ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১৮, ৬ ভাদ্র ১৪২৫

2018-08-20

, ৮ জিলহজ্জ ১৪৩৯

সোনালী ব্যাংকে ২২০১ জনকে নিয়োগে বাধা দূর

প্রকাশিত: ১২:৩৪ , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ আপডেট: ১২:৩৮ , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: সোনালী ব্যাংকে ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তিনটি পদে ২ হাজার ২০১ জনকে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় আর বাধা রইলো না। ওই নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে দেওয়া স্থিতাবস্থা তুলে নিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীদের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ । আদালতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শেখ ফজলে নূর তাপস ও মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী। অন্যদিকে, লিভ টু আপিলকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু, কামরুল হক সিদ্দিকী, রফিকুর রহমান ও এ এ ম আমিন উদ্দিন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র অফিসার, অফিসার ও অফিসার ক্যাশ পদে নিয়োগের জন্য তিনটি বিজ্ঞপ্তি দেয় সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ । যেখানে পদসংখ্যা ছিল ২ হাজার ২০১। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৪৭৪ চাকরিপ্রত্যাশী নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন । তাঁরা ২০১৪ সালে ৩১ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ১ হাজার ৭০৭টি পদে নিয়োগের জন্য দেওয়া সার্কুলারের ভিত্তিতে আবেদনকারী। রিট আবেদনে ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া পরীক্ষায় অভ্যন্তরীণ তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। তাই রিটকারীরা ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগের আরজি জানান।

রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ২৭ জুলাই হাইকোর্ট রিট আবেদন খারিজ করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীরা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগ এ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেন। লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে আজ আদালত তা খারিজ করে আদেশ দেন।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সরকার বিতর্কিত তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ব্যবহার...

১৫ আগস্টের পর প্রশ্নবিদ্ধ ও কলঙ্কিত করা হয় বিচার বিভাগকে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বিচার বিভাগ সংবিধানের রক্ষক। কিন্তু ১৯৭৫ সালের আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশের বিচার বিভাগ ও সর্বোচ্চ আদালতের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is