ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ  প্রথম প্রহরে রায়েরবাজার বধ্যভূমি মোমবাতি প্রজ্জলন দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু খাতে ৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের সৌদি আরবে জিয়া পরিবারের বিপুল অর্থ, তদন্ত করবে দুদক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দাবিতে সোচ্চার হোন থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষা অধিদপ্তর-বোর্ড ও বিজি প্রেস থেকে প্রশ্ন ফাঁস হয়: দুদক বিএনপি নির্বাচনে না আসলে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হবে না পল্লী বিদ্যুতে অতিরিক্ত ইলেকট্রিশিয়ান নিয়োগ দেওয়ায় মানববন্ধন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে হাইকোর্টে লক্ষ্মীপুরের ইউএনওর ক্ষমা প্রার্থনা খাগড়াছড়িতে ৬ সশস্ত্র যুবক আটক চট্টগ্রামের সেবা সমূহ ডিজিটালাইজড হওয়ার তাগিদ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারা দেশে বিএনপির বিক্ষোভ আকায়েদের বিরুদ্ধে মার্কিন পুলিশের তিন অভিযোগ আশুগঞ্জে আমন চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু ভূমিমন্ত্রীর ছেলে তমালকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ গাইবান্ধায় যুবলীগ নেতার ও বরগুনায় জেলের মরদেহ উদ্ধার ঢামেক হাসপাতাল দিচ্ছে ডিজিটাল ডেথ সার্টিফিকেট

দেশিয় চকলেটের বাজার প্রতি বছর এক হাজার কোটি টাকার

প্রকাশিত: ১০:৪০ , ১১ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৩:৩৮ , ১১ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : নব্বই দশকের শেষের দিকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদেশি চকলেটের সাথে প্রতিযোগীতায় নামে দেশিয় কিছু কোম্পানি। তার ধারাবাহিকতায়  প্রাণ, অলিম্পিক, কোকোলা ফুড, এলসন ফুডসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি চকলেট তৈরি করছে। ঢাকার বাজারে এখন বিদেশি চকলেটের পাশাপাশি দেশীয় চকলেটেরও সরব উপস্থিতি দেখা যায়। চকলেটে আকৃষ্ট ৯০ ভাগ শিশু ছাড়াও তরুণ তরুনীদের মধ্যেও চকলেট খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।

ক্রমবর্ধমান দেশিয় চকলেটের বাজার বছরে এখন এক হাজার কোটি টাকা। এ বাজারকে প্রসারিত করতে বিদেশি চকলেট আমাদানিতে শূল্ক বাড়ানোর তাগিদ দেশিয় উদ্যাক্তাদের।

দেশে বিদেশী চকলেটে নগরের বাজার সয়লাব হলেও সরকারি হিসেবে আগের চেয়ে কমেছে আমদানি। ২০০৯-১০ অর্থবছরে শুধুমাত্র বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৪০ মেট্রিক টন আমদানি হলেও ২০১৫ সালে তা  অর্ধেকে নেমে আসে। ২০১৬ সালে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার মত চকলেট আমদানি হয়েছে দেশে।

তবে দেশিয় চকলেটের নামে কি খাচ্ছে শিশুরা তার মান নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। মান নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো নিয়মতি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা শেষে ব্যবস্থা নেয়া হয় বলে জানায়।

চকলেটে মাত্রা অতিরিক্ত রঙ ও কেমিকেল উপাদান থাকায় স্বাস্থ্যের জন্য মারত্মক ক্ষতিকারক বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

দেশিয় চকলেটের মান উন্নত করতে প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি এর উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় ব্যাপক সংস্কারের প্রয়োজন বলে মনে করেন এই খাতের পর্যবেক্ষকরা।

এই বিভাগের আরো খবর

দেশে বিস্কুটের বাজার পাঁচ হাজার কোটি টাকার, বাড়ছে ১৫ শতাংশ হারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাঁচ বা দশ পয়সা দিলেই ছোট ছোট গোটা পাঁচেক গোল বিস্কুট মিলতো দেশে মাত্র তিন দশক আগেও। রাস্তার ধারে চায়ের ছোট দোকানেও ২...

দেশে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ টন বিস্কুট উৎপাদন হচ্ছে, আগ্রহী হচ্ছেন উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন ও চাহিদা বৃদ্ধি গত এক-দেড় দশকে দেশে বিস্কুট ও বেকারি পণ্যের উৎপাদন শুধু বাড়ায়নি বৈচিত্রও...

বিদেশি বণিকদের আনা বিস্কুট এখন দেশের অন্যতম ক্ষুদ্রশিল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিস্কুট নামের খাদ্য পণ্যটির মধ্যে যেন যাদু আছে। একজন অবুঝ শিশু হয়তো চিৎকার করে কাঁদছে, কোন ভাবেই শান্ত করা যাচ্ছেনা তাকে;...

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

ক্যান্ডি ও চকলেট তৈরি করছে দেশে আটটি বড় কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের চকলেট শিল্পে মূলত ক্যান্ডি ও লজেন্স বেশি তৈরি হয়। চিনি, গ্লুকোজ ও গুড়া দুধ দিয়ে সেগুলো প্রস্তুত করা হয়। চকলেট তৈরি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is