ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-19

, ৬ জিলকদ্দ ১৪৩৯

হুমায়ুন ফরীদির মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত: ০২:৪৭ , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ আপডেট: ০২:৪৮ , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশের অভিনয়জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন হুমায়ুন ফরীদি। ২০১২ সালের এই দিনে মাত্র ৬০ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে যান এই জনপ্রিয় অভিনেতা। মঞ্চ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্রে সবখানেই ছিল তাঁর সমান যাতায়াত।

হুমায়ুন ফরীদি ঢাকার নারিন্দায় ১৯৫২ সালের ২৯শে মে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম এটিএম নূরুল ইসলাম ও মা বেগম ফরিদা ইসলাম। চার ভাই-বোনের মধ্যে তাঁর অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।

১৯৬৫ সালে পিতার চাকরীর সুবাদে মাদারিপুরের ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এ ভর্তি হন হুমায়ুন ফরীদি। সেখান থেকেই নাট্য জগতে প্রবেশ করেন এই কিংবদন্তী। তার নাট্যঙ্গনের গুরু বাশার মাহমুদ। তখন নাট্যকার বাশার মাহমুদের শিল্পী নাট্যগোষ্ঠী নামের একটি সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে কল্যাণ মিত্রের 'ত্রিরতœ' নাটকে 'রতœ' রতœ চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে জীবনে সর্বপ্রথম দর্শকদের সামনে অভিনয় করেন। এরপর 'টাকা আনা পাই', 'দায়ী কে', 'সমাপ্তি', 'অবিচার' সহ ৬টি মঞ্চ নাটকে অংশ নেন তিনি। অবশেষে ১৯৬৮ সালে মাধ্যমিক স্তর উত্তীর্ণের পর পিতার চাকরির সুবাদে চাঁদপুর সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত বিখ্যাত সংশপ্তক নাটকে 'কানকাটা রমজান' চরিত্রের মধ্যদিয়ে টেলিভিশন জগতে প্রবেশ করেন। এবং এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। তাঁর ঝুলিতে  নিখোঁজ সংবাদ, হঠাৎ একদিন, পাথর সময়,সমুদ্রে গাংচিল, কাছের মানুষের মত অসংখ্য নাটক রয়েছে। এদিকে সন্ত্রাস, দহন, লড়াকু, দিনমজুর, বীর পুরুষ সহ বহু চলচ্চিত্র রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।

২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন হুমায়ুন ফরীদি। আর এ বছর মরণোত্তর একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি। 

এই বিভাগের আরো খবর

ফুটবল কোচ হচ্ছেন বলি তারকা অজয়

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের নির্মাতারা এখন ব্যস্ত কিংবদন্তি ব্যক্তিদের জীবনী ভিত্তিক সিনেমা নির্মাণে। পাশাপাশি দর্শকদেরও আগ্রহের শেষ নেই...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is