ঢাকা, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

2018-05-22

, ৭ রমজান ১৪৩৯

নিয়ন্ত্রণহীন বেসরকারি চিকিৎসাসেবা : টিআইবি

প্রকাশিত: ০৫:২২ , ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ আপডেট: ০৫:২৯ , ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)  বলেছে, দেশের বেসরকারি চিকিৎসাসেবা খাতে বাণিজ্যিকীকরণের প্রবণতা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ঘাটতি রয়েছে বেসরকারি চিকিৎসাসেবায় সরকারের যথাযথ মনোযোগের । এতে একদিকে এটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে কিছু ব্যক্তির এ খাত থেকে বিধিবহির্ভূত সুযোগ-সুবিধা আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

আজ বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে ‘বেসরকারি চিকিৎসাসেবা : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। গবেষণায় দেশের বিভিন্ন জেলায় নিবন্ধিত ১১৬টি (হাসপাতাল ৬৬টি এবং রোগনির্ণয় কেন্দ্র ৫০টি) বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় বেসরকারি চিকিৎসা খাত সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতি পর্যালোচনা, প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, এসব প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা, বেসরকারি চিকিৎসাসেবার বিপণন–ব্যবস্থা, তথ্যের স্বচ্ছতা, তদারকির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা সুমাইয়া খায়ের, টিআইবির গবেষণা ও পলিসি পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান। গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির প্রোগ্রাম ম্যানেজার তাসলিমা আক্তার এবং ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. জুলকারনাইন।

ফলাফলে দেখা যায়, গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ১১৬টির মধ্যে ৯৭টি প্রতিষ্ঠান পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেয়নি। এ ছাড়া বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধান আইন ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অরডিন্যান্স ১৯৮২’ প্রণয়নের পর এখন পর্যন্ত হালনাগাদ করা হয়নি। এ আইনের কোনো বিধিমালাও করা হয়নি। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় বেসরকারি চিকিৎসাসেবা আইনের খসড়া নিয়ে কাজ করা হলেও তা এখনো আইন হিসেবে প্রণয়ন করা হয়নি।

অনুষ্ঠানে টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি সুলতানা কামাল বলেন, ‘বেসরকারি চিকিৎসা খাতে তদারকির চিহ্ন দেখতে পাই না। সরকার এ ক্ষেত্রে পুরো উদাসীন। সেখানে কি স্বার্থের দ্বন্দ্ব আছে সরকারের? কোনো ধরনের জবাবদিহির সম্মুখীন না হয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যাঁরা তদারকের দায়িত্বে আছেন, তাঁরা তাঁদের কাজ গুরুত্বসহকারে নিচ্ছেন না।’

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী খানার প্রায় সাড়ে ৬৩ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হতে সেবা নেয়। কিন্তু বাংলাদেশে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা উচ্চ মুনাফাভিত্তিক খাত। মালিকেরা বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়েছে। তদারকির অভাব থাকায় সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে উচ্চ মুনাফা আদায়ের সুযোগ রয়েছে।

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

শিগগিরি এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসান চরে নেয়া হবে- প্রধানমন্ত্রী  

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিগগিরি এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসান চরে স্থানান্তর করা হবে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের আন্ডার...

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আটটি ধারা নিয়ে আপত্তি সম্পাদক পরিষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আটটি ধারা নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে নিজেদের আপত্তির কথা তুলে ধরেছেন গণমাধ্যমের...

অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ আর নেই। উত্তরার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে...

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাধ্য হয়ে অস্ত্র ব্যবহার করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে অপরাধীদের ধরতে আক্রমণের শিকার হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাধ্য হয়ে পাল্টা আক্রমণ বা...

শিল্পায়নে বেসরকারি খাতের উন্নয়নের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের শিল্পায়নের জন্য বেসরকারি খাতের উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি বলেন,...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is