ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮, ৬ কার্তিক ১৪২৫

2018-10-21

, ১০ সফর ১৪৪০

ফেলে দেয়া প্লাস্টিকের বোতলের ব্যবহার

নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রের আবিস্কার

প্রকাশিত: ১০:০৬ , ০৮ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ০৫:১৮ , ০৮ জানুয়ারী ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফেলে দেয়া প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রের আবিস্কার করেছেন চিকিৎসক জোবায়ের চিশতী। এই উদ্ভাবনে ভেন্টিলেটর দিয়ে ব্যয়বহুল চিকিৎসায় দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা। ইতিমধ্যে প্রায় এক হাজার শিশুর চিকিৎসা দেয়া হয়েছে এ যন্ত্রের মাধ্যমে। এর বহুল ব্যবহার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু মৃত্যুহার রোধ করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের। উন্নয়নশীল কয়েকটি দেশও এ যন্ত্র ব্যবহারে আগ্রহ দেখিয়েছে।

আন্তর্জাতিক উদারাময় গবেষণা কেন্দ্র আইসিডিডিআরবি’র তথ্যমতে, দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়। গেলো বছর প্রায় ১৭ হাজার শিশু মারা গেছে নিউমোনিয়ায়। প্রদাহের কারণে তরল জমে কর্মক্ষমতা হারায় ফুসফুস। কমে যায় অক্সিজেন গ্রহণের ক্ষমতা। এ অবস্থায় ভেন্টিলেটর দিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয় রোগীদের। কিন্তু এ রকম একটি যন্ত্রের দাম প্রায় ১৫ হাজার ডলার। যা দেশের সবকটি হাসপাতালে নেই। চিকিৎসা দিতেও প্রয়োজন দক্ষ জনবলের এবং ব্যয়বহুলও।

এমন অবস্থায় সুখবর এনেছে চিকিৎসক জোবায়ের চিশতীর একটি আবিস্কার। প্রায় ২০ বছর গবেষণা চালিয়ে ফেলে দেয়া শ্যম্পুর বোতল থেকে এমন এক যন্ত্র আবিস্কার করেছেন যা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুর শ্বাস নিতে সহায়তা করবে। কিভাবে কাজ করে বাবল সিপেপ নামের এ যন্ত্র তার ব্যাখ্যা করলেন ডাক্তার জোবায়ের চিশতী।

তিনি বলেন, প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে এর ব্যবহার করে অভূতপূর্ণ সাফল্য পান তারা। কম খরচের এই যন্ত্র সরকারি হাসপাতালগুলোতে চালু করতে পারলে চিকিৎসা ব্যয় ও শিশু মৃত্যুর হার- দুই-ই কমবে বলে আশাবাদী তিনি।

এরই মধ্যে শ্রীলংকা, ইথিওপিয়া, নেপাল, মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশ এ যন্ত্র ব্যবহারের আগ্রহ দেখিয়েছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is