ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-19

, ৮ মহাররম ১৪৪০

মার্চে উৎক্ষেপণ হতে পারে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

প্রকাশিত: ০৭:১৫ , ২৯ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ১০:২৮ , ২৯ নভেম্বর ২০১৭

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: আগামী বছর মার্চে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ। বুধবার টেলিযোগাযোগ খাতের প্রতিবেদকদের সংগঠন টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (টিআরএনবি) সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নির্মাণকাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। সম্প্রতি ফ্রান্সে গিয়ে সম্পূর্ণ নির্মিত স্যাটেলাইটটি আমরা দেখে এসেছি। উৎক্ষেপণের এক মাস আগে স্যাটেলাইটটি ফ্রান্স থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে। মার্চের কোনো এক সময়ে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে উৎক্ষেপণের সম্ভাবনা রয়েছে।’

এদিকে সচিবালয়ে স্যাটেলাইটটির উৎক্ষেপণে বিলম্বের কারণ সাংবাদিকরা জানতে চাইলে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, ফ্লোরিডায় ‘ইরমা’ ঝড়ের কারণে শিডিউলের সমস্যা হয়েছে। এসময় তিনি বলেন, “আমাদের স্যাটেলাইটের নির্মাণ কাজ শতভাগ সম্পন্ন ও হস্তান্তরও হয়ে গেছে। শিপমেন্ট শুরু হয়ে গেছে। অর্থাৎ এটি এখন লঞ্চিং প্যাডে চলে যাবে।”
 
আর উৎক্ষেপণের চূড়ান্ত দিন-তারিখ প্রসঙ্গে তারানা হালিম বলেন “আমি মনে করি বিষয়টি আমাদের আর একটু বিশ্লেষণ করে একেবারে সঠিক মাসটি যেন আপনাদের বলতে পারি। ফেব্রুয়ারি টু মার্চ তারা একটা উইন্ডো দিয়েছে। আমরা আরও নির্দিষ্ট করে দিতে চাই, দোয়া করবেন যেনো আর কোনো ঝড়-ঝঞ্ঝা না হয়।”
 
উল্লেখ্য, বিটিআরসির তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট তৈরির নির্মাণকাজ মোট তিনটি ধাপে চলছে। এগুলো হলো স্যাটেলাইটের মূল কাঠামো তৈরি, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ও ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণের জন্য গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি। এর মধ্যেই স্যাটেলাইট তৈরির কাজটি শেষ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানো হবে। স্যাটেলাইট ওড়ানোর কাজটি বিদেশে হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশ থেকেই। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন (ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা) তৈরির কাজ চলছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে দুই হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে এক হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। আর ঋণ হিসেবে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি দিচ্ছে বাকি এক হাজার ৬৫২ কোটি টাকা।

এই বিভাগের আরো খবর

হঠাৎ ব্রেক ফেল?

ডেস্ক প্রতিবেদন:  কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই গাড়ির ব্রেক ফেল হয় বলে এর ঝুঁকি অনেক বেশি। ব্রেক ফেল করে কখনো কখনো প্রাণহানির ঘটনার খবর শোনা যায়।...

৫ ক্যামেরার ফোন আনছে নোকিয়া!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: পাঁচ ক্যামেরার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন আনতে পারে নোকিয়া, ডিভাইসটির ফাঁস হওয়া ছবিতে এমনটাই দেখা গেছে। চলতি বছরের...

রঙিন এক্স-রের উদ্ভাবন; চিকিৎসা বিজ্ঞানে যুগান্তকারী আবিষ্কার

ডেস্ক প্রতিবেদন: চিকিৎসা বিজ্ঞানের জগতে এক যুগান্তকারী আবিষ্কার করলেন নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা। রঙিন এক্স-রের উদ্ভাবন করলেন তাঁরা।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is