ঢাকা, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

দেশখ্যাত শিল্পীদের নকশায় টাকা ছাপা হয় গাজীপুরের টাকশালে

প্রকাশিত: ১০:৫৬ , ১৪ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০১:২৩ , ১৪ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশাল এক কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে মানুষের হাতে কাগজের টাক বা ধাতব পয়সা আসে। কখন কী পরিমান মূদ্রা ছাড়া হবে তার আছে হিসাব পদ্ধতি। মূদ্রার নক্সা করতে যুক্ত করা হয় দেশের স্বনামখ্যাত শিলপীদের। টাকশালের যাত্রা শুরুতে বিভিন্ন মানের ৩০ কোটি নোট ছাপানোর সক্ষমতা ছিল। বেড়ে এখন ১’শ ২০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। কাগজের নোটের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তার কথা বিবচেনা করে বদল করা হয় সময়ে সময়ে, যার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রতি বছর ব্যয় করতে হয় ৫’শ কোটি টাকা।

রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে মুদ্রা ছাপার সকল সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। টাকশাল প্রতিষ্ঠার পর বহু বছর এর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি স্থবির ছিল, সংকটের ঝুঁকিও ছিল। এখন সব প্রযুক্তি সফটওয়্যার ভিত্তিক। টাকশালে কোন সমস্যা হলে জার্মানীতে বসে মেরামত সম্ভব। নোট ছাপানোর সক্ষমতাও বেড়েছে চারগুণ।

দেশের বরেণ্য চিত্র শিল্পীরা মুদ্রার নক্সা করেন। সরকার পাল্টালে ক্ষমতাসীন  রাজনৈতিক দলের মতবাদ অনুসারে মূদ্রার নকশাও পাল্টায়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তার ছবি বাদ দেবার মধ্য দিয়ে নক্সা পরিবর্তনে রাজনীতি শুরু হয়। তবে ছবি টাকার নকল  রোধে সহায়ক।

কাগজের সব মুদ্রা দেশে ছাপা হেেলও কাঁচামাল আমদানী হয় বিদেশ থেকে। আর ব্যয় সাশ্রয় করতে ধাতব পয়সা বিদেশে তৈরি করা হচ্ছে।

মুদ্রা ছাপানো নিয়ে নিরীক্ষা চলে নিয়মিত। দু’দশক আগে প্লাস্টিকের তৈরি ১০ টাকার নোট ছাড়া হয়েছিল, নানা জটিলতায় তা ক’বছরেই বাতিল হয়। সেটাকে ভূল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখেন এই নোট প্রবর্তনকালীন গর্ভনর।  

প্রতি বছর দেশে কি পরিমান টাকা ছাপানো হবে তা নির্ধারণে বিবেচনায় নেয়া হয় নানান অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে।  

মূলত গর্ভনর পরিবর্তন হলেও নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য টাকার নকশা পাল্টায়, যা টাকা ছাপার ব্যয় বাড়ায়। সব নোটই কয়েকবার পরিবর্তন হয়েছে, সবচে বেশি ব্যবহৃত ১০ টাকার নোটের সংস্কার হয়েছে সর্বাধিক ৮ বার ।

বিশ্বে স্বাধীন ১’শ ৯৫টি রাষ্ট্রের মধ্যে টাকা ছাপানোর সক্ষমতা রয়েছে মাত্র ৬২ টি দেশের। তৃতীয় বিশ্বের দেশ হওয়া সত্ত্বেও এক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক উন্নত দেশের থেকে এগিয়ে।

 

এই সম্পর্কিত আরো খবর

নানা প্রতিবন্ধকতায় সব ইপিজেড কাঙ্খিত ভূমিকা রাখতে পারছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিসংখ্যান ইপিজেডের সাফল্যের গল্প বললেও এ ধরনের সব অঞ্চল সেই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ৮টি ইপিজেডের মধ্যে শিল্পের...

শ্রমিক অসন্তোষ মুক্ত ইপিজেড, শিল্প বিকাশে সম্ভাবনাময় এলাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রমিক অসন্তোষ দেশের শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে বড় চ্যলেঞ্জ। তবে ইপিজেডগুলো এই সংকট থেকে মুক্ত বললেই চলে। দিন দিন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is