ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-23

, ১৮ রমজান ১৪৪০

দাম বেশি, তবুও বৈশাখে চাই ইলিশ

প্রকাশিত: ০৭:১৩ , ০৭ এপ্রিল ২০১৭ আপডেট: ০৭:১৩ , ০৭ এপ্রিল ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আসতে এখনও কয়েকদিন বাকি। এখন চলছে ইলিশ কেনার প্রস্তুতি। ইলিশ যেন না হলেই নয়। তাই উৎসবের আগে শুক্রবার ছুটির দিনে বাজারে ছিল ক্রেতাদের ভীড়। চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে ইলিশের দামে বেড়েছে সাধারণের সামর্থ্যরে বাইরে। এদিকে, বাজারে চালের দাম এখনো বাড়তি।

বৈশাখ আসতে আরও সপ্তাহখানেক বাকি। তবে ইতোমধ্যে বাজারে নিত্যপণ্যে ছোঁয়া লেগেছে বৈশাখের। ইলিশের গায়ে যেনো বৈশাখের বাতাস একটু বেশি-ই। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাজধানীর বাজারে ইলিশ মাছের দাম বেশ চড়া। 

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাঙালির পাতের ইলিশের দাম বেড়েছে প্রায় এক থেকে দেড় গুণ। নগরকেন্দ্রিক এই চাহিদাকে পুঁজি করে ফায়দা লুটছেন পাইকারি ও খুচরা মাছ ব্যবসায়ীরা।

এক সপ্তাহ আগে এক কেজি ওজনের এক হালি ইলিশের দাম ছিল প্রায় চার হাজার টাকা। এখন ৮৫০ থেকে ৯০০ গ্রাম বা এক কেজির ইলিশের দাম তিন হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার টাকা। একই আকারের হিমায়িত ইলিশের হালি ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা। তবে কিছুটা কম হিমায়িত ইলিশ মাছের দাম। অথচ সপ্তাহ খানেক আগে ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি ইলিশ ৫০০ টাকা এবং ৩০০ থেকে ৪৫০ গ্রামের প্রতিটি ইলিশ ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বাড়তি লাভের আশায় নববর্ষের জন্য প্রতিবছরই ইলিশ হিমায়িত করেন আড়তদাররা। আমদানি কম থাকায় হিমায়িত মাছের সুযোগ নিচ্ছেন তারা। ক্রেতারা বলছেন, বৈশাখ এলেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেড়ে যায় ইলিশের দাম।

দাম এত বেশি কেন?- জানতে চাইলে বিক্রেতা বলেন, এসময় মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম। তাই চোখ ফাঁকি দিয়ে ধরা পদ্মার তাজা ইলিশের দাম একটু বেশি। ক্রেতারা মনে করছেন, সরকার নজরদারি বাড়ালে, এই সময়ে ইলিশের দাম আরও কম রাখা সম্ভব হতো।

এদিকে, পয়লা বৈশাখকে সামনে রেখে পাড়া-মহল্লায় ইলিশের ফেরিওয়ালাদের হাঁকডাকও বেড়েছে। অন্যদিকে, উর্ধ্বমুখী চালের বাজার। মোটা চাল ৪২, পাইজাম ৪৪ আর মিনিকেট ৫১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে স্থিতিশীল আছে সবজি, ভোজ্যতেল, চিনি, আটা, ডাল, মাংস ও ডিমের দাম।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is