ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-22

, ৯ জিলকদ্দ ১৪৩৯

আজ ভয়াল ১২ই নভেম্বর 

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে মারা যায় ৩ লাখ মানুষ 

প্রকাশিত: ০৮:৪১ , ১২ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৮:৪১ , ১২ নভেম্বর ২০১৭

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: আজ ভয়াল ১২ই নভেম্বর। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৩ লাখ মানুষ মারা যায়। ১০ ফুট উচ্চতার ওই জলোচ্ছ্বাসে সেদিন ভেসে যায় কয়েক লাখ মানুষ, গবাদি পশু ও ঘর-বাড়ী। ক্ষতিগ্রস্থ হয় ফসলী জমি। লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় উপকূলীয় জনপদ। 

১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর লক্ষ্মীপুরের উপর দিয়ে বয়ে যায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়। ঘন্টায় ২শ’ ২২ কিলোমিটার গতিবেগে বয়ে যাওয়া বাতাস আর স্মরণকালের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে জেলার উপকূলীয় এলাকা পরিণত হয় মৃত্যুপূরীতে। ভয়াল সেই ঝড়ে সদর উপজেলার চর মনসা, বয়ারচর, চর রমনী মোহন আর রামগতিসহ অসংখ্য এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।

১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসে ভেসে যায় লাখো মানুষ। মৃত্যু হয় ৩ লাখ মানুষের। ভয়াল সে রাতের কথা মনে হলে এখনো আঁতকে ওঠেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ভোলেন নি স্বজন হারানোর বেদনা।

তবে এতবড় বিপর্যয়ের পরও জেলায় নেই প্রয়োজনীয় আশ্রয়কেন্দ্র। এই অবস্থায় উপকূলীয় এলাকায় বেশি করে আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। দাবি জানালেন, কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চর লরেন্স ইউপি চেয়ারম্যান।

ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে ১২ নভেম্বরকে ‘জাতীয় দুর্যোগ দিবস’ ঘোষণার দাবি লক্ষ্মীপুরবাসীর। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

বন্যার পর তীব্র নদী ভাঙন

ডেস্ক প্রতিবেদন : সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হয়েছে। তবে বিভিন্ন জেলায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। ওই সকল এলাকায় ত্রাণ না পৌঁছানোয়...

পাবনায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে ৫০ হাজার মানুষের চলাচল

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা সদরের কামারডাংগা-চরপাড়া সংলগ্ন ছোট নদীর উপরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে হাজারো মানুষ। আশপাশের ১০ গ্রামের...

সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

ডেস্ক প্রতিবেদন : সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। লালমনিরহাট, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও সিরাজগঞ্জে বন্যার পানি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is