ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

2018-05-21

, ৬ রমজান ১৪৩৯

প্রতিবছরই বাড়ছে রপ্তানির পরিমাণ

কাগজ রপ্তানি তিন হাজার কোটি টাকার 

প্রকাশিত: ০৯:২৮ , ১৩ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ১২:৫৫ , ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চারটি কাগজ কারখানার তিনটি বন্ধ, মাত্র একটি সচল। তবে বেসরকারি খাতে নব্বইটির বেশি কাগজ কারখানা উৎপাদনে রয়েছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ খাতে যুক্ত রয়েছে প্রায় দশ লক্ষ মানুষ। নানা সাফল্যের আড়ালে আছে সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতার গল্প।

১৯৫৩ সালে প্রথম প্রতিষ্ঠিত কর্ণফুলি পেপার মিল এখনও  চালু। তারপরে প্রতিষ্ঠিত সরকারী পাকশী, খুলনা নিউজপ্রিন্ট ও সিলেট পাল্প এণ্ড পেপার মিল আশির দশকের পর থেকে বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন দাতা সংস্থার পরামর্শ ও চাপে বন্ধ হয়। বেসরকারি খাতে কাগজ শিল্পে আধুনিকায়ন ঘটেছে, যুক্ত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি। তবে অতীতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত সুন্দরবনের গেওয়া, আখের ছোবড়া বা বা শের পরিবর্তে ব্যবহৃত হচ্ছে আমদানি করা রাসায়নিক মণ্ড বা পাল্প। 

দেশীয় কাগজের উৎপাদন ক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে। সরকারী-বেসরকারী মিলিয়ে  লেখার কাগজ, ছাপা ও নিউজপ্রিন্টের কাগজ উৎপাদন হচ্ছে বছরে প্রায় চৌদ্দ লক্ষ মেট্রিক টন, দেশে চাহিদা দশ লক্ষ মেট্রিক টন। কখনও পুরোনো কাগজের পুনঃব্যবহার হচ্ছে নতুন কাগজ উৎপাদনে। জানালেন, পেপার এক্সপোর্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিউল ইসলাম ভরসা ও সিমেক্স প্রিন্টিং ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেওয়ান আলী কবীর।

দেশে উন্নত ও আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং ও প্রিন্টিংয়ের জন্য এখনও বিদেশী কাগজের ওপর নির্ভরশীলতা। ক্যালেণ্ডার, গিফট কার্ড, সিকিউরিটি পেপারের কাগজ আসে বিদেশ থেকে। এ ধরণের উন্নতমানের কাগজ দেশে উৎপাদনের পথে নানা অন্তরায়ের কথা জানালেন বিশেষজ্ঞরা। জানালেন, মিডিয়াকম লিমিটেডের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর আনিসুজ্জামান সোহেল ও প্রকাশক খান মাহবুব। 

তবে এত কিছুর মাঝেও দেশের কাগজমিল মালিকদের জন্য আশা জাগানিয়া খবর দিচ্ছে ঢাকার বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ। 

কাগজ শিল্পের উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা খুব শীঘ্রই তারা উন্নত মানের কাগজ উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে। 

এই বিভাগের আরো খবর

নিরাপত্তা সংস্থার জন্য নেই নীতিমালা, অপরাধে জড়ানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত তিন দশক ধরে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কাজ করলেও তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য কোনো নীতিমালা তৈরি হয়নি আজও।...

বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে মাত্র তিন দশকে ৭’শর বেশী বাণিজ্যিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সরকারি, বেসরকারি স্থাপনায় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ...

সফটওয়্যার খাতে রয়েছে দক্ষ জনশক্তি আর অবকাঠামো সুবিধার অভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে বিদেশে প্রতি বছরই সফটওয়্যারের বাজার সম্প্রসারণ হচ্ছে ত্রিশ থেকে চল্লি¬শ শতাংশ। ফলে প্রচুর সম্ভাবনা এ খাতে থাকলেও...

সফটওয়্যার রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটশ’ মিলিয়ন ডলারে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষ জনশক্তি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ২০০০ সালে সফটওয়্যার রপ্তানি আয় ছিল যেখানে দুই দশমিক আট মিলিয়ন ডলার, এ বছর তা...

সফটওয়্যার খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে পাঁচ লাখ মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের সফটওয়্যারের অভ্যন্তরীণ বাজার প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের আর বৈশ্বিক বাজার পাঁচ শত বিলিয়ন ডলারের। প্রযুক্তি খাতে গত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is