ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫

2018-11-13

, ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

দেশে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ টন বিস্কুট উৎপাদন হচ্ছে, আগ্রহী হচ্ছেন উদ্যোক্তারা

প্রকাশিত: ১০:১২ , ১২ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ১১:৫৪ , ১২ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন ও চাহিদা বৃদ্ধি গত এক-দেড় দশকে দেশে বিস্কুট ও বেকারি পণ্যের উৎপাদন শুধু বাড়ায়নি বৈচিত্রও এনেছে। বেকারি খোলা বিস্কিটে যেমন বিবর্তন ঘটেছে তেমনি প্যাকেটজাত বিস্কিটেও রয়েছে এর ছোয়া।

একসময় হাতে গোনা কয়েকটি বৃহৎ কোম্পানী দেশে প্যাকেটজাত বিস্কুট তৈরি করতো, আর এখন করে প্রায় ১০০ কোম্পানি। যার মধ্যে ১০-১৫টি অতি বৃহৎ, ৩৫টি বৃহৎ এবং ৫০টি মাঝারি। এরমধ্যে বিস্কুটের বাজারে পুরোনো অলিম্পিক একসময় মাত্র ৩ ধরনের বিস্কুট বানাতো, গেল ৫ বছরে বাজারে এনেছে ৩০ ধরনের প্যাকেটজাত বিস্কুট।

বিস্কুট কোম্পানি গুলোর পাশাপাশি দেশ জুড়ে পাড়ায় পাড়ায় বেকারি আছে। বিস্কুট তৈরীর এসব কারখানা কুটির শিল্পের মর্যাদা পেলেও জাতীয় চাহিদার একটি বিরাট অংশ পূরণ করছে। সারাদেশে প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজারের মতো মাঝারি মাপের বেকারি রয়েছে। ঘরে বানানো বিস্কুটও “হোম মেড” নামে জনপ্রিয় হচ্ছে।

শিল্পের প্রবৃদ্ধি নিয়ে গবেষণাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আইবিআইএস ওর্য়াল্ডের তথ্য মতে, ২০১০-১৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বিস্কুট শিল্পের বৈশ্বিক গড় প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। যেখানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি মাত্র ৮ শতাংশ। অতচ একই সময়ে ভিয়েতনামে প্রবৃদ্ধি  ২০ দশমিক ১ শতাংশ, ভারতে প্রায় ১২ শতাংশ, পাকিস্তানে প্রায় ১৪ শতাংশ এবং শ্রীলংকায় ১২ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানে ভাবিত নন উদ্যোক্তারা।

একসময় বড় কোম্পানির চেয়ে বেকারির বিস্কুটের ওপর নির্ভর ছিল বাজার। এখন সেই দৃশ্য পাল্টে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের প্যাকেটজাত বিস্কুট বাজারে আধিপত্য বিস্তার করেছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is