ঢাকা, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

প্রাচীন ভারতে প্রথম মুদ্রার প্রচলন বাংলাদেশের নরসিংদীতে

প্রকাশিত: ১০:৪২ , ১৪ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০১:২৫ , ১৪ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: এখন পর্যন্ত ইতিহাসের প্রাপ্ত তথ্য বলে -- প্রাচীন ভারতে প্রথম মুদ্রার প্রচলন বাংলাদেশের নরসিংদীতে। সেখানের উয়ারী বটেশ্বরে পাওয়া প্রাচীন ধাতব ছাপাঙ্ক মুদ্রার অস্তিত্ব থেকে  আড়াই হাজার বছরের পুরোনো এই ইতিহাসের সন্ধান পান প্রতœতত্ত্ববিদরা। সেই থেকে এই অঞ্চলে এমনকি ৪৭ বছরের স্বাধীন বাংলাদেশে মুদ্রার বিবর্তন এক দীর্ঘ ইতিহাস।

অবিভক্ত ভারতে ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ সালের মধ্যে দুটি বেসরকারী ব্যাংকের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে প্রথম কাগজের নোট ছাপানো হয়। সেগুলোকে ব্রিটিশ উপনিবেশ শাসকরা ১৮৬১ সালে নিজস্ব নোট হিসেবে ঘোষণা দেয়। এর আগে সবই ছিল ধাতব মুদ্রা।

ভারত ভাগের আগে সর্বত্র ছিল অভিন্ন মুদ্রা। ১৯৪৭ সালে বিভক্তির পর ভারত ও পাকিস্তানে হয় পৃথক মুদ্রা। একই ঘটনা পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ঘটে। ১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশের সর্বপ্রথম মূদ্রা ছাপানো হয় ভারতের টাকশাল থেকে। সেটা ছিল কাগজের ১ টাকা। নিজস্ব মুদ্রার অভাবে স্বাধীনতার পর তিন মাস পর্যন্ত পাকিস্তানী আমলের মূদ্রায় লেনদেন চলে। প্রথম ১টাকার নোটের পর ক্রমান্বয়ে আসে  ৫, ১০ ও ১০০ টাকার চার ধরনের নোট।

কাগজের মূদ্রা ছাপায় দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় ১৯৮৮ সালে। তার আগে সকল ধাতব ও কাগজের মুদ্রা ছাপাতো ভিন দেশে। আটাশিতে গাজীপুরে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস বা টাকা ছাপার কারখানা টাকশাল নামে পরিচিত, যার শুরুটা ছিল সংগ্রামের।

টাকশালে দেশের সকল কাগজের মুদ্রা ছাপা হলেও, সব ধাতব পয়সা আজও বিদেশে তৈরি হয়।

এই সম্পর্কিত আরো খবর

নানা প্রতিবন্ধকতায় সব ইপিজেড কাঙ্খিত ভূমিকা রাখতে পারছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিসংখ্যান ইপিজেডের সাফল্যের গল্প বললেও এ ধরনের সব অঞ্চল সেই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ৮টি ইপিজেডের মধ্যে শিল্পের...

শ্রমিক অসন্তোষ মুক্ত ইপিজেড, শিল্প বিকাশে সম্ভাবনাময় এলাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রমিক অসন্তোষ দেশের শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে বড় চ্যলেঞ্জ। তবে ইপিজেডগুলো এই সংকট থেকে মুক্ত বললেই চলে। দিন দিন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is