ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৮, ৬ মাঘ ১৪২৪, ২ জুমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব, জুমার নামাজে লাখো মুসল্লি ৭৫ উর্ধ্ব প্রবীণ কারাবন্দিদের মুক্ত করার উদ্যোগ সংস্কার হয়নি চট্টগ্রাম মহানগরীর ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সরকারের কারণেই ডিএনসিসি নির্বাচন ভণ্ডুল: বিএনপি এক জঙ্গি চট্টগ্রামের নাফিস তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান স্পিকারের ফরিদপুরে কাভার্ডভ্যানের সাথে সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের দু’আরোহী নিহত  ‘ফ্রিডারিকে’ তাণ্ডবে বিপর্যস্ত উত্তর ইউরোপ রংপুরে দগ্ধ আরো দু’জনের মৃত্যু  অস্থির সবজির বাজার, ঝাঁঝ কমেছে পেঁয়াজের স্প্যানিশ কোপা ডেল’রে ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদের জয়  খালেদা মামলার কার্যক্রম ব্যাহত করেছেন: হাছান মাহমুদ শ্রীলংকাকে রেকর্ড ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ ঢাকা আঞ্চলিক গণিত উৎসব অনুষ্ঠিত উখিয়া ক্যাম্পে বন্য হাতির আক্রমণে রোহিঙ্গার মৃত্যু মজুরি বোর্ড গঠনকে ইতিবাচক দেখছেন পোশাক শ্রমিকরা টঙ্গীতে জোড়া খুনের ঘটনায় ৫ জন গ্রেফতার ডিসেম্বরের মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মাণের চেষ্টা চলছে অসুস্থ আইভী ল্যাব এইডে ভর্তি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেন ১৫৫ জন

বাচ্চাদের ডায়রিয়া হলে কী করবেন?

প্রকাশিত: ০৫:৫৮ , ১০ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ০৫:৫৮ , ১০ জানুয়ারী ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন:  বাচ্চাদের জন্য ডায়রিয়া একটি মারাত্মক রোগ। আর শীতকালে সহজেই এই রোগে আক্রান্ত হয় শিশুরা। ডায়রিয়ার সবচেয়ে বড় জটিলতা হচ্ছে পানিশূন্যতা। পানিশূন্যতা হলে শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে। এমনকি এ রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু মারাও যেতে পারে।

লক্ষণ
ডায়রিয়ার কিছু বিপজ্জনক লক্ষণ আছে যা সবার জানা প্রয়োজন। এর কোনো একটা লক্ষণ দেখামাত্র চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। লক্ষণগুলো হচ্ছে-
১. শিশুর নিস্তেজ হয়ে পড়া,
২. চোখ বসে যাওয়া,
৩. বুকের দুধ টেনে খেতে না পারা,
৪. অন্য কোন তরল খাবার না খাওয়া বা খুব কম পরিমাণে খাওয়া,
৫. বারবার বমি করা।

করণীয়
১. ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুর শরীর থেকে পানি বের হয়ে যাওয়ায় পানিশূন্য হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। ফলে শিশুকে বারবার তরল খাবার যেমন: ডাবের পানি, চিড়ার পানি, ভাতের মাড়, টক দই ও লবণ-গুড়ের শরবত ইত্যাদি বেশি করে খেতে দিতে হবে।

২. তরল খাবারের পাশাপাশি খাওয়ার স্যালাইন দিতে হবে। শিশুর ওরস্যালাইনের পরিমাণ হচ্ছে, প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ২৪ মাসের কম বয়সী শিশুর জন্য ৫০-১০০ মিলি, ২-১০ বছর বয়সী শিশুর জন্য ১০০-২০০ মিলি এবং ১০ বছরের অধিক বয়সীদের জন্য চাহিদা অনুযায়ী।

৩. যেসব শিশু বুকের দুধ খায় তাদেরকে বারবার বুকের দুধ দিতে হবে।

৪. শিশু যদি বমি করে তাহলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার খাওয়াতে হবে।

৫. তাজা ফলের রস দিলে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ হবে।
৬. ডায়রিয়া ভাল হয়ে গেলেও পরবর্তী দুই সপ্তাহ শিশুকে এরকমভাবে বাড়তি খাবার প্রতিদিন দিতে হবে।

৭. চিকিৎসক এর পরামর্শ ব্যতীত কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোন ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না (যেটা অনেক বাবা মা করে থাকেন)।

মনে রাখতে হবে, ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতার কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যুর হার এখনো অনেক বেশি। কিছু সামাজিক কুসংস্কারের কারণে আক্রান্ত শিশুকে সঠিক ভাবে পরিচর্যা করা হয় না বলেই আমাদের দেশের চিত্রটা এমন। কিন্তু সঠিক জ্ঞান থাকলে ঘরে থেকেই ডায়রিয়া জনিত পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তরা মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে কাল আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকার উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজে ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে ভর্তি হওয়া ৫৭ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে...

গাজর ওজন কমায়

ডেস্ক প্রতিবেদন: ওজন কমানোর জন্য কত কী করছেন। কখনও জিমে ছুটছেন। কখনও কঠিন ডায়েট করছেন।  কিন্তু ওজন কমার বদলে, বেড়েই যাচ্ছে! কিন্তু জানেন কি?...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is