ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ৪ কার্তিক ১৪২৫

2018-10-19

, ৮ সফর ১৪৪০

কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ৩ ঘণ্টা আগেই বিএনপি’র অনশন শেষ

প্রকাশিত: ০৫:০৯ , ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ আপডেট: ০৫:১০ , ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির অনশন আজ বুধবার বিকাল ৪টায় শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মাদুর পেতে বসেছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাসহ তাদের জোটসঙ্গী দল এবং বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

কর্মসূচিস্থল ঘিরে রাখার পর পুলিশ কর্মকর্তারা দুপুরের মধ্যে তা শেষ করতে বলেন বিএনপি নেতাদের।

তখন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের অনশন কর্মসূচি ৪টা পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আমরা এটা ১টা পর্যন্ত করে দিয়েছি।’

তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ এসে বিএনপি নেতাদের পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান। গত ৮ ফেব্র“য়ারি খালেদা বন্দি হওয়ার পর দুদিনের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে এই প্রতীকী অনশনে বসে বিএনপি। 

কর্মসূচির সমাপ্তি টেনে ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা এই অনশন কর্মসূচি থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি এবং সব ধরনের নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। আমরা এই রায় মানি না। এই রায় হল একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমাদের নেত্রীকে দুর্বল করার জন্য।’ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই দলীয় নেত্রীকে মুক্ত করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্থায়ী কমিটির কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সরকার দেশনেত্রীকে বাইরে রেখে নির্বাচন করতে চায়, সেই চক্রান্ত তারা করছে। আমরা বলে দিতে চাই, বেগম জিয়া ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেব না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হতে হবে।’

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, “দেশনেত্রীকে বন্দি করা হয়েছে, আজ পর্যন্ত তার রায়ের কাগজ দেওয়া হয়নি। দীর্ঘসূত্রতা করে তাকে আটকে রাখার ষড়যন্ত্র করছে।”

যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল বলেন, “দেশনেত্রী নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের কথা বলেছেন। আমরা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সবাইকে বলে দিতে চাই, এটাকে কেউ দুর্বলতা ভাববেন না। জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক সৈনিক একজন বেঁচে থাকতে ষড়যন্ত্রকারীরা কেউ পার পাবে না।” 

২০ দলীয় জোটের শরিক বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, “সরকারকে বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের কোনো আদালতের খোঁচায় কিংবা কোনো নির্বাহী আদেশের কলমের খোঁচায় তাকে বন্দি করে রাখা যাবে না, তাকে ছাড়া কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যাবে না।”

সরকারকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, “আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী হবেন বাংলাদেশের, ইনশাল্লাহ। আমরা তাদের বিচার করব।”

অনশনকালে সমাবেশে সঞ্চালনায় ছিলেন প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল।

প্রেস ক্লাবের সামনের এই কর্মসূচিতে বিএনপির কয়েক হাজার নেতা-কর্মীর অবস্থানে সড়কের এক পাশে গাড়ি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। পরে, বেলা ১ টায় এ অনশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর

বিকল্পধারায় ভাঙন!

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মহাসচিব মেজর (অব.) মান্নান ও যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরীকে...

জামায়াত প্রশ্নে নীরব বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডক্টর কামাল হোসেনের নতুন জোটে যোগ দিলেও জামায়াত নিয়ে নীরব বিএনপি। জোটে যেতে জামায়াত ছাড়ার আলোচনা হলেও, শেষ পর্যন্ত এ...

দাবি ও লক্ষ্য তুলে ধরে কূটনীতিকদের ঐক্যফ্রন্টের ব্রিফিং

নিজস্ব প্রতিবেদক: জোটের দাবি ও লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের ব্রিফ করেছে নবগঠিত রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ বৃহস্পতিবার...

ইসিকে ব্যবহার করছে সরকার: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজীবন ক্ষমতায় থাকতে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করছে সরকার। আর মতের মিল না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের...

সিএমএইচে ভর্তি এইচটি ইমাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is