ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০ ফাল্গুন ১৪২৪

2018-02-21

, ৫ জমাদিউল সানি ১৪৩৯

রাজধানীর বাসাবাড়িতে তীব্র গ্যাস সংকট

প্রকাশিত: ০৩:২৪ , ১৬ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ০৪:১৩ , ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতি বছরের মতোই এই শীত মৌসুমে রাজধানীতে আবাসিক বাসা বাড়িতে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। গ্যাসের স্বাভাবিক প্রবাহ না থাকায় নগরবাসীর রান্নাবান্না অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। এক বেলা গ্যাস থাকলে অন্য বেলায় পাওয়া যাচ্ছে না। আবার দিনের অধিকাংশ সময়ই গ্যাসের দেখা মিলছে না কোন কোন এলাকায়। এদিকে সঞ্চালন ও বিতরণের দায়িত্বে থাকা তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ বলছে, শীতের কারণে গ্যাসের চাহিদা ২০ ভাগ বেড়ে যায়। এলএনজি ব্যবহার শুরু হলে আসছে শীতে গ্যাস নিয়ে আর কোন সংকট থাকবে না বলেও জানায় তিতাস কর্তৃপক্ষ। 

অঞ্জলি, থাকেন মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডে। তিনি বললেন, দুই সপ্তাহ ধরে সকালে গ্যাস না থাকায় বাসায় নাস্তা বানানো যাচ্ছে না। হোটেলই ভরসা। দুপুরেও গ্যাস আসে না। তই দুপুরের খাবারও হোটেল থেকে এনে খেতে হয়। বিকেল থেকে গ্যাস আসা শুরু হলেও চাপ এত কম থাকে যে পানি পর্যন্ত গরম হয় না। সন্ধ্যার পর গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়ে আসে। এরপর শুরু হয় রান্না। এভাবেই চলছে দিন।
আপস্
শুধু মোহাম্মদপুর নয়, গ্যাস সংকটে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন রাজধানীর মিরপুর, পল্লবী, কাফরুল, কাজীপাড়া, ইন্দিরা রোড, গ্রীণ রোড, কলাবাগান, শুক্রাবাদ, কাঁঠালবাগান, রাজাবাজার, মগবাজার, মালিবাগ, তেজকুনিপাড়া, পশ্চিম রামপুরা, বাসাবো, আরামবাগ, আর কে মিশন রোড, টিকাটুলী, মিরহাজারীবাগ, যাত্রাবাড়ী, পোস্তগোলা, জাফরাবাদ, লালবাগ,  কেরানীগঞ্জ ও উত্তরার বাসিন্দারা।

গ্যাস সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন বয়স্ক ও শিশুরা। গরম পানি করতে না পারায় শীতের মধ্যে কষ্ট পাচ্ছেন তারা। 

অনেকে ইলেকট্রিক চুলা, ওভেন, হিটার ও এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করে রান্নার কাজ সারছেন। একদিকে গ্যাসের বিল অন্যদিকে, এলপিজি বা হিটার-ওভেনের জন্য বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হিমশিম খাচ্ছেন নগরবাসী।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক জানালেন, রাজধানীতে ২০ লাখ আবাসিক গ্যাস সংযোগ রয়েছে। শীতে গ্যাসের চাহিদা ২০ শতাংশ  বেড়ে যায়। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে গ্যাস সরবরাহে রেশনিং করতে হয়।  

চলতি বছরে এলএনজি ব্যবহার শুরু হলে আসছে শীতে গ্যাস নিয়ে আর কোন সংকট থাকবে না বলেও জানায় তিতাস কর্তৃপক্ষ।
 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is