ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮, ৪ ভাদ্র ১৪২৫

2018-08-18

, ৬ জিলহজ্জ ১৪৩৯

স্বাধীনতার ৪৬ বছর

বিতর্কের উর্ধ্বে উঠতে পারেনি শিক্ষার মান ও পদ্ধতি

প্রকাশিত: ১০:২০ , ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০১:১৪ , ১০ ডিসেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীন বাংলাদেশে শিক্ষা মৌলিক অধিকারের মর্যদা পায়। যদিও এ নিয়ে বঞ্চনার বাস্তবতা দীর্ঘ। শিক্ষা ক্ষেত্রে নিরক্ষরতা দূরীকরণে পরিসংখ্যানগত উন্নতি ৪৬ বছরে অনেক। তবে বিজয়ের ৪৬ বছরেও শিক্ষার মান ও পদ্ধতি বিতর্কের উর্ধ্বে উঠতে পারেনি। একমূখী শিক্ষার যে মৌলিক চিন্তা স্বাধীনতার পরই ছিল, তা বাস্তবায়ন হয়নি আজও বরং শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণহীন ও রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক স্বেচ্ছাচারিতা ও নোংরা চর্চার শিকার। সুশৃঙ্খল ও সুবিন্যস্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরিবেশ বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর আগে চান দেশের বরেণ্য শিক্ষা গবেষক ও চিন্তাবিদরা।

একাত্তরে বিজয়ের পর বাহাত্তরে প্রনীত সংবিধানে ৫টি মৌলিক অধিকারের মধ্যে শিক্ষাকে গণ্য করা হয়। পাকিস্তানী শাসকরা ভীত ছিল বাঙালী শিক্ষক-শিক্ষার্থী-বুদ্ধিজীবি সমাজকে নিয়ে। একাত্তরে পাকিস্তানী হানাদারদের সর্বপ্রথম লক্ষবস্তু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে বধ্যভূমি। পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীদের। মেধাশূণ্যতার মুখেও স্বাধীনতার মাত্র আড়াই বছরে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে কুদরত-ই-খুদা কমিশন শিক্ষানীতি প্রনয়ণ করে। যা বড় অর্জন হলেও বাস্তবায়ন হয়নি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর। সেই থেকে রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতার শিকার হয় শিক্ষা খাত, সরকার পাল্টালে পাল্টেছে শিক্ষানীতি।

নানা হোঁচট খেলেও শিক্ষার মূল লক্ষ্য অর্জনের পথেই দেশ আছে এবং সবার মাঝে শিক্ষার চাহিদা তৈরি হওয়া এবং মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষায় নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণসহ বেশ কিছু বড় অর্জন রয়েছে বলে মনে করেন গবেষকরা।

শিক্ষার চাহিদা বাড়লেও গুণগত মান অর্জনে আছে আক্ষেপের জায়গা। ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারার শিক্ষায় যুক্ত করা, প্রতিবন্ধিদের জন্য সমান সুযোগ ও যথার্থ পাঠ্যসূচি তৈরির দূর্বলতা শিক্ষায় পরিপূর্ন লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা। আগামী ক’বছরে বর্তমান শিক্ষানীতির আলোকে পরিকল্পিত ও পরিমার্জিত শিক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিত হলেই বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব মধুময় শিক্ষা খাতের জন্য।

সুশিক্ষার আলোয় সমাজকে আলোকিত করতে রাজনৈতিক সহনশীল পরিবেশ বিশেষ জরুরি, বলে জানালেন শিক্ষা গবেষকরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

অর্থ সংকটে চামড়া কেনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ট্যানারি মালিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : চামড়ার আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের গত বছরের চামড়ার দাম এখনও পরিশোধ করেনি ট্যানারি মালিকরা। এতে এবার চামড়া কেনা নিয়ে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is