ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৯ সফর ১৪৩৯

দেশে বৈধ ও লাইসেন্সধারী আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের সংখ্যা ৫ হাজার

প্রকাশিত: ১০:২৫ , ১৩ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ১২:০১ , ১৩ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে প্রতিবছর চিকিৎসা সেবা নেয়া রোগীদের ২২ শতাংশ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা নেন-- এমন পর্যবেক্ষন বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডের। এলোপ্যাথিক চিকিৎসার আধুনিক সময়েও আয়ুর্বেদিকের ওপর আস্থা রাখেন অনেকে। এমন রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।   

আশির দশকে ২ টি প্রতিষ্ঠান আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপর এক এবং ৬ মাস মেয়াদী ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ শুরু করে। পরে এমন ৯টি প্রতিষ্ঠান হয়। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডের সহায়তায় রাজধানীর মিরপুরে দেশের প্রথম এবং একমাত্র ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি অনুষদের অধিভুক্ত এই প্রতিষ্ঠানে ১ বছরের ইন্টার্নশিপসহ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপর ৫ বছর মেয়াদি ব্যাচেলার কোর্স চালু রয়েছে।

এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার ওপর পড়ালেখায় না ঝুঁকে আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে যারা পড়তে আসছেন, তাদের রয়েছে নিজস্ব ব্যাখ্যা।

দেশে বছরে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এমবিবিএস পাশ করছেন, আর আয়ুর্বেদে পাস করে বের হয় মাত্র ২৫ জন। এখন পর্যন্ত ব্যাচেলার ডিগ্রিধারী চিকিৎসক বেরিয়েছেন ৪০০ জন। পাশাপাশি, ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী প্রায় সাড়ে চার হাজার।

ইউনানী ও আযুর্বেদিক বোর্ড ও সরকারী ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক কলেজের তথ্য মতে, দেশে বৈধ ও লাইসেন্সধারী আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি নয়। কিন্তু সরকারি অনুমোদন বা জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফর্মুলারি অনুসরণ না করেই অনেকেই চেম্বার দেন। আবার অনেকেই ঔষধি বা হারবাল নাম ব্যবহার করে রাস্তায় চালাচ্ছেন প্রচারণা।

প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় আয়ুর্বেদিক ডাক্তারেরা বলছেন, অজ্ঞতা ও অর্থ উপার্জনের জন্য অনৈতিক ভাবে অনেক ডাক্তারই আযুর্বেদিক নীতি নৈতিকতা লঙ্ঘন করে চিকিৎসা দিচ্ছেন যা দুর্নাম কুড়াচ্ছে।

 

এই সম্পর্কিত আরো খবর

নানা প্রতিবন্ধকতায় সব ইপিজেড কাঙ্খিত ভূমিকা রাখতে পারছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিসংখ্যান ইপিজেডের সাফল্যের গল্প বললেও এ ধরনের সব অঞ্চল সেই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ৮টি ইপিজেডের মধ্যে শিল্পের...

শ্রমিক অসন্তোষ মুক্ত ইপিজেড, শিল্প বিকাশে সম্ভাবনাময় এলাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রমিক অসন্তোষ দেশের শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে বড় চ্যলেঞ্জ। তবে ইপিজেডগুলো এই সংকট থেকে মুক্ত বললেই চলে। দিন দিন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is