ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮, ১২ বৈশাখ ১৪২৫

2018-04-24

, ৮ শাবান ১৪৩৯

সৌদিসহ কয়েকটি দেশে নারী অভিবাসীদের নিরাপত্তায় নতুন প্রকল্প

প্রকাশিত: ০৫:৪১ , ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৫:৪১ , ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: সৌদি আরব সহ কয়েকটি দেশে নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তায় নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, এর ফলে অভিবাসী নারী শ্রমিকদের বাসায় না রেখে বিভিন্ন হোস্টেলে রাখা হবে। সেখান থেকে তারা তাদের কর্মক্ষেত্রে যাতায়াত করবেন।

এর ফলে অভিবাসী নারী শ্রমিকদের উপর নির্যাতনের সম্ভাবনা কমে আসবে বলে আশা করছে বাংলাদেশে অভিবাসী নিয়ে কাজ করে এমন বেসরকারি সংস্থা রামরু।

বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের সরকারি হিসেবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৯ লক্ষ ৬০ হাজার শ্রমিক বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে গেছে। তবে বেসরকারি সংস্থাগুলো বলছে এই সংখ্যা ১০ লক্ষের বেশি। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি শ্রমিক গিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে। এদের বড় একটি অংশ নারী শ্রমিক। যারা মূলত গৃহকর্মী হিসাবে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কাজ করতে গেছেন।

অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠান, রামরু'র প্রধান তাসনিম সিদ্দিকী বলছেন, ‘অভিবাসনের দিক থেকে ২০১৭ সালটি একটি ভালো বছর, কারণ এ বছর ১০ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশির অভিবাসন হয়েছে। এদের অর্ধেকের বেশি গেছেন সৌদি আরবে।’

২০১৭ সালটা অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য কেমন ছিল এই নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে রামরু। সংস্থাটির প্রধান তাসনিম সিদ্দিকী বলছেন, ‘এ বছরে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় নারী শ্রমিকদের পরিবেশেও একটি বড় পরিবর্তন হচ্ছে।’

তিনি বলছেন, ‘নারী শ্রমিকদের উপর গৃহের অভ্যন্তরে নির্যাতন যে পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে তা নয়। তবে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে একটি বড় অগ্রগতি হয়েছে যে, সেখানে কর্মরত নারীদের বাড়িতে না রেখে বিভিন্ন ধরনের হোস্টেল তৈরি করে সেখানে নারী শ্রমিকদের রাখা, সেখান থেকে তাদের কাজে আনা নেওয়া করার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সেটা যদি সফল হয়, নারী যদি গৃহে বন্দী না থাকেন, তাহলে তাদের ওপর যৌন নির্যাতন বা শারীরিক নির্যাতনের সুযোগ কমে যাবে।’

এই বিভাগের আরো খবর

১৪ সাংবাদিক পেলেন ব্র্যাকের অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: অভিবাসনবিষয়ক সংবাদ ও আলোকচিত্রের জন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির পক্ষ থেকে এ বছর ১৪ জন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is