ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৯ সফর ১৪৩৯

ব্রিটিশদের হাত ধরে ভারতবর্ষে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থার যাত্রা শুরু

প্রকাশিত: ১০:২০ , ১৩ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৫:৩৩ , ১৩ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : শুধু অসুস্থদের সারিয়ে তোলাই নয়, সুস্থদের রোগমুক্ত রাখাও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার মন্ত্র। মানব সভ্যতার বিকাশের শুরু থেকেই এর যাত্রা। প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে প্রাচীন ভারতে এর প্রচলন শুরু হলেও ব্যক্তি পর্যায়ে তারও আগে থেকে ছিল চর্চা। প্রকৃতি থেকে পাওয়া বিভিন্ন ভেষজ উদ্ভিদ, খনিজ উপকরণ এবং প্রাণীজ পদার্থে রোগমুক্তির সমাধান খোঁজে এই চিকিৎসা পদ্ধতি। পরবর্তিতে যা লিপিবদ্ধ হয় হিন্দু পুরাণে।

আয়ু অর্থ জীবন,আর বেদ বিজ্ঞান। কে বা কারা পরিকল্পিতভাবে প্রথম এই আয়ুর্বেদ চর্চা শুরু করে তার কোন সুনির্দিষ্ট ধারণা নেই। তবে ধীরে ধীরে তা ব্যপক জনপ্রিয় হতে থাকে অখন্ড ভারতসহ পাশ্ববর্তী এলাকায়।

১৮ শতকের গোড়ার দিকে ব্রিটিশদের হাত ধরে ভারতবর্ষে এ্যলোপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়। রোগ উপশমে দ্রুত কার্যকর হওয়ায় নতুন রোগীরা এতে আকৃষ্ট হয়, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা হারাতে শুরু করে তার প্রাচীন জৌলুস।

পাকিস্তান শাসনামলে দেশে কম বেশি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা চর্চা থাকলেও স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ব্যবস্থা। ১৯৮২ সালে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার উন্নয়ণে হয় বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ড।

তবে, এই চিকিৎসার কার্যকারীতা ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে আছে বিতর্ক, তবু দেশে আজও আয়ুর্বেদিক টিকে আছে।

 

এই সম্পর্কিত আরো খবর

নানা প্রতিবন্ধকতায় সব ইপিজেড কাঙ্খিত ভূমিকা রাখতে পারছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিসংখ্যান ইপিজেডের সাফল্যের গল্প বললেও এ ধরনের সব অঞ্চল সেই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ৮টি ইপিজেডের মধ্যে শিল্পের...

শ্রমিক অসন্তোষ মুক্ত ইপিজেড, শিল্প বিকাশে সম্ভাবনাময় এলাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রমিক অসন্তোষ দেশের শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে বড় চ্যলেঞ্জ। তবে ইপিজেডগুলো এই সংকট থেকে মুক্ত বললেই চলে। দিন দিন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is