ঢাকা, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

2018-05-22

, ৭ রমজান ১৪৩৯

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট অসম্ভব বাজে লোক, অত্যন্ত অপদার্থ

প্রকাশিত: ০৬:৩৭ , ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ আপডেট: ০৬:৪০ , ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক:  অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট জোয়েলিককে বাজে লোক ও অপদার্থ। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কার্যালয়ে আজ সোমবার এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের একজন সভাপতি ছিলেন, রবার্ট জোয়েলিক। অসম্ভব বাজে লোক, অত্যন্ত অপদার্থ। সেই অপদার্থটি চাকরির শেষ দিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করল, পদ্মা সেতুতে কোনো একটি পরামর্শক নিয়োগ করার জন্য চক্রান্ত করছি। ঘুষ নেওয়ার চক্রান্ত। ঘুষ-টুষ তো পায় নাই। কিন্তু চক্রান্ত হচ্ছে—সে কথা বলে পদ্মা সেতুর ঋণ বাতিল করে দিল জোয়েলিক। বোর্ডের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই সে কাজটি করল। আমাদের সৌভাগ্য, সেই বদমাশটি সেদিনই বিদায় হয়।’

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এ মন্তব্য করার সময় তাঁর পাশে বসে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা মসিউর রহমান, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের ঋণ বাতিলের ঘটনায় এই তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠার বিষয়টি উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা চারজন জোয়েলিকের চক্রান্তের মধ্যে পড়ে যাই। অবশ্য প্রকাশ্যভাবে পাঁচজন চিহ্নিত হই। প্রথমজন হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। দ্বিতীয় আমি। তৃতীয় সৈয়দ আবুল হোসেন। চতুর্থ মশিউর রহমান। পঞ্চম মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, তিনি ছিলেন যোগাযোগসচিব। বিশ্বব্যাংককে সন্তুষ্ট করার জন্য আমরা অনেক কিছু করেছিলাম।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও আমি যুদ্ধ চালিয়ে যাই। অবশেষে বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রেসিডেন্ট এক থেকে দেড় বছর পর সিদ্ধান্ত বললেন, ঋণ বাতিল করা ভুল ছিল। তবে নতুন করে কিছু শর্ত দিল। তাতে আরও এক বছরের বেশি সময় লেগে যেত। তখন আমরা পদ্মা সেতুর প্রকল্পটি আমরা নিয়ে নিলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, নিজেদের অর্থায়নে করব।’

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘খুশির খবর হলো পদ্মা সেতু নির্মিত হচ্ছে। আগামী বছরের জুনে আপনারা অবশ্যই পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যেতে পারবেন। যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব চেয়েছিলেন চলতি বছরের ডিসেম্বরে কাজ শেষ করতে। তবে সেটি সম্ভব হবে না। কারণ সব কটি স্প্যান এখনো বসে নাই।’

আজকের অনুষ্ঠানে গত বছরের ঢাকা সিটি করপোরেশনের সর্বোচ্চ আয়কর প্রদানকারী ও ঢাকা জেলার কর বাহাদুর পরিবার হিসেবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দেয় এনবিআর। অর্থমন্ত্রীর হাত থেকে সনদ ও ক্রেস্ট নেন সৈয়দ আবুল হোসেন।

 

এই বিভাগের আরো খবর

শিগগিরি এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসান চরে নেয়া হবে- প্রধানমন্ত্রী  

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিগগিরি এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসান চরে স্থানান্তর করা হবে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের আন্ডার...

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আটটি ধারা নিয়ে আপত্তি সম্পাদক পরিষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আটটি ধারা নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে নিজেদের আপত্তির কথা তুলে ধরেছেন গণমাধ্যমের...

অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ আর নেই। উত্তরার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে...

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাধ্য হয়ে অস্ত্র ব্যবহার করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে অপরাধীদের ধরতে আক্রমণের শিকার হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাধ্য হয়ে পাল্টা আক্রমণ বা...

শিল্পায়নে বেসরকারি খাতের উন্নয়নের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের শিল্পায়নের জন্য বেসরকারি খাতের উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি বলেন,...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is