ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-12-11

, ২ রবিউস সানি ১৪৪০

দশ হাজার কোটি টাকার ওপরে বিনিয়োগ

চীনে কাগজ রপ্তানির বিশাল সম্ভাবনা

প্রকাশিত: ১২:১১ , ১৩ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ০২:৪১ , ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের মোট চাহিদার এক চতুর্থাংশ কাগজ উৎপাদনকারী দেশ চীন উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ার বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে দেশটিতে কাগজ রপ্তানী করার। আর কাগজজাত বিভিন্ন পণ্যের বিশ্ব বাজার দিনকে দিন বড় হচ্ছে বলে দেশীয় উদ্যেক্তারা সেখানেও সম্ভাবনা দেখেন।  

 

 
দেশের কাগজ শিল্পে এখন বড় বিনিয়োগ বেসরকারী খাতে, যার পরিমাণ বর্তমানে দশ হাজার কোটি টাকার ওপরে। চৌদ্দ লক্ষ মেট্রিকটন কাগজ দেশে উৎপাদন হলেও উন্নত আরও প্রায় সাত লক্ষ মেট্রিকটন  কাগজ আমদানি করতে হচ্ছে। নতুন বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে যেগুলো ২০১৯ সালে উৎপাদনে গেলে আমদানি নির্ভরতা কমে যাবে বলে শিল্প সংশ্লিষ্টদের আশাবাদ। 

 

কাগজ শিল্প এখন আর শুধু লেখার ও ছাপার কাগজ তৈরিতে সীমাবদ্ধ নয়। এখানে পণ্যের অনেক বৈচিত্র এসেছে। সেগুলোকে বিবেচনায় রেখে এ শিল্পকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সরকারী-বেসরকারী সমন্বিত উদ্যোগ জরুরী বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। 

কাগজ ও কাগজজাত পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে কিছু অসাধুতার অভিযোগও আছে। জানালেন, বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম।

দেশের কাগজ মিলগুলো এখন সম্পূর্ণ বেসরকারী বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল, সরকারী ব্যবস্থাপনায় চলছে শুধুমাত্র কর্ণফুলি কাগজ কারখানা। পরিবেশের ক্ষতির কথা বলে কাগজের উৎপাদন ও ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করার প্রচেষ্টার কথা জানা যায় সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে। 

পরিবেশের ক্ষতি বা কম লাভজনক হওয়ায় ভারত ও চীন কিছু কাগজের মিল বন্ধ করে দিয়েছে। এই বাস্তবতা দেশীয় কাগজকেছ ওই সব দেশের বাজার ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।  

এক টন কাগজ তৈরি করতে প্রায় নব্বই টন পানির প্রয়োজন হয়। যা পূর্ণব্যবহার না করলে ক্ষতি হয় পরিবেশের। তবে মিল মালিকরা দাবি করলেন পরিবেশের ক্ষতি কমাতে তারা প্রয়োজনীয় চর্চা অব্যাহত রেখেছেন কাগজ উৎপাদন প্রক্রিয়ায়।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is