ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-20

, ৯ মহাররম ১৪৪০

বেকারিগুলোর স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতের তাগিদ উদ্যোক্তা ও ভোক্তাদের

প্রকাশিত: ১০:২২ , ১২ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ১১:৫৫ , ১২ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: যেকোন খাদ্যের সাথেই পুষ্টিগুন জড়িত। ময়দা, চিনি, দুধ দিয়ে পবিস্কুট তৈরী জায়গাটির পরিবেশর নিয়ে মাঝে মধ্যেই অভিযোগ ওঠে। ফলে বিস্কুটের সাথে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরির আশংকাও আলোচিত হয়। সেই বাস্তবতা পাল্টাচ্ছে বলে এই শিল্প উদ্যোক্তাদের পর্যবেক্ষণ। এছাড়া আছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কড়া নজরদারি।

বিস্কুট তৈরীতে অনেক সময় বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার নিয়েও আছে প্রশ্ন। প্রতিটি বিস্কুটের নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে। খাবারের মান রক্ষা, ব্যবহারের মেয়াদ নির্ধারণে যতœশীল হওয়া এবং উৎপাদন স্থলের পরিবেশের প্রতি নজর না দিলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানাসহ লাইসেন্স বাতিলের মতো শাস্তির বিধান রয়েছে।

পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ করার প্রতিযোগিতা দেখা যায় বিস্কুটের বিজ্ঞাপনে। অতিরিক্ত পরিমাণে বিস্কুট গ্রহন বিপজ্জনক বলে জানালেন চিকিৎসকরা। এ ঝুঁকি শিশুদের জন্য বেশী।  

অল্প টাকায় খাদ্যের চাহিদা পূরণে নিু আয়ের কর্মজীবীরা কর্মস্থলে বিস্কুটকে বেছে নেয়। চিকিৎসকরা বলছেন ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবার যুক্ত বিস্কুট প্রস্তুত করা গেলে তা সবার জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সহায়ক হবে। শুদু স্বাদ নয়, বিস্কুটের গুণগত মান বাড়াতে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ আসে পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is