ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫

2018-11-13

, ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বিদেশি বণিকদের আনা বিস্কুট এখন দেশের অন্যতম ক্ষুদ্রশিল্প

প্রকাশিত: ১০:০৬ , ১২ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৩:০৪ , ১২ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিস্কুট নামের খাদ্য পণ্যটির মধ্যে যেন যাদু আছে। একজন অবুঝ শিশু হয়তো চিৎকার করে কাঁদছে, কোন ভাবেই শান্ত করা যাচ্ছেনা তাকে; হয়তো দেখা যাবে একটি বিস্কুট সামনে ধরতেই তা দেখে বা হাতে নিয়ে শান্ত হয়ে গেল।

একসময় এই অঞ্চলে শুকনো খাবারের মধ্যে চিড়া-মুড়ি-গুড়ের কদর ও ব্যবহার চির ব্যাপক। সেই যায়গাটা যেন দখর করে নেয় বিস্কুট। মধ্যযুগে রোমানদের ধারণা থেকে আদি বিস্কুটের আবির্ভাব। ১৯ শতকে শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে আধুনিক বিস্কুটের ধারণা আসে, বিবর্তন ঘটতে থাকে এর মান ও রুপে।

বহুশত বছর আগে বাণিজ্যের জন্য ভারত উপমহাদেশে আসার সময় দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার সহজ খাবার হিসেবে পর্তুগীজরা বিস্কুট নিয়ে আসতো। সেই থেকে এই অঞ্চলে বিস্কুটের সাথে পরিচয় ঘটে, এখানে তৈরি করা শেখে। তখন চিনির প্রচলন কম থাকায় গুড়ের বিস্কুট তৈরী হতো।

ব্যক্তিগত ভাবে বাড়িঘরে হাতে বিস্কুট তৈরির ধারবাহিকতায় একসময় ব্যবসার দারণা থেকে ছোট ছোট বেকারী তৈরি হতে শুরু করে। প্রথমদিকে বেকারির বিস্কুট বিক্রি হতো ফেরি করে। মূলত ১৯৩০ সালের পর দোকানে বিস্কুট বিক্রির প্রচলন শুরু হয়। পরবর্তীতে আধুনিকায়ন ঘটে, যান্ত্রিক প্রযুক্তি যুক্ত হয় বিস্কুট তৈরির প্রক্্িরয়ায়। পরিবর্তন ঘটে বিস্কুট তৈরির বিভিন্ন অনুষঙ্গেরও।

অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে যে কোন দুর্যোগে মানুষকে দ্রুত সহজ খাদ্য সাহায্যের তালিকায় অগ্রাধিকার পায় বিস্কুট। ব্যবহারের ব্যাপকতা এর চাহিদা কেবলই বাড়িয়েছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is