ঢাকা, বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮, ৭ ভাদ্র ১৪২৫

2018-08-21

, ৯ জিলহজ্জ ১৪৩৯

১৯৬৫ সালে মিমি চকলেট তৈরি শুরু

দেশীয় চকলেট শিল্পের প্রথম সরকারি কারখানার বেহাল দশা

প্রকাশিত: ১০:২৩ , ১১ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০২:২২ , ১১ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবির্ভাবের শুরুতে চকলেট ছিল তরল। পানীয় হিসেবে তৈরি হয়। তবে তা এখনকার মতো সুস্বাদু ছিল না, ছিল তেতো। ১৭০০-১৮০০ শতকে ইউরোপে আসে পানযোগ্য চকলেট হিসেবে৷ এরপর ১৯ ও ২০ শতকে কোকো দিয়ে শক্ত পদার্থ হিসেবে চকলেট বানানো শুরু হয়। এরপরেই সারা পৃথিবীতে পরিচিত লাভ করে এবং মানুষের কাছে লোভনীয় খাবারে পরিণত হয়।  

বাংলাদেশে স্বাধীনতার আগে  ১৯৬৫ সালে জার্মানী থেকে আনা মেশিন দিয়ে প্রথম মিমি চকলেট তৈরি শুরু হয়। যদিও লজেন্স, ক্যান্ডি-- এগুলোকেও দেশে সাধারণ ভাবে চকলেট বলে সবাই। স্বাধীনতাঁর পর ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মিমি চকলেট তৈরি শুরু হয়।

কালক্রমে নানা কারণে মিমি চকলেট হারায় তার উৎপাদনের স্বর্ণযুগ। সেই সময়কার কাজের ঝঞ্জানানি ও মেশিনের শব্দ এখন আর নেই বললেই চলে। ধুকে ধুকে চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

প্রথম দিকে এই কারখানা থেকে চকলেট-লজেন্স উভয়ই তৈরি হতো- কাজ চলতো ২৪ ঘন্টায়। সত্তুরের দশকে মাসে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার উৎপাদিত চকলেট-লজেন্স বিক্রি হতো, এখন সেখানে কমে গিয়ে মাত্র ২০ লাখে নেমে এসেছ ।  

আশির দশকে এবং নব্বই দশকের শেষের দিকে আরও কয়েকটি কোম্পানি স্থানীয় ও বিদেশ থেকে প্রযুক্তি এনে শুরু করে লজেন্স-ক্যান্ডী উৎপাদন। দেশীয় এমন উদ্যাক্তার সংখ্যা বেড়েছে এর মধ্যে।  

 

এই বিভাগের আরো খবর

আম চাষে আগ্রহ বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপদ, নিশ্চিত বাণিজ্যের স্বার্থে চাষের ক্ষেত্রে পোকা মাকড় এবং...

বিলুপ্ত হয়েছে অনেক জাতের আম

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমের ভরা মৌসুম চলছে। দেশীয় মৌসুমী এই ফলের চাষ, বাণিজ্য ও ব্যবহারের ধরনে মাত্র কয়েক দশকে বিপুল পরিবর্তন এসেছে। মৌসুমী ফলের...

কবরের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার পেছনের কুশীলব শুধু টাকা!

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বজন-বন্ধুরা যখন প্রিয়জনের লাশ কাধে করে কবরস্থানে আসেন সেটা এক বিশেষ মুহূর্ত। তখন তাদের মনের গভীরে বেদনা ও ভালোবাসায়...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is