গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে সারাবিশ্বে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ আপডেট: ০৮:৩৮, ২৯ মার্চ ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালি জাতির ওপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর নৃশংসতাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ে বন্ধু রাষ্ট্রসহ সারাবিশ্বে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ করেছেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। পাশাপাশি ১৯৫ পাক সেনা কর্মকর্তার মধ্যে জীবতদের গণহত্যার বিচারের জন্য ফেরত চাওয়া হবে বলে জানান আইনমন্ত্রী আসিনুল হক।

বুধবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ-বিআইআইএসএস ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের সচিব, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, বর্তমান ও সাবেক রাষ্ট্রদূত, মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষাবিদ এই সেমিনারে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশের নিরীহ মানুষের উপর গণহত্যা চালায় পাকসেনা ও তাদের দোসর।

বিশ্বের অন্যান্য দেশে সংগঠিত গণহত্যার স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাদেশও ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এখন গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে তৎপরতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সুপারিশও তুলে ধরেন তারা।

আইনমন্ত্রী বলেন, পাক সেনাদের বিচার করা হবে এই শর্তে তখন পাকিস্তানের কাছে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু সেই শর্ত তারা রক্ষা করেনি। তাছাড়া ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ায় ওইসব যুদ্ধাপরাধীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেবে বলেও জানান তিনি।

পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যাবে না এমন কথা যারা বলেন তাদের সাথে দ্বিমত পোষন করে আইনমন্ত্রী বলেন, চুক্তি অনুযায়ী পাক সেনাদের বিচারের দায়িত্ব ছিল পাকিস্তানের। তবে তা না করায় ঐসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা বাংলাদেশের দায়িত্ব হয়ে দাড়িয়েছে।