ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-19

, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

দেশিয় চকলেটের বাজার প্রতি বছর এক হাজার কোটি টাকার

প্রকাশিত: ১০:৪০ , ১১ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৩:৩৮ , ১১ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : নব্বই দশকের শেষের দিকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদেশি চকলেটের সাথে প্রতিযোগীতায় নামে দেশিয় কিছু কোম্পানি। তার ধারাবাহিকতায়  প্রাণ, অলিম্পিক, কোকোলা ফুড, এলসন ফুডসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি চকলেট তৈরি করছে। ঢাকার বাজারে এখন বিদেশি চকলেটের পাশাপাশি দেশীয় চকলেটেরও সরব উপস্থিতি দেখা যায়। চকলেটে আকৃষ্ট ৯০ ভাগ শিশু ছাড়াও তরুণ তরুনীদের মধ্যেও চকলেট খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।

ক্রমবর্ধমান দেশিয় চকলেটের বাজার বছরে এখন এক হাজার কোটি টাকা। এ বাজারকে প্রসারিত করতে বিদেশি চকলেট আমাদানিতে শূল্ক বাড়ানোর তাগিদ দেশিয় উদ্যাক্তাদের।

দেশে বিদেশী চকলেটে নগরের বাজার সয়লাব হলেও সরকারি হিসেবে আগের চেয়ে কমেছে আমদানি। ২০০৯-১০ অর্থবছরে শুধুমাত্র বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৪০ মেট্রিক টন আমদানি হলেও ২০১৫ সালে তা  অর্ধেকে নেমে আসে। ২০১৬ সালে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার মত চকলেট আমদানি হয়েছে দেশে।

তবে দেশিয় চকলেটের নামে কি খাচ্ছে শিশুরা তার মান নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। মান নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো নিয়মতি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা শেষে ব্যবস্থা নেয়া হয় বলে জানায়।

চকলেটে মাত্রা অতিরিক্ত রঙ ও কেমিকেল উপাদান থাকায় স্বাস্থ্যের জন্য মারত্মক ক্ষতিকারক বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

দেশিয় চকলেটের মান উন্নত করতে প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি এর উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় ব্যাপক সংস্কারের প্রয়োজন বলে মনে করেন এই খাতের পর্যবেক্ষকরা।

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is