ঢাকা, সোমবার, ২৮ মে ২০১৮, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

2018-05-27

, ১২ রমজান ১৪৩৯

শতরঞ্জির ব্যবহার বেড়েছে, আধুনিকায়নে এসেছে উন্নয়ন সংস্থা

প্রকাশিত: ১২:৩৫ , ১২ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ১০:৩৫ , ১২ জানুয়ারী ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাচীন ঐতিহ্য শতরঞ্জি একবার উনিশ'শ সাতচল্লিশে ভারত ভাগের সময়, আরেকবার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। ব্যহত হয় এর অগ্রযাত্রা। স্বাধীনতার পর ক্ষুদ্র ও  কুটির শিল্প কর্পোরেশন, বিসিক-এর শতরঞ্জি বাঁচানোর উদ্যোগ ছিল ইতিবাচক, কিন্তু একসময় তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের হাত ধরে তা আবারো প্রতিষ্ঠা পায়। এ শিল্পের কাজে ফেরে বহু কারিগর। দেশীয় তাঁতের সাথে যুক্ত হয় আধুনিক যন্ত্র। উদ্বুদ্ধ করে আরও উদ্যোক্তাকে, ধীরে ধীরে প্রসার ঘটে শতরঞ্জির।

রংপুরের ঘাঘট নদীর পাড় ধরে নিশবেতগঞ্জ গ্রাম। যেখানে বংশ পরম্পরায় শতরঞ্জির কাজ করেন কারিগররা। তাদের একজন আশিউর্দ্ধ রমজান আলী। ১৮ বছর বয়স থেকেই শতরঞ্জির কাজ শুরু করেন তিনি। বাবার কাছে শিখেছিলেন শতরঞ্জি বুননের  কৌশল।

বংশের কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এখনো এই শিল্পে যুক্ত ফারুক হোসেন। পুরোনো নকশার পাশাপাশি আনছেন নতুন নকশা।

১৯৪৭-এ ভারত ভাগের সময় এ শিল্প বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। বহু উদ্যোক্তা ও কারুশিল্পী চলে যান ভারতে। পরের ধাক্কাটি আসে ১৯৭১ সালে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাদের আক্রমণে সুতোর কল-কারখানা পুড়ে যাওয়ায় সংকটে পড়েন উদ্যোক্তারা।

স্বাধীনতার পর দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন এর দায়িত্ব নেয়। প্রথমে নারী পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং পরে তৈরি হয়  নৈপুন্য বিকাশ কেন্দ্র। যেখান থেকে আলোর মুখ দেখতে শুরু করে এ শিল্প।


বেসরকারি উদ্যাক্তাদের হাত ধরে নতুন জীবন পাওয়া শতরঞ্জি এখন হয় তিন ধরনের। কটন সুতার পাশাপাশি মখমল বা স্যানেলের হয়, আবার গার্মেন্টসের ঝুট থেকেও সুতা তৈরি করে উৎপাদন হচ্ছে।

এ শিল্পের বিকাশের ফলে রংপুরে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেক নারী-পুরুষের। বিশেষ করে দরিদ্র নারীরা ঘরের কাজের পাশাপাশি শতরঞ্জির কাজ করে হচ্ছেন সাবলম্বী। তাদের দেখে উদ্ধুদ্ধ অন্যরাও।

রংপুরের আশে-পাশের জেলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে শতরঞ্জি তৈরির কারখানা। একই ধরণের সুতা দিয়ে তৈরি হচ্ছে  টেবিলম্যাট, ওয়ালম্যাট, ব্যাগ ও পাপসের মতো বাহারি সামগ্রী।

এই বিভাগের আরো খবর

নিরাপত্তা সংস্থার জন্য নেই নীতিমালা, অপরাধে জড়ানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত তিন দশক ধরে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কাজ করলেও তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য কোনো নীতিমালা তৈরি হয়নি আজও।...

বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে মাত্র তিন দশকে ৭’শর বেশী বাণিজ্যিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সরকারি, বেসরকারি স্থাপনায় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ...

সফটওয়্যার খাতে রয়েছে দক্ষ জনশক্তি আর অবকাঠামো সুবিধার অভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে বিদেশে প্রতি বছরই সফটওয়্যারের বাজার সম্প্রসারণ হচ্ছে ত্রিশ থেকে চল্লি¬শ শতাংশ। ফলে প্রচুর সম্ভাবনা এ খাতে থাকলেও...

সফটওয়্যার রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটশ’ মিলিয়ন ডলারে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষ জনশক্তি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ২০০০ সালে সফটওয়্যার রপ্তানি আয় ছিল যেখানে দুই দশমিক আট মিলিয়ন ডলার, এ বছর তা...

সফটওয়্যার খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে পাঁচ লাখ মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের সফটওয়্যারের অভ্যন্তরীণ বাজার প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের আর বৈশ্বিক বাজার পাঁচ শত বিলিয়ন ডলারের। প্রযুক্তি খাতে গত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is