ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ৪ কার্তিক ১৪২৫

2018-10-19

, ৮ সফর ১৪৪০

আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতায় বিলম্ব করা হচ্ছে খালেদার মুক্তি : ফখরুল

প্রকাশিত: ০৪:১৫ , ১৪ মার্চ ২০১৮ আপডেট: ০৪:১৬ , ১৪ মার্চ ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: আইনি প্রক্রিয়াকে দীর্ঘসূত্রতা করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি বিলম্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য, নির্বাচন থেকে দূরে সরানোর জন্য নীলনকশার মধ্য দিয়ে তাঁকে কারা অন্তরীণ করে রাখা হয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে থাকা খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আগামি রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এই সময়ের মধ্যে জামিন স্থগিতের আবেদনকারীদের নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়েছে।
আজ বুধবার এই আদেশের পর দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী, আবদুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, অবৈধ–অনৈতিক সরকার ভয়াবহ অত্যাচার নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। আইনের শাসনকে একে একে ধ্বংস করে চলেছে। গণতন্ত্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে ফেলেছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় যে জামিনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, সেগুলোকে দীর্ঘসূত্রতার পাশাপাশি বিভিন্ন ছলচাতুরী ও কলা-কৌশলের মধ্য দিয়ে বিলম্বিত করছে সরকার। হাইকোর্টে যখন তাঁকে জামিন দেওয়া হলো, তারপরে আবার সেই দীর্ঘসূত্রতা শুরু হয়েছে। তিনি যাতে বের হতে না পারেন, সে জন্য ছলচাতুরী করে সমস্ত ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে এই সরকার সবচেয়ে বড় ক্ষতি যেটা করেছে, সেটা হচ্ছে, তারা বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ দলীয়করণ করেছে। তার প্রমাণ আমরা দেখেছি। প্রধান বিচারপতিকে জোর করে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এবং জোর করে তাঁকে পদত্যাগও করানো হয়েছে। যাঁরা জুনিয়র ছিলেন, তাঁদের আজকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

সরকার একে একে সমস্ত প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলেছে দাবি করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘এখন বিচারব্যবস্থার ওপর তারা চড়াও হয়েছে। এটা হচ্ছে মানুষের শেষ ভরসারস্থল। সেখানে আজকে এ অবস্থার সৃষ্টি করেছে। আজকে সরকারি ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে আমরা সেটাই দেখতে পাচ্ছি।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, একটা মামলায় জামিন পাওয়ার পর আরেকটা মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন এটা একেবারে বেআইনি। কিন্তু তারপরও করছেন তাঁরা।

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

বিকল্পধারায় ভাঙন!

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মহাসচিব মেজর (অব.) মান্নান ও যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরীকে...

জামায়াত প্রশ্নে নীরব বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডক্টর কামাল হোসেনের নতুন জোটে যোগ দিলেও জামায়াত নিয়ে নীরব বিএনপি। জোটে যেতে জামায়াত ছাড়ার আলোচনা হলেও, শেষ পর্যন্ত এ...

দাবি ও লক্ষ্য তুলে ধরে কূটনীতিকদের ঐক্যফ্রন্টের ব্রিফিং

নিজস্ব প্রতিবেদক: জোটের দাবি ও লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের ব্রিফ করেছে নবগঠিত রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ বৃহস্পতিবার...

ইসিকে ব্যবহার করছে সরকার: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজীবন ক্ষমতায় থাকতে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করছে সরকার। আর মতের মিল না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের...

সিএমএইচে ভর্তি এইচটি ইমাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is