ থেকে প্রযুক্তি এনে শুরু করে লজেন্স-ক্যান্ডী উৎপাদন। দেশীয় এমন উদ্যাক্তার সংখ্যা বেড়েছে এর মধ্যে।  

 

এই বিভাগের আরো খবর

দেশে বিস্কুটের বাজার পাঁচ হাজার কোটি টাকার, বাড়ছে ১৫ শতাংশ হারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাঁচ বা দশ পয়সা দিলেই ছোট ছোট গোটা পাঁচেক গোল বিস্কুট মিলতো দেশে মাত্র তিন দশক আগেও। রাস্তার ধারে চায়ের ছোট দোকানেও ২...

দেশে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ টন বিস্কুট উৎপাদন হচ্ছে, আগ্রহী হচ্ছেন উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন ও চাহিদা বৃদ্ধি গত এক-দেড় দশকে দেশে বিস্কুট ও বেকারি পণ্যের উৎপাদন শুধু বাড়ায়নি বৈচিত্রও...

বিদেশি বণিকদের আনা বিস্কুট এখন দেশের অন্যতম ক্ষুদ্রশিল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিস্কুট নামের খাদ্য পণ্যটির মধ্যে যেন যাদু আছে। একজন অবুঝ শিশু হয়তো চিৎকার করে কাঁদছে, কোন ভাবেই শান্ত করা যাচ্ছেনা তাকে;...

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

ক্যান্ডি ও চকলেট তৈরি করছে দেশে আটটি বড় কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের চকলেট শিল্পে মূলত ক্যান্ডি ও লজেন্স বেশি তৈরি হয়। চিনি, গ্লুকোজ ও গুড়া দুধ দিয়ে সেগুলো প্রস্তুত করা হয়। চকলেট তৈরি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is