ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ  প্রথম প্রহরে রায়েরবাজার বধ্যভূমি মোমবাতি প্রজ্জলন দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু খাতে ৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের সৌদি আরবে জিয়া পরিবারের বিপুল অর্থ, তদন্ত করবে দুদক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দাবিতে সোচ্চার হোন থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষা অধিদপ্তর-বোর্ড ও বিজি প্রেস থেকে প্রশ্ন ফাঁস হয়: দুদক বিএনপি নির্বাচনে না আসলে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হবে না পল্লী বিদ্যুতে অতিরিক্ত ইলেকট্রিশিয়ান নিয়োগ দেওয়ায় মানববন্ধন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে হাইকোর্টে লক্ষ্মীপুরের ইউএনওর ক্ষমা প্রার্থনা খাগড়াছড়িতে ৬ সশস্ত্র যুবক আটক চট্টগ্রামের সেবা সমূহ ডিজিটালাইজড হওয়ার তাগিদ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারা দেশে বিএনপির বিক্ষোভ আকায়েদের বিরুদ্ধে মার্কিন পুলিশের তিন অভিযোগ আশুগঞ্জে আমন চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু ভূমিমন্ত্রীর ছেলে তমালকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ গাইবান্ধায় যুবলীগ নেতার ও বরগুনায় জেলের মরদেহ উদ্ধার ঢামেক হাসপাতাল দিচ্ছে ডিজিটাল ডেথ সার্টিফিকেট

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

ক্যান্ডি ও চকলেট তৈরি করছে দেশে আটটি বড় কোম্পানি

প্রকাশিত: ১০:৩৫ , ১১ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৩:৩৭ , ১১ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের চকলেট শিল্পে মূলত ক্যান্ডি ও লজেন্স বেশি তৈরি হয়। চিনি, গ্লুকোজ ও গুড়া দুধ দিয়ে সেগুলো প্রস্তুত করা হয়। চকলেট তৈরি হয় কোকোয়া পাউডার দিয়ে। সম্প্রতি কোকোয়া পাউডার বাইরে থেকে আমাদিন করে চকলেটে তৈরি হচ্ছে দেশে।  

চিনি গলিয়ে কাঠিতে এমন চকলেট ও লজেন্স তৈরির স্থানীয় প্রচলন অনেক আগে থেকেই। এখনো সেই বাজার ধরে রেখেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সময়ের বিবর্তনে ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এসব হাতে তৈরি লজেন্স নগরের সামর্থবান ব্যক্তিদের মাঝে বাজার হারাতে বসলেও, গ্রামগঞ্জে এখনো এর চাহিদা প্রচুর।

হাতে তৈরি এসব দেশিয় লজেন্স ও চকলেট বহু দশক বাজার দখল করে রাখলেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত মানের চকলেট তৈরি শুরু হলে বাজাররে একটি অংশ তারা হারাতে শুরু করে। সেগুলোর আছে নানা নাম-- মিল্ক ক্যান্ডি, ললিপপ, ম্যাংগো ক্যান্ডি।  সেগুলোতে মূলত নাম অনুযায়ী সুগন্ধি ব্যবহার হয়। তবে দেশে এসবের বাজার এখনও আশানুরুপ বলে মনে করেন উদ্যাক্তারা।

তবে বিদেশি চকলেটও প্রভাব ফেলেছে স্থানীয় বাজারের সামর্থবান ভোক্তাদের ওপর। তারা বেদেশি চকলেটে বেশি আকৃষ্ট হওয়ার দেশি চকলেট সংগ্রাম করছে। এছাড়াও দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ চকলেট উৎপাদনের জন্য অনূকুলে নয় বলে সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা জানান। ফলে উৎপাদন চাহিদার তুলনায় অনেক কম।

 

এই বিভাগের আরো খবর

দেশে বিস্কুটের বাজার পাঁচ হাজার কোটি টাকার, বাড়ছে ১৫ শতাংশ হারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাঁচ বা দশ পয়সা দিলেই ছোট ছোট গোটা পাঁচেক গোল বিস্কুট মিলতো দেশে মাত্র তিন দশক আগেও। রাস্তার ধারে চায়ের ছোট দোকানেও ২...

দেশে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ টন বিস্কুট উৎপাদন হচ্ছে, আগ্রহী হচ্ছেন উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন ও চাহিদা বৃদ্ধি গত এক-দেড় দশকে দেশে বিস্কুট ও বেকারি পণ্যের উৎপাদন শুধু বাড়ায়নি বৈচিত্রও...

বিদেশি বণিকদের আনা বিস্কুট এখন দেশের অন্যতম ক্ষুদ্রশিল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিস্কুট নামের খাদ্য পণ্যটির মধ্যে যেন যাদু আছে। একজন অবুঝ শিশু হয়তো চিৎকার করে কাঁদছে, কোন ভাবেই শান্ত করা যাচ্ছেনা তাকে;...

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

ক্যান্ডি ও চকলেট তৈরি করছে দেশে আটটি বড় কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের চকলেট শিল্পে মূলত ক্যান্ডি ও লজেন্স বেশি তৈরি হয়। চিনি, গ্লুকোজ ও গুড়া দুধ দিয়ে সেগুলো প্রস্তুত করা হয়। চকলেট তৈরি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is