ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-18

, ৫ জিলকদ্দ ১৪৩৯

নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক যেন মরণ ফাঁদ

প্রকাশিত: ০৭:০৬ , ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৮:১৫ , ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭

নাটোর প্রতিনিধি: উত্তরাঞ্চলের সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগের মাধ্যম নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক দিন দিন হয়ে উঠছে মরণ ফাঁদে। মাত্র ১৮ ফুটের সরু রাস্তা ও আর প্রশাসনের সঠিক নজরদারির অভাবে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। গতমাসে এই সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন। এদিকে, গাইবান্ধায় দুই দফা বন্যায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ ও কালভার্ট ভেঙে পড়ার তিন মাস পর ভোগান্তি কমেনি দুর্গত এসব এলাকার মানুষের।

নামেই নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক। তবে বাস্তবতা ঠিক তার উল্টো। মহাসড়কের প্রশস্ততা যেখানে থাকার কথা ২৪ ফুট, সেখানে এখানে আছে মাত্র ১৮ ফুট। এ মহাসড়কটি দেশের উত্তরাঞ্চলের সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। ৬৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সড়কে প্রতিদিন চলাচল করে হাজারো যাত্রীবাহী পরিবহন। চলতি বছরে এ সড়কে শতাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যাতে নিহত হয়েছে অন্তত ৪০ জন। আর গতমাসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৪ জন।

মহাসড়কটির উন্নয়নে উর্ধ্বতন মহলে প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান সড়ক ও জনপথ বিভাগের এই কর্মকর্তা।

এদিকে, চলতি বছর বন্যায় গাইবান্ধার সদরসহ সাত উপজেলার বিভিন্ন কাঁচা-পাকা সড়ক ও ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে পড়ে। বন্যায় ৮৩ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও ৮১৭ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাসহ ৪২ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ আংশিক নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৩টি ব্রীজ-কালভার্ট।

ক্ষতিগ্রস্ত পাকা রাস্তা ও ব্রীজ কালভার্ট সংস্কারে শিগগিরই কাজ শুরু করার আশ্বাস দিলেন গাইবান্ধা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুল আলম।

এখানকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে জেলার বিভিন্ন রাস্তা দ্রুত নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।

 

এই বিভাগের আরো খবর

গাইবান্ধার ৩৩ কিলোমিটার মরণ ফাঁদ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গাইবান্ধার ৩৩ কিলোমিটার অংশ। গোবিন্দগঞ্জ থেকে ধাপেরহাট এলাকায় প্রতিনিয়তই...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is