ঢাকা, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

2018-05-22

, ৭ রমজান ১৪৩৯

ছয় বছরেও শেষ হয়নি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত

প্রকাশিত: ১০:৩৫ , ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ আপডেট: ১০:৩৫ , ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘ ছয় বছরেও সাংবাদিক দম্পতি- সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ ও র‌্যাব। হত্যাকাণ্ডের কোনো রহস্যও উদঘাটন করতে পারেনি তারা। ছয় বছরে তদন্ত কর্মকর্তা বদল হয়েছে চারবার, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সময় নেয়া হয়েছে ৫৪ বার। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনে তদন্তের ভার অন্য কোন সংস্থাকে দেয়ার পরার্মশ রাষ্ট্রপক্ষের। এদিকে প্রথমদিকে সোচ্চার থাকলেও, অনেকটাই থমকে গেছে সাংবাদিকদের আন্দোলনও।

বন্ধু, ছিচকে চোর, বাড়ির দারোয়ান নাকি অন্য কেউ সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনিকে হত্যা করেছে তা ছয় বছরেও বের করতে পারেনি আইনশৃক্সক্ষলা বাহিনী। এই মামলায় রুনির বন্ধু ও দারোয়ানসহ তালিকাভূক্ত চোর ও ডাকাতরাই এখন পর্যন্ত আটক রয়েছে। প্রথম দিকে চুরির কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে এমন প্রমাণেরও চেষ্টা করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। আর সাংবাদিক দম্পতির একমাত্র ছেলে মেঘ দু’জনকে চেনে বলে যে তথ্য দিয়েছিলো, অজানা কারণে তারা কারা, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি তদন্তকারীরা।

প্রথম থেকে হত্যাকাণ্ডটি চাঞ্চল্যকর হিসেবে নিয়ে পুলিশ, সিআইডি ও ডিবি’র হাত ঘুরে তদন্তের ভার এখন র‌্যাবের কাছে। সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ১৩০ জনের মত সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে তদন্তকারীরা। কিন্তু ছয় বছরে এর ফল শূন্য। তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য আদালত থেকে ৫৪ বার সময় নেয়া হয়। আগামী ১৩ মার্চ আবারো তদন্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলে র‌্যাবকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাইলে, প্রতিবেদন জমা না দেয়া পর্যন্ত গণমাধ্যমে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি র‌্যাব কর্মকর্তারা। তবে দীর্ঘদিনেও প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারাকে র‌্যাবের ব্যর্থতা বলে উল্লে¬খ করেন পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু।

সাংবাদিক দম্পতি হত্যার বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিলো সাংবাদিক সংগঠনগুলো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আন্দোলন থমকে গেছে। কিন্তু সাংবাদিক নেতাদের দাবি- বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।  


২০১২ সালের ১১ই ফেব্র“য়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহরুন রুনি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is