ঢাকা, শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫

2019-01-20

, ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

পৌষের শীতে কাঁপছে দেশ

৫০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড

প্রকাশিত: ১০:১৪ , ০৮ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ০১:৫৪ , ০৯ জানুয়ারী ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: হাঁড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ। তীব্র শৈত্যপ্রবাহে গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে উত্তরের কয়েক জেলার তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৩ এর নিচে। এরমধ্যে, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও পঞ্চগড়ের তেতুরিয়ায় ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও, কয়েক জেলায় তাপমাত্রা নেমে যায় ৩ ডিগ্রিতে। তীব্র শীতে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও চুয়াডাঙ্গায় শীতজনিত রোগে গত কয়েকদিন ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী দু’দিনের মধ্যে অবস্থার উন্নতি হবে। 

উত্তরের হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় সূর্যের দেখা খুব একটা মিলছে না। মাঝে মধ্যে যা-ও বা উঁকি দিচ্ছে তাতে নেই উত্তাপ। হাঁড়কাপানো শীতের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে উত্তরের জনপদে। শীতে হতদরিদ্র ও ছিন্নমুল মানুষের বাড়ছে দুর্ভোগ।

দিনের বেলায়ও সড়কের বাতিগুলো জ্বলছে, কুয়াশা আচ্ছন্ন করে রেখেছে চারপাশ। কয়েক হাত দূরেও ঠিকমতো দেখা যায় না। খুব সাবধানে চলছে যানবাহন। এমন চিত্র দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারীতে। সোমবার সকালে এই জেলার তাপমাত্রা কমে ২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমে আসে বলে জানায় স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। তবে, ঢাকার আবহাওয়া অফিস বলছে, সেখানকার সর্বনিু তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

পঞ্চগড়েও ঘন কুয়াশা আর প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। সূর্যের দেখা যেমন মিলছে না, তেমনি শীতে কাবু এ অঞ্চলের মানুষ। সর্বনিু তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে, কুড়িগ্রামে সোমবার সকালে তাপমাত্রা ৩ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমে আসে। কনকনে ঠান্ডা ও উত্তরের হাওয়ায় ঘর থেকে বের হতে পারছে না মানুষজন। সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। গত ১ সপ্তাহে শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রার তারতম্য না থাকায় কাজে বের হতে পারছে না শ্রমজীবী মানুষজন।

দিনাজপুরেও ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে তাপমাত্রা। গত কয়েক বছরের শীত মৌসুমে দিনাজপুরের এটিই সর্বনিু তাপমাত্রা। প্রচন্ড ঠান্ডায় কাজ করতে পারছেনা শ্রমজীবী মানুষজন। বিশেষ করে নির্মান ও কৃষি শ্রমিকরা পড়েছে চরম বিপাকে। 

নওগাঁতেও তাপমাত্রা কমে ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমে আসে। এছাড়া, রাজশাহী ও জয়পুরহাটে গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ৩ থেকে ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে। 

শীতের কারণে জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা, যার অধিকাংশই শিশু ও বয়স্ক। 

তবে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সূর্যের দেখা মেলার পাশপাশি, এই অবস্থার আরো উন্নতি হতে পারে বলে মনে করছে আবহাওয়া অফিস। 

 

এই বিভাগের আরো খবর

শীতে কাহিল উত্তরের জনপদ

ডেস্ক প্রতিবেদক : তীব্র শীতে বিপর্যস্ত দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের জনজীবন। সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা...

উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের উত্তরাঞ্চলে কনকনে শীত জেঁকে বসেছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায় ব্যহত হচ্ছে এ অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is