ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৯ সফর ১৪৩৯

দেশে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের শিল্প খুব অল্প সময়ে দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে

প্রকাশিত: ১০:২৭ , ১৫ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০১:১৩ , ১৫ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : বহুল প্রচলিত টেলিভিশণ, ফ্রিজ, একসময়ের ভি.সি.আর, ডি.ভি.ডি, ক্যাসেট প্লেয়ারসহ নানা ইলেক্ট্রনিক পণ্যের জন্য দেশের মানুষের নির্ভরতা ছিল আমদানি করা পণ্যের ওপর। আজও যেমন কম্পিউটার সহ তথ্য প্রযুক্তির নানা পণ্যের জন্য নির্ভরতা বিদেশি পণ্যের ওপর। এই চিত্র কখনো উল্টে যাবে কিনা সে নিয়ে আশাবাদ ও বিতর্ক থাকলেও যেটা নজর কাড়ার মত, তা হলো-দেশে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের শিল্প খুব অল্প সময়ে দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। অতীতে যা হয়তো ভাবাই যায়নি।

বাংলাদেশে ১৯৩০ সালে শুরু হয় ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের ব্যবহার। ইতিহাসের তথ্য বলে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা রেডিও স্টেশন, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ও তারবিহীন যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার শুরু করে। এর মাধ্যমেই ব্রিটিশ ভারতে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে আধুনিক প্রযুক্তির আবির্ভাব। ১৯৫০ সালে বেসরকারি পর্যায়ে সীমিত সংখ্যক রেডিও সেট তৈরির মধ্য দিয়ে ইলেক্ট্রনিক পণ্য উৎপাদনের জগতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।

আশির দশকের আগ পর্যন্ত এক ব্যান্ডের রেডিও সেট ছাড়া সব ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানি হত। তবে ১৯৮০ সালের পরে অনেক কারখানায় রেডিও, টেলিভিশন, অডিও-ভিডিও প্লেয়ারের বিভিন্ন অংশ জোড়া দেয়া বা এসেমব্লিঙয়ের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। ১৯৯০ এর দশকে কম্পিউটার, তারবিহীন টেলিফোন, স্যাটেলাইট টিভির যন্ত্রাংশ দেশেই জোড়া দেয়া শুরু হয়। পাশাপাশি দেশেই উৎপাদন হতে থাকে কিছু খুচরা যন্ত্রাংশ।  

পরে বেশ কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের কারখানা স্থাপন করে দেশে উৎপাদনের কাজ শুরু করে। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বিত ভাবে কাজ করে স্থানীয় নানা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে যৌথ ও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পঞ্চাশটিরও বেশি প্রতিষ্ঠান উৎপাদন করে বিভিন্ন মডেলের ইলেকট্রিক পণ্য।   

আমদানি যন্ত্রাংশের বিভিন্ন অংশ জোড়া দেয়া ও দেশে উৎপাদিত পণ্যের মান নিয়ে শুরুতে নানা প্রতিকুল অবস্থা থাকলেও পরবর্তীতে পন্যের গুনগত মান বাড়লে সেই কঠিন বাস্তবতা পাল্টাতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে দেশে বিদেশ থেকে আনা যন্ত্রাংশ যুক্ত করে তৈরি ইলেক্ট্রনিক পণ্যের কদর বাড়তে থাকে।

এই সম্পর্কিত আরো খবর

নানা প্রতিবন্ধকতায় সব ইপিজেড কাঙ্খিত ভূমিকা রাখতে পারছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিসংখ্যান ইপিজেডের সাফল্যের গল্প বললেও এ ধরনের সব অঞ্চল সেই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ৮টি ইপিজেডের মধ্যে শিল্পের...

শ্রমিক অসন্তোষ মুক্ত ইপিজেড, শিল্প বিকাশে সম্ভাবনাময় এলাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রমিক অসন্তোষ দেশের শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে বড় চ্যলেঞ্জ। তবে ইপিজেডগুলো এই সংকট থেকে মুক্ত বললেই চলে। দিন দিন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is