ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১ পৌষ ১৪২৪, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
চির নিদ্রায় শায়িত চট্টল বীর মহিউদ্দিন চৌধুরী মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে চট্টগ্রামে শোকের ছায়া মানুষের অন্তরে মহিউদ্দিন চৌধুরী জননেতা হিসেবেই বেঁচে থাকবেন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা মহিউদ্দিন চৌধুরী মহান বিজয় দিবস উদযাপনে দেশজুড়ে নানা আয়োজন  সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বারবার হোচট খেয়েছে বাংলাদেশ নাটোরে চালু হয়নি কৃষকদের ৫টি শস্য মার্কেট কুমিল্লায় বাস চাপায় নিহত দুই রংপুর সিটি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ মুহূর্তে জমজমাট রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ টি-টেন ক্রিকেট লিগে কেরেলা কিংসের জয় হাসপাতালে জনবল-শয্যার অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত ঝিনাদহের নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুরা পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে সৌদি বাদশাহর স্বীকৃতি নির্বাচনের আগে সংস্কারের জন্য ৩১ প্রস্তাবনা চূড়ান্ত  নেপালে নির্বাচনে বামপন্থী জোটের জয় চট্টগ্রামে রেডকিন সমাধিতে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর শ্রদ্ধা ত্রিদেশীয় ও বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা রংপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে টাঙ্গাইলে ৩০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট  থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শতকোটি টাকার ইয়াবা বাণিজ্য

রাজধানীর কুইন মেরি কলেজের চেয়ারম্যানের বিশাল সিন্ডিকেট

প্রকাশিত: ১০:২৩ , ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৫:৪২ , ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষানুরাগীর পরিচয়ে রাজধানীতে ইয়াবা ব্যবসার বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলো কুইন মেরি কলেজের চেয়ারম্যান শাহ জামাল। রাজধানীর ষোলটি এলাকার অন্তত ২২ জন ব্যবসায়ীকে নিয়মিত ইয়াবা সরবরাহ করত সে। অল্প সময়ে হয়েছে শত কোটি টাকার মালিক। প্রগতি স্বরণীতে কুইন মেরি কলেজের অষ্টম তলায় নিজ মালিকানাধীন ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসা পরিচালনা করতো শাহ জামাল। সম্প্রতি ইয়াবা সরবরাহ করতে গিয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে ধরা পড়ে শাহ জামাল।

রাজধানীর প্রগতি স্বরণীর কুইন মেরি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শাহ জামাল। একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে উঠলেও এই পরিচয়ের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াবা ব্যবসা করে আসছিলো সে। গত ২ ডিসেম্বর রাতে ভাটারার জগন্নাথপুর এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে শাহ জামাল। তার প্রাইভেটকার তল্লাশী করে ১ হাজার ৬শ’ পিস ইয়াবা জব্দ করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। পরে কুইন মেরি কলেজ ভবনের অষ্টমতলায় তার মালিকানাধীন ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে আরো ৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। জেল হাজতে পাঠানো হয় শাহ জামালকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজারের আইয়ুব ও আজিজ নামের দু’জন ব্যবসায়ীর মাধ্যমে ইয়াবার চালান ঢাকায় আনতো শাহ জামাল। সেগুলো রাখতো কুইন মেরি কলেজের অষ্টম তলার ফ্ল্যাটে। এরপর নিজেই বিলাসবহুল গাড়িতে করে রাজধানীর ষোলটি এলাকার ২২জন ইয়াবা ব্যবসায়ীর কাছে সরাসরি সরবরাহ করতো।

এই চক্রের সদস্যরা হল- রাজধানীর দক্ষিণ খানের হানিফ ও শিকদার, আমিন বাজারের শহিদুর রহমান, বাসাবো কদমতলার নূর মোহাম্মদ, সাভারের মোহাম্মদ জালাল, বাড্ডার সঞ্জিত মাঝি, মীরবাগের  মো. শাকিল, গেন্ডারিয়ার রাসেল, ভাটারার জামাল হোসেন, রুবেল ব্যাপারী ও সুমন মিয়া, হাজারীবাগে লিপি রহমান ও মাইনউদ্দিন, নিউমার্কেট এলাকায় আসমা আহমেদ ডালিয়া, এলিফেন্ট রোডে মো. রবিউল ইসলাম, পশ্চিম রাজাবাজারে মনোয়ার বেগম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পাড়ার কলিমউদ্দন ওরফে হৃদয় ও কামাল হোসেন, সেগুনবাগিচার আজিম হাওলাদার, দনিয়ার মহিউদ্দিন ইসলাম এবং বংশালের নবাবপুরের দুলাল চন্দ্র শীল ও নাসির উদ্দিন।

এদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। শাহ জামালের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর ইয়াবা বিক্রেতা চক্রের রাঘব বোয়ালদের ব্যাপারেও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে বলে জানান অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুকুল জ্যোতি চাকমা।

এ ব্যাপারে কথা বলতে কুইন মেরি কলেজে গেলে দায়িত্বশীল কেউই কথা বলতে রাজি হননি। তবে শাহ জামাল, কলেজে অনিয়মিত ছিলো বলেই জানা গেছে। যদিও কলেজ ভবনের উপরের ফ্ল্যাটে ছিলো নিয়মিত যাতায়াত।
 
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের এ ধরনের কার্যকলাপে জড়িত থাকাটার বিষয়টি উদ্বেগ ও লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

স্বাধীনতার ৪৬ বছর

সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ চান বিশ্লেষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের ধারণাটি অনেক বিস্তৃত ও ব্যাপক, যেই খাত বিজয়ের ৪৬ বছরে অনেক সাফল্যের মাঝেও বড় ম্লান।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is