ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-26

, ১৫ মহাররম ১৪৪০

এগিয়ে আসছে নতুন উদ্যোক্তা

প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শতরঞ্জি শিল্পের সুদিন

প্রকাশিত: ১২:৩০ , ১২ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ০৪:২৩ , ১২ জানুয়ারী ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: এই জনপদের কারুশিল্পের ঐতিহ্যের একটি নিদর্শন শতরঞ্জি। প্রায় বিলুপ্তির পথ থেকে ফিরেছে নতুন জীবন-যৌবনে। রং ছড়াচ্ছে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে। দেশের নানা অঞ্চলে শতরঞ্জি তৈরির আদি ঐতিহ্য থাকলেও শতরঞ্জির নবজীবন রংপুরে সবচে রঙিন। বহুশত বছর আগে উত্তরাঞ্চলের তীব্র শীত নিবারণের জন্য মোটা সুতা দিয়ে তৈরি চাদর থেকে প্রচলন ঘটে শতরঞ্জির। এদেশে আসা পারস্য এবং ইরানের কারিগররা নকশায় বৈচিত্র্য আনেন। একদা রাজ দরবারের আভিজাত্যের অংশ শতরঞ্জি এখন সাধারণেও জনপ্রিয়। 

বর্ণিল ও বাহারি নকশার কারুশিল্প শতরঞ্জির প্রচলন উত্তরের জনপদ রংপুরে। ইরানী শতরঞ্জ না-কি বাংলা শতরঙ্গ শব্দ  থেকে শতরঞ্জি নাম এসেছে তা নিয়ে আছে মতান্তর। মোঘল আমলে দাবা খেলাতে গালিচার প্রচলন ছিলো, যা শতরঞ্চি নামেও ছিল পরিচিত। পারস্যে পশুর লোম থেকে কার্পেট বুননের চর্চা থেকে আসে শতরঞ্জির ধারা।

উত্তরের মানুষ আদিতে শীত নিবারনের জন্য মোটা সুতার চাদর ও কার্পেট তৈরি করতো। সেগুলোতে দেশের উৎপদিত পাট ও তুলার ব্যবহার ছিল। বুনন ও নকশার বিবেচনায় শতরঞ্জির সাথে ভারত উপমহাদেশের নানা  অঞ্চলের মানুষের তাঁতের সাথে কিছু মিল পাওয়া যায়।  

১৮৭৬ সালের এক গবেষণা বলছে, বৃটিশ আমলে উনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে রংপুর জেলার তৎকালীন কালেক্টরেট লর্ড নিশবেত এ শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করেন, যা শতরঞ্জির অগ্রযাত্রায় বড় সহায়ক হয়েছিল।

শতরঞ্জিতে ব্যবহৃত তাঁত এই বাংলার উদ্ভাবিত। শুরুতে একটিমাত্র নকশা করতে পারতেন কারিগররা। যা ইটকাঠি নামে পরিচিত। দাবার গুটি রাখার জন্য এই নকশা,  পরে আসে বৈচিত্র।

শতরঞ্জি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি সময় ও কষ্ট সাপেক্ষ। ফলে অতীতে দাম ছিলো সাধারণের নাগালের বাইরে। একসময় বিলুপ্তির পথে শতরঞ্জির বর্তমান বড় পৃষ্ঠপোষকরা রংপুরের মানুষ, শতরঞ্জিকে সাধারণের মাঝে জনপ্রিয় করছেন।  

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is